ছদ্মবেশে জেলে হাজির মাধবী! সত্যের মুখোমুখি ফুলকি! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বাংলা ধারাবাহিক জগতে যে সমস্ত ধারাবাহিক দর্শকদের শুরু থেকেই পছন্দের ছিল তার মধ্যে একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। বর্তমানে ফুলকি ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। বিনা দোষে রুদ্রকে গুলি করার অপরাধে জেল খাটতে হচ্ছে ফুলকিকে। ফুলকিকে নির্দোষ প্রমাণ করে এখনো ছাড়িয়ে আনতে পারেনি রোহিত। সবরকমভাবে ফুলকিকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে বাড়ির প্রত্যেকে।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ফুলকি বিনা অ’পরাধে জেলে রয়েছে শুনে মাধবীর জন্য কেঁদে ওঠে। সে মানতেই পারে না যে তার জন্য একজন নি’রপরাধ নি’ষ্পাপ মেয়ে শা’স্তি পাচ্ছে। তাই সে ঠিক করে থানায় গিয়ে নিজে স্বীকারোক্তি দেবে। কিন্তু তাকে বাধা দেয় পুরোহিত ঠাকুর। তিনি বলেন তাদের এত বছরের পরিশ্রম একেবারেই জলে চলে যাবে যদি মাধবী গিয়ে সবকিছু স্বীকার করে নেয়। এদিকে ফুলকির বি’রুদ্ধে এমন কিছু কথা বলেছে রিকি এবং ঈশিতা যে পুলিশ তাকে সন্দেহ করে আটক করে রেখেছে।

ফুলকি আজকের পর্ব ২৩ অক্টোবর (Phulki Today Episode 23 October)

ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে ফুলকিকে দেখতে আসে রোহিত। রোহিতকে দেখে মনে জোর পায় ফুলকি। রোহিত ফুলকিকে সাহস দিতে থাকে, আর বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোহিত ফুলকিকে এখান থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে। রোহিত এসেছিল ফুলকিকে বাড়ির খাবার দিতে। অন্যদিকে মাধবী থানায় থানা পরিস্কার করার মহিলা সেজে আসে ফুলকিকে দেখতে।

ছদ্মবেশে থানায় এলো মাধবী

রোহিত সেইসময় ফুলকিকে নিয়েই অংশুর সঙ্গে আলোচনা করতে থাকে। সেই সঙ্গে ফুলকিকে বাড়ির খাবার খাওয়ানোর জন্য পারমিশন লেটার নিয়ে আসে। রোহিত এবং অংশুর কথা দাঁড়িয়ে শুনতে থাকে মাধবী। তার কিছুক্ষণ পরেই ওই মহিলা ইন্সপেক্টর ঢোকেন এবং মাধবীকে দেখে বেশ অবাক হয়ে যান। মাধবীকে দেখে সবাইকে জানিয়ে দেন থানার আশেপাশে কোন রকম অচেনা ব্যক্তিকে তিনি ঢুকতে দেবেন না, শুধুমাত্র মাধবী থানা পরিষ্কার করতে এসেছে দেখে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়। এরপরই রোহিতকে থানায় দেখে প্রশ্ন করতে থাকেন তিনি। তখন অংশু জানায় রোহিত ফুলকির বাড়ির খাবার খাওয়ানোর জন্য অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে এসেছে। ইন্সপেক্টর ম্যাডাম তখন জানান তিনি পারমিশন দেবেন না। তখনই রোহিত জানায় ফুলকি কদিন আগে গু’লি খেয়েছে। তাই পারমিশন তাকে দিতেই হবে।

আরও পড়ুন: দুই বউ থাকতেও সমস্ত দায়িত্ব পেল রাঙা! হিং’সেতে জ্ব’লে উঠল বৃন্দা!

অন্যদিকে মাধবী যায় থানা পরিষ্কার করতে। সেখানে গিয়ে ফুলকিকে দেখতে পায়। ফুলকিকে দেখে তার বড্ড মায়া হয়, ফুলকি মাধবীর থেকে ঝাঁটা নিয়ে নিজেই পরিষ্কার করার কথা বলে। এরপর ফুলকি যেমন সবাইকে দেখেই বকবক করতে শুরু করে তেমনি তার সাথে কি হয়েছে কিনা হয়েছে সমস্ত কথা মাধবীকে বলে যায়। মাধবীর ফুলকিকে দেখে মায়া হয়। তার জন্য এরকম একজন সরল নিষ্পাপ শাস্তি পাচ্ছে দেখে খুব কষ্ট হয়। অন্যদিকে ফুলকি যাতে কোনভাবেই জেল থেকে ছাড়া না পায় সেই ব্যবস্থা করছে ঈশিতা। ঈশিতার এই কাণ্ডকারখানা দেখে বাড়ির সবাই তো ভীষণ রেগে যায়। জেঠুমনিও ঈশিতাকে বারণ করতে থাকে। কিন্তু ঈশিতা কোন কথা শোনে না কারোর। এবারে দেখার অপেক্ষা ফুলকির সাথে কি হয় আদালতে।

Back to top button