শ্যামলী অনিকেতকে শেষ করে দেওয়ার নির্দেশ দিলো অরুণাভ, সৌনকের ছবি দেখেই চমকে গেলো শ্যামলী!

ফের এক নতুন রহস্যের কিনারা খুঁজতে এবং নায়কের বোনকে তার ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে জি বাংলার (Zee Bangla) কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। এর আগেও এই পরিবারের আরো এক মেয়ে প্রিয়াঞ্জলির মান সম্মান রক্ষা করেছিল সে। আরো একবার এই পরিবারের অন্য এক মেয়ের জীবন রঙে ভরিয়ে তুলতে চাইছে ধারাবাহিকের নায়িকা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলীর বুদ্ধিতে সবার সামনে নিজের মনের সমস্ত কথা খুলে বলতে পেরেছে রোহিনী। কিন্তু রোহিনী যখন জানতে পারে এই সবটাই শ্যামলীর পরিকল্পনা ছিল তখন সে শ্যামলীর ওপর প্রচন্ড রেগে যায়। কিন্তু শ্যামলী তাকে কথা দেয় সে তার ভালোবাসাকে তার কাছে ফিরিয়ে দেবে। এটা করতে পারলেই রোহিনী শ্যামলীকে ক্ষমা করে দেবে।

কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ২০ মে (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 20 may)

সৌনকের খোঁজ পেয়ে গেল শ্যামলী

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, প্রতীক অনেক কিছুই বলে শ্যামলী আর অনিকেতকে। কিন্তু ছেলেটার খোঁজ সে নিজেও জানে না। শুধু একটাই কথা সেই ছেলেটা বলতো আর সেটা হলো ও সাইবেরিয়াতে থাকে। ঠিক তখনই শ্যামলী আর অনিকেত জানতে পারে সাইবেরিয়া হলো মধ্যমগ্রামের মধ্যে অবস্থিত একটা গ্রাম, তবে সেখানে যাতায়াতের অনেক ঝামেলা। তারা বুঝতে পারে সৌনককে খোঁজার পথে এক ধাপ এগোতে পেরেছে তারা।

সৌনকের ছবি দেখে অবাক শ্যামলী!

এরপর তাড়াতাড়ি এসে রোহিনীকে সবটা খুলে বলে শ্যামলী। রোহিনী শ্যামলীকে বলে, তারা কোথায় আছে কি করছে সব যেনো রোহিনীকে জানায় তারা। এরপর শ্যামলী ছেলেটার একটা ছবি দেখতে চায়। অনেক খুঁজে সৌনকের একটা ছবি সে শ্যামলীকে দেখায়। ছবিটা দেখে শ্যামলী বেশ অবাক হয় কারণ এত সুন্দর ভদ্রলোকের মতন দেখতে একটা ছেলে কেন এরকম করল সেটাই সে ভেবে উঠতে পারে না।

আরও পড়ুন: সর্মির কথায় নিজের ভুল বুঝতে পারলো রাই! সৌর্যর কাছে ধরা পড়ে গেল নীলুর সমস্ত কারসাজি

ভাইকে মারতে উদ্যত অরুণাভ

অনিকেত বাড়ির সকলকে সত্যিটা বলে শ্যামলীকে নিয়ে ছেলেটার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। শ্যামলীর সব বিষয়ে মাথা গলানো অপরাজিতার পছন্দ হয় না। ঠিক তখনই দ্যা গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটেটারের একজন ক্লায়েন্ট আসেন। অনিকেত বলে সে এসে সবটা সামলে নেবে। এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চায় অরুণাভ কিন্তু তাকে ওই কোম্পানিতে ঢোকার অনুমতি দেয় না তার দাদু। অরুণাভ এই ঘটনায় প্রচন্ড রেগে যায়। ঘরে গিয়ে সে একজন গুন্ডাকে ফোন করে আর অনিকেত শ্যামলীকে মেরে ফেলার আদেশ দেয়।

 

Back to top button