ঈশিতাকে রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলতে ভ’য়ংকর চাল চালল রুদ্র! ফুলকি পারবেতো নিজের অ’স্ত্রকে রক্ষা করতে?

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে গিয়ে ঈশিতার মুখ থেকে সব সত্যি কথা জানতে চায় অংশু। ঈশিতাও বলে সে সব সত্যি বলবে। তারপর ঈশিতা রুদ্র এবং শালিনীর সম্পর্ক নিয়ে সবকিছু জানায়। অন্যদিকে হাসপাতালে ছুটে যায় রোহিত ফুলকিরা। তমালের অপরেশন সফল হলেও এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি। এই কারণেই সকলের চিন্তা হতে থাকে। ফুলকি সমানে মা কালীকে ডাকতে থাকে। ডাক্তাররাও অনেক চেষ্টা করতে থাকে। এরপর ফুলকি মা কালীর পায়ের ফুল তমালের মাথায় ঠেকিয়ে দেয়। তারপর দেখা যায় হঠাৎই চোখ মেলে তাকায় তমাল।

Bengali serial

ফুলকি আজকের পর্ব ৬ জানুয়ারি (Phulki Today Episode 6 January)

ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে ফুলকির প্রার্থনা শুনেছেন মা কালী, অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে তমালের জ্ঞান ফিরেছে। এদিকে ঈশিতা সমস্ত সত্যি কথা স্বীকার করে জেলে রয়েছে। রুদ্রর হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে হলে জেলে থাকাটাই এখন ঈশিতার জন্য ভালো। অংশু এসে তাকে জানায় তাকে নবাবগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে সেখানেই জেলে থাকবে ঈশিতা। ঈশিতার সুরক্ষার দায়িত্ব এখন আইনের হাতে, তাই তার ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

এদিকে রুদ্র কিভাবে বাঁচবে সেটা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে। থানার বড়বাবুকে ডেকে এনে তিওয়ারি, শালিনীকে নিয়ে প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে ইশিতাকে মেরে ফেলা যায়। থানার বড়বাবু জানায় ঈশিতা এখন আইনের সুরক্ষার মধ্যে রয়েছে, তাকে প্রাণে মেরে ফেলা কঠিন হবে। এই কাজ করতে গেলে বড় বাবুর চাকরি নিয়েও টানাটানি হবে। তখনই শালিনী বলে যদি ঈশিতাকে সেলের মধ্যেই কোন ভাবে মেরে ফেলা যায় তাহলে তো আর কারোর কোন হাত থাকবে না, সব দায় গিয়ে পড়বে অংশুর উপর। সবাই শালিনীর প্ল্যানে রাজি হয়।

আরও পড়ুনঃ নিজেকে উ’ভকামী ঘোষণা, তারপরেই সব শেষ! বাড়ি থেকে উদ্ধার শিল্পীর ঝু’লন্ত দেহ!

এদিকে বাড়িতে এসে ফুলকি রোহিত সবটা জানায়। কিভাবে ঈশিতা ধরা পড়েছে, পুলিশের কাছে নিজের বয়ান জমা করেছে। কিন্তু হৈমন্তী এখনো রুদ্রকে অবিশ্বাস করতেই পারছে না, আপনার এখনো মনে হয় রুদ্র নির্দোষ, ফুলকির জন্যই এই সমস্ত ক্ষতি হচ্ছে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

Back to top button