ছিলনা লাইফ জ্যাকেট? কোথায় ছিল লাইফ গার্ড? কি করছিল ইউনিট? রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃ’ত্যু ঘিরে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন! শুটিং সেটে নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষো’ভে ফুঁসছে মানুষ!

টলিপাড়ার অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় এবার নতুন করে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। দিঘার তালসারিতে শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ৪৩ বছরের এই অভিনেতার। কিন্তু এই ঘটনার পর থেকেই একের পর এক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এত মানুষের উপস্থিতিতে কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়েই এখন সরব দর্শক ও শিল্পমহল।

ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন সেখানে পুরো ইউনিট উপস্থিত ছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিনেতা, টেকনিশিয়ান, সহকারীরা সবাই ছিলেন ঘটনাস্থলে। তা সত্ত্বেও কীভাবে একজন মানুষ জলে তলিয়ে গেলেন এবং সময়মতো তাঁকে বাঁচানো গেল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। অনেকেরই দাবি, যদি যথাযথ নজরদারি থাকত, তাহলে হয়তো এই মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত।

Bengali actor death

এছাড়াও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন। শুটিং যদি সমুদ্রের ধারে হয়, তাহলে কি কোনও লাইফ জ্যাকেট, লাইফ গার্ড বা জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থা রাখা ছিল না? এমন ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় কাজ করার সময় নিরাপত্তার বিষয়টি কেন গুরুত্ব পেল না, তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দর্শকদের একাংশ এই ঘটনাকে গাফিলতি বলেও অভিযোগ তুলছেন।

আরও পড়ুনঃ শুটিংয়ের মাঝেই মর্মান্তিক পরিণতি! প্রয়াত রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়! সমুদ্রের অতলে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই সরাসরি ধিক্কার জানিয়েছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। একাধিক পোস্টে প্রশ্ন উঠেছে, একটি তরতাজা প্রাণ এভাবে হারিয়ে যেতে পারে কীভাবে। শুধু শোক নয়, এর সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে ক্ষোভ এবং জবাব চাওয়ার দাবি।

৪৩ বছরের এক কর্মচঞ্চল অভিনেতার এমন অকাল মৃত্যু সহজে মেনে নিতে পারছেন না কেউই। তাঁর সহকর্মী থেকে শুরু করে অনুরাগীরা সকলেই শোকাহত। কিন্তু সেই শোকের মাঝেই এখন জোরালো হয়ে উঠছে দায়বদ্ধতার প্রশ্ন। এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রুখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিই এখন প্রধান হয়ে উঠেছে।

Back to top button