একুল ওকুল দুকুল হারিয়ে বিপাকে ইশিতা! রুদ্রকে ভালোবেসে ঠকে গেল সে! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ইশিতার সঙ্গে রুদ্র সম্পর্কের আসল সত্যিটা যখন সবাই জানতে পারে তখন প্রত্যেকেই ঈশিতাকে বাড়ি থেকে বার করে দেয়। রায় চৌধুরী বাড়িতে ঈশিতার আর জায়গা হয় না। এমনকি তার মিথ্যে কথাও কেউ আর বিশ্বাস করে না। তমাল এইসব জানার পর ঈশিতাকে একেবারে পছন্দ করে না। বাড়ির সবাই মিলে ঈশিতাকে অপমান করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আর ঈশিতা নিজের এই অপমান একেবারেই সহ্য করতে পারে না। তাই রুদ্রর উস্কানিতে আবারও ঈশিতা ভুল পদক্ষেপ নেয়। ফুলকিরা যেখানে পিকনিক করতে গিয়েছিল সেখানেই আগুন জ্বালিয়ে সবাইকে মেরে ফেলার প্ল্যান করে।

ফুলকি আজকের পর্ব ৩০ ডিসেম্বর (Phulki Today Episode 30 December)
ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে পিকনিক করা হয়ে গেলে সবাই যে যার মত ঘরে চলে যায়। এদিকে ঈশিতা সারা জায়গায় কেরোসিন তেল ছড়িয়ে সেখানে আগুন লাগানোর জন্য প্রস্তুতি নেয়। ঠিক সেই সময় ঈশিতাকে দেখে ফেলে তমাল। তমালের আওয়াজ শুনে ঈশিতা প্রথমে ঘাবড়ে গেলেও তমালের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায় এবং বলে আজ রাতেই তার পরিবারের সবাইকে সে জ্বালিয়ে শেষ করে দেবে। তাদের আদরের ফুলকিকেও বাঁচতে দেবে না। তারা সবাই মিলে যেভাবে ঈশিতাকে অপমান করেছে তার বদলা নেবে সে।
ঈশিতার এই রূপ দেখে তমাল আবারো ঈশিতাকে অপমান করতে থাকে। তাদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। কোনরকম ভাবে তমাল ঈশিতার হাত থেকে আগুনের লাঠিটা ফেলে দেয়। কিন্তু ঈশিতা বন্দুক বার করে তমালকে ভয় দেখাতে থাকে। তমাল সবাইকে ডেকে জাগানোর চেষ্টা করে কিন্তু ঈশিতা বলে মদের মধ্যে ঈশিতা ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিল তাই কেউ আর সাড়া দেবে না আজ। কিন্তু তমাল এর গলার আওয়াজ শুনে ফুলকি রোহিত ছুটে যায়। ততক্ষণে ঈশিতা তমালকে গুলি করে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ বিরাট দুঃসংবাদ! বিনোদন জগৎ থেকে হারিয়ে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা!
এদিকে তমালের গুলি খাওয়ার শব্দ শুনে ছুটে আসে রোহিত ফুলকি। কোনরকম ভাবে তমালকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে ঈশিতাও ছুটে যায় রুদ্রর অফিসে। রুদ্র তার ফোন ধরছে না দেখে তাকে বারবার ফোন করতে থাকে। এরপর রুদ্রর অফিসে গিয়ে ঈশিতা একেবারে অবাক হয়ে যায়। অফিসের মধ্যে শালিনীকে নিয়ে পার্টি করছে, নাচ গান করছে রুদ্র। যেটা ঈশিতা একেবারেই আশা করেনি।
আসলে রুদ্র ঈশিতাকে পুরোটাই ব্যবহার করেছে রায়চৌধুরী পরিবারকে শেষ করার জন্য। আর এখন ঈশিতার প্রয়োজন ফুরিয়ে গিয়েছে। তাই জন্য ঈশিতাকে ছুড়ে পেলে শালিনীকে নিজের কাছে টেনে নিয়েছে। ঈশিতা রুদ্রর থেকে এটা একেবারেই আশা করেনি। তাদের দুজনকে একসাথে দেখে ঈশিতা যা নয় তাই বলে রুদ্রকে কথা শোনাতে থাকে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তমালকে। সবাই তো ভীষণ চিন্তা করছে তমাল সুস্থ হয়ে ফিরতে পারবে কিনা। এবারে দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

