তমালকে বাঁচাতে বিরাট আ’ত্মত্যাগ ফুলকির! মৃ’ত্যুর সঙ্গে সা’প সিঁড়ি খেলছে ঈশিতা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তমাল মৃ’ত্যুর সাথে লড়াই করছে। বাইরে সবাই তমালের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছে। ডাক্তার আপ্রাণ চেষ্টা করছে তমালকে সুস্থ করে তোলার। ফুলকি তমালের জন্য কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করতে থাকে। এদিকে রুদ্রর নজর থেকে বাঁচতে ঈশিতা নিজেকে আড়াল করে রাখছে। কারণ রাগের মাথায় ঈশিতা রুদ্রকে অনেক কিছু বলে এসেছে। এবারে রুদ্র তো ঈশিতাকে ছেড়ে দেবে না।

ফুলকি আজকের পর্ব ১ জানুয়ারি (Phulki Today Episode 1 January)
ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে তমালের একটা কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্য তমালকে অন্য একজন ডিলারের কাছ থেকে কিডনি নিতে হবে। যার জন্য বাড়ির সবাইকে টেস্ট করানো হয় হাসপাতালে। হাসপাতালে সবার টেস্ট হওয়ার পর ফুলকির সঙ্গেই ৭০% ম্যাচ করে। এটা জানার পর ফুলকি তো একবারই রাজি হয়ে যায় তমালকে কিডনি দেওয়ার জন্য, কারণ তমালকে নিজের দাদার মতো ভালোবাসে। তাই তমালের জীবন বাঁচাতে ফুলকি নিজের জীবন বাজি রাখতেও রাজি।
অন্যদিকে ঈশিতা তো পড়েছে মহা বিপদে। রুদ্রর লোক সবসময় তার উপর নজর রাখছে, তাকে ফলো করছে। ঈশিতা কখন কোথায় যাচ্ছে সবকিছুর উপর নজর রাখছে রুদ্রর লোকজন। আর ঈশিতা তাদের দেখে ফেলায় তাদের থেকে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু কতক্ষণ এর এভাবে পালিয়ে পালিয়ে বাঁচবে। সে বুঝে গেছে রুদ্রর কথা শুনে সে বিপদে পড়ে গিয়েছে। এদিকে ফুলকি তমালকে কিডনি দেওয়ার জন্য রাজি হয়ে গেলেও তমালের বাবা কিছুতেই রাজি হয় না। সে ফুলকির ক্যারিয়ার কিছুতেই বিপদের মুখে ফেলে দিতে পারে না।
আরও পড়ুনঃ জলসার জনপ্রিয় নায়কের প্রেমে নিম ফুলের মধুর নায়িকা! বছরের শুরুতেই প্রেমে সিলমোহর! সমাজ মাধ্যমে ফুটে উঠলো ভালোবাসার মুহূর্ত!
কিন্তু ফুলকি বারবার বলে সে তমালের জন্য এতটুকু করতেই পারে, দরকার হলে সেই ছ’য় মাস বিশ্রাম নেবে কিছু করবে না। কিন্তু তমালকে সে কিডনি দেবে। কিন্তু ফুলকির এই কথায় কিছুতেই রাজি হতে চায় না তমালের বাবা। তমালের মা এই কারণেই তাই বাবার উপর রাগ করে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে ঈশিতা ছদ্মবেশে রুদ্রর লোকজনের নজর এড়িয়ে একটি ক্যাফেতে গিয়ে বসে। সেখানেও ঠিক ঈশিতার ফোন ট্র্যাক করে পৌছে যায় রুদ্রর লোক। ঈশিতা প্রথমে এসব কিছুই বুঝতে পারে না। সে অন্য একজনকে ফোন করে তার কাছে সাহায্য চায়। তারপর হঠাৎ করে ক্যাফেতে রুদ্র লোকজনকে দেখে সেখান থেকে কোনমতে বেরিয়ে আসে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

