“প্রতীক্ষা মা” বিয়ের আগেই দেখালো খেল! মেয়ে চাকরি করে ইচ্ছে করলে আলাদা হবে জানিয়ে দিল মা, শুনে হতবাক পলাশ!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে। বিয়ের আগেই পলাশকে জব্দ করল প্রতীক্ষা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, পরাগের থেকে শাস্তি স্বরূপ প্রতিমাসে এতগুলো করে টাকা নেওয়ার জন্য পরাগের হাতে আর কিছুই থাকছে এই অজুহাতে প্রিয়াঙ্কা নামের একটি মেয়েকে টিউশন পড়ানো শুরু করে পরাগ। এই পোড়ানোর ছুতোয় ছাত্রীর সঙ্গে নোংরামি শুরু করে সে।

ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, মধুবালা শিমুলকে পরাগের সঙ্গে একটু মানিয়ে গুছিয়ে নিতে অর্থাৎ মিটমাট করে নিতে বলে। কারণ মধুবালা খুব ভালো করেই বুঝতে পারছি প্রিয়াঙ্কা নামক মেয়েটি মোটেই সুবিধের নয়। পড়াগও একজন সমর্থ্য ছেলে তাই দুজনকে একসাথে থাকতে দিতে একেবারেই ভরসা করতে পারছে না মধুবালা।

শিমুল মধুবালা আর কাকিমাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তাদের ছেলেকে ভালো করার দায় শিমুলের নেই। পরাগ তাকে মারতে চেয়েছে তার উপর অত্যাচার করেছে। তাই পরাগের কোন দাম নেই শিমুলের কাছে। কাকিমা শিমুলকে বলে একটা বাচ্চা-কাচ্চা এলে পরাগ ঠিক ভালো হয়ে যাবে। কারণ পরাগ ভালো ছেলে, পলাশের পাল্লায় পড়ে এমন হয়ে গিয়েছে। কাকিমা আর শাশুড়ি মায়ের অনুরোধে শেষ চেষ্টা করতে রাজি হয়ে যায় শিমুল।

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে প্রতীক্ষা এবং তার মা পাকা কথা বলতে এসেছে শিমুলের শশুর বাড়িতে। পরীক্ষার মা প্রথমেই মধুবালাকে জানিয়ে দেয়, তার মেয়ে চাকরি করে অর্থাৎ দুহাতে টাকা উপার্জন করে তাই না পোষালে তারা কিন্তু আলাদা থাকবে। এই কথা শুনেই বেশ চাপে পড়ে যায় পলাশ।

Back to top button