মাধবীর স্বীকারোক্তিতে মুক্তি পেল ফুলকি! মুছে গেল খু’নির তকমা!

বাংলা ধারাবাহিক জগতে যে সমস্ত ধারাবাহিক দর্শকদের শুরু থেকেই পছন্দের ছিল প্রথম দিন থেকেই সেটা হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। বর্তমানে ফুলকি ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। ধারাবাহিকের একটা পর্বও মিস করতে চাইছেন না ধারাবাহিকের ভক্তরা। কারণ বর্তমানে রুদ্রকে গু’লি করার অ’পরাধে ফুলকিকে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং সব দোষ গিয়ে পড়েছে ফুলকির ঘাড়ে।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে মাধবীলতা গু’লি করা সত্ত্বেও ফুলকির বি’রুদ্ধে রিকি এবং ঈশিতা এমন কিছু প্রমাণ দিয়েছে যা শুনে পুলিশ ফুলকিকেই অ’পরাধী ভাবছে। রুদ্র গু’লি খাওয়ার সময় থেকে শুরু করে গুলি খাওয়ার পর ফুলকি এমন কিছু কাজ করেছে যে সমস্ত সন্দেহ ফুলকির দিকেই যাচ্ছে। সেজন্য পুলিশ ফুলকিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য থানায় ধরে নিয়ে গেছে, আর ফুলকির কথায় কোন রকম মিল না পেয়েই ফুলকিকে গ্রে’প্তার পর্যন্ত করেছে। এদিকে এই সমস্ত খবর জানতে পেরেছে মাধবী এবং ফুলকির জন্য একজন নি’র্দোষ নিরপরাধ মেয়ে শা’স্তি পাচ্ছে শুনে তার মনে অ’পরাধবোধ কাজ করতে থাকে।

Phulki, Zee Bangla, Bengali serial, New Promo, ফুলকি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, নতুন প্রোমো

ফুলকি আজকের পর্ব ২২ অক্টোবর (Phulki Today Episode 22 October)

ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে ফুলকির জন্য বাড়ির সবাই চিন্তা করতে থাকে, কিভাবে ফুলকিকে জেল থেকে বের করে আনবে সে কথাই ভাবতে থাকে রোহিত। অন্যদিকে ফুলকি গ্রেফতার হয়েছে শুনে মাধবীর মন তো একেবারেই ভালো নেই। কারণ সে কিছুতেই মানতে পারছে না তার প্রতিশোধের জন্য একজন নিরাপরাধ নিষ্পাপ বিনা দোষে শাস্তি পাচ্ছে। তার সঙ্গে কি হবে মাধবী নিজেও জানেনা। বারবার ফুলকির জন্য চিন্তা হতে থাকে। এই জন্য ঠাকুর মশাইয়ের সঙ্গে কথা বলে মাধবী। মাধবী জানায় সে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করবে। তার জন্য একজন নিরপরাধ মেয়ে শাস্তি পাবে সেটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মাধবী নিজেই যদি অন্যায় করে ফেলে তাহলে তার নিজের শিরদাঁড়া কি করে সোজা থাকবে। কিন্তু ঠাকুরমশাই মাধবীকে বারবার এই কাজ করতে না করে। তিনি জানান কত বছর ধরে তারা এত প্ল্যান এত তোড়জোড় করেছে রুদ্রকে শাস্তি দেওয়ার জন্য। সেখানে মাধবী যদি আত্মসমর্পণ করে তাহলে তাদের সমস্ত পরিশ্রম জলে যাবে।

এদিকে ফুলকিকে কিভাবে জে’ল থেকে ছাড়িয়ে আনবে কিছুই বুঝতে পারে না ধানু। কারণ ফুলকির বিরুদ্ধে এমনভাবে চার্জশিট বানানো হয়েছে যে তার জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার খুবই মুশকিল, কেসটা অনেক জটিল হয়ে গেছে। তারপরই বাড়িতে আসে অংশু এবং পারমিতা। অংশু এসে সবাইকে বলে ওই ঘটনা নতুন করে একবার পুরোটা সাজানো দরকার। তাহলে যদি অ’পরাধীর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর সবাই মিলে পুজোর দিনের ঘটনা পর পর সাজাতে থাকে কিন্তু কোনো সুরাহা হয়না। দোষী কে, কেনো রুদ্রকে গুলি করল কিছুই বোঝা যায় না।

আরও পড়ুন: শয়তানি করতে গিয়ে বিপাকে বৃন্দা! তার মুখে চুন কালী লেপে দিল রাঙা!

রোহিত আরও ভেঙে পড়ে। অংশু তখন সবাইকে বলে যারা বা যে অপরাধ করেছে তারা চুপ করে বসে থাকবে না। এই বাড়ির উপর নজর রাখবেই। তাই আশেপাশে কোনো সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই, অংশুকে যেন খবর দেওয়া হয়। এরপর সবাই মিলে রোহিতকে বলে ফুলকির সাথে একবার হলেও দেখা করে আসতে, তাহলে ফুলকি মনে জোর পাবে। কিন্তু রোহিত কোন মুখে ফুলকির সামনে গিয়ে দাঁড়াবে সেটাই বুঝতে পারে না।

Back to top button