ঈশিতার রক্ষা কবজ হয়ে উঠল ফুলকি! রুদ্রর নোং’রামির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালো লাবণ্য! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ফুলকির প্রার্থনা শুনেছেন মা কালী, অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে তমালের জ্ঞান ফিরেছে। এদিকে ঈশিতা সমস্ত সত্যি কথা স্বীকার করে জেলে রয়েছে। ঈশিতার সুরক্ষার দায়িত্ব এখন আইনের হাতে। তাই রুদ্র তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। এদিকে রুদ্র কিভাবে বাঁচবে সেটা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে। থানার বড়বাবুকে ডেকে এনে তিওয়ারি, শালিনীকে নিয়ে প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে ইশিতাকে মেরে ফেলা যায়।

তখনই শালিনী বলে যদি ঈশিতাকে সেলের মধ্যেই কোন ভাবে মেরে ফেলা যায় তাহলে তো আর কারোর কোন হাত থাকবে না, সব দায় গিয়ে পড়বে অংশুর উপর। বাড়িতে এসে ফুলকি রোহিত সবটা জানায়। কিভাবে ঈশিতা ধরা পড়েছে, পুলিশের কাছে নিজের বয়ান জমা করেছে।
ফুলকি আজকের পর্ব ৭ জানুয়ারি (Phulki Today Episode 7 January)
ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে ঈশিতাকে নবাবগঞ্জের থানায় সুরক্ষিত ভাবে নিয়ে আসে অংশু। আর উপর মহলের পারমিশন নিয়ে ঈশিতার জন্য বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা করে। বিশেষ একটি সেলে রাখা হয় এবং তার সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ দেওয়া হয়। এরপর অংশু বাড়িতে গিয়ে সবাইকে সবটি জানায় কিভাবে অতিরিক্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে ঈশিতার জন্য। আর অন্যদিকে সবাই তমালকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তমাল বাড়ি ফিরলেও সে শারীরিক ভাবে এখন অনেক দুর্বল তাই তার বিষয়ে যত্ন নিতে হবে।
তার কিছুক্ষণ পরেই অংশুর কাছে ফোন আসে এবং অংশ জানতে পারে ঈশিতার জন্য যেই বিশেষ গার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল সেখান থেকে সেই গার্ড সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে রুদ্রর সুরক্ষার জন্য। এটা জানতে পেরে অংশু সঙ্গে সঙ্গে থানার উদ্দেশ্য বেরিয়ে পড়ে। ফুলকি, রোহিত, লাবণ্যেও অংশুর পিছন পিছন পৌঁছায়। থানায় আগে থেকেই উপস্থিত ছিল রুদ্র।
আরও পড়ুনঃ শিয়ালদার পরোটা বিক্রেতা থেকে ওয়েব সিরিজের তারকা! অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি না হতে পারার আক্ষেপ আজও রয়ে গেছে তার
রুদ্র এসে থানায় বড় বাবুর সঙ্গে কথা বলে নিজের জন্য অতিরিক্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা করে। এদিকে তখনই লাবণ্য এসে জানায় রুদ্রকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়া যাবে না। ঈশিতা যেহেতু নিজের মুখে রুদ্রর বিরুদ্ধে বয়ান দিয়েছে তাই তাকেই অতিরিক্ত সুরক্ষা দিতে হবে। যেহেতু ভোটে রুদ্রকে হারিয়ে লাবণ্য জিতেছে তাইজন্য থানার বড় বাবু আর মুখের কিছু বলতে পারে না। রুদ্র রেগে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কী হতে চলেছে।

