তমালকে বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রাখল ফুলকি! দুর্ধর্ষ ধারাবাহিকের আজকের পর্ব

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ঈশিতা সারা জায়গায় কেরোসিন তেল ছড়িয়ে সেখানে আগুন লাগানোর জন্য প্রস্তুতি নেয়। ঠিক সেই সময় ঈশিতাকে দেখে ফেলে তমাল। ঈশিতা প্রথমে ঘাবড়ে গেলেও তমালের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায় এবং বলে আজ রাতেই তার পরিবারের সবাইকে সে জ্বালিয়ে শেষ করে দেবে। ঈশিতার এই রূপ দেখে তমাল আবারো ঈশিতাকে অপমান করতে থাকে। তমাল সবাইকে ডেকে জাগানোর চেষ্টা করে কিন্তু ঈশিতা বলে মদের মধ্যে ঈশিতা ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিল তাই কেউ আর সাড়া দেবে না। এরপর ঈশিতা তমালকে গুলি করে পালিয়ে যায়। তারপর সবাই মিলে তমালকে ভর্তি করে হাসপাতালে।

Bengali serial

ফুলকি আজকের পর্ব ৩১ ডিসেম্বর (Phulki Today Episode 31 December)

ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তমাল মৃ’ত্যুর সাথে লড়াই করছে। বাইরে সবাই তমালের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছে। ডাক্তার আপ্রাণ চেষ্টা করছে তমালকে সুস্থ করে তোলার। সকলের প্রার্থনা কতটা কাজে লাগবে সেটাই দেখার অপেক্ষা। সবাই তো ভীষণ চিন্তা করতে থাকে তমাল কিভাবে সুস্থ হবে সেটা নিয়ে। তারপর অপারেশন থিয়েটারে অপারেশন শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর ডাক্তার বেরিয়ে এসে জানায় গুলি বের করা গিয়েছে। কিন্তু একটা কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে, কোনো কাজ করছে না।

তমালের জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা ফুলকির

এই কথা শুনে সকলেই তো খুব চিন্তায় পড়ে যায়। তমালের মা না চাইতেও ফুলকিকে ভুল বোঝে। এদিকে ফুলকি তমালের জন্য কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করতে থাকে। এদিকে রুদ্রর নজর থেকে বাঁচতে ঈশিতা নিজেকে আড়াল করে রাখছে। কারণ রাগের মাথায় ঈশিতা রুদ্রকে অনেক কিছু বলে এসেছে। এবারে রুদ্র তো ঈশিতাকে ছেড়ে দেবে না।

আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র গান নয়! এবারে “তওবা তওবা” গানের হুক স্টেপে নেচে মঞ্চ মাতালেন আশা ভোঁসলে!

তাই ঈশিতা নিজেকে আড়াল করে রাখছে। আর রুদ্রকে বিশ্বাস করার জন্য মনে মনে পস্তাচ্ছে। এদিকে তমালের কিডনি ট্রান্সফার করার কথা জানানো হয়েছে সবাইকে। ফুলকিরা সবাই মিলে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করছে। সবাই নিজেদের টেস্ট করাবে। যার কোনো রকম অসুবিধা নেই শারীরিক দিক থেকে যে একেবারে ফিট একমাত্র সে কিডনি ডোনেট করতে পারবে। এবারে দেখা যাক কার কিডনি দিয়ে তমাল নতুন জীবন পায়।

Back to top button