নিজেকে বাঁচাতে নতুন পুলিশ অফিসারকে প্রাণে মেরে ফেলার নতুন ছক রানীমার! রাণীমার কারসাজি কি ধরতে পারবে ফুলকি?

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় যেই শিবু পালিয়ে গিয়েছিল সে মেয়ে দেখতে আসার লোভে ফুলকির ফাঁদে পা দেয়। আর ফুলকিও হাতেনাতে ধরে ফেলে শিবুকে। প্রথমে শিবু ফুলকিদের ছদ্মবেশে ধরতে পারেনি। কারণ মেয়ে দেখাতেই ব্যস্ত ছিল সে। তারপর হঠাৎ করেই তমালের পর চুল খুলে পড়ে যায় সবার সামনে। আর তখনই শিবু বুঝতে পারে তাকে ধরার জন্যই এই ফাঁদ পাতা হয়েছে। শিবু পালানোর চেষ্টা করলে ফুলকি এক ঘুষিতে শিবুকে কাবু করে জানিয়ে দেয় আশেপাশে পুলিশ পুরো ঘিরে ফেলেছে। তারপর পুলিশ এসে শিবুকে ধরে নিয়ে যায়।

Bengali serial

এদিকে ফুলকি শিবুর মাকে জানিয়ে দেয় তার বাবার মত আরও অনেক পরিবারের লোক নিখোঁজ হয়েছে। আর এসবের পেছনে শিবু রয়েছে। তাই সে যেন তার শিবুকে বুঝিয়ে বলে সাবধান করে দেয় এসব না করতে। এদিকে শিবুকে সঙ্গে সঙ্গে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য বন্দী করা হয়। ফুলকি আর তমাল তাদের পেছন পেছন থানায় আসে। ফুলকি বারবার পুলিশ অফিসারকে অনুরোধ করে যেন তার বাবার খোঁজ তাড়াতাড়ি দেয় পুলিশ। ফুলকিকে অফিসার কথা দেয় তিনি সব রকম ভাবে চেষ্টা করবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফুলকির বাবাকে খুঁজে বের করতে।

ঠিক তার পরেই ওই পুলিশ অফিসারের কাছে ফোন আসে নিবারণ বাবুর। তিনি আবারো পুলিশ অফিসারকে হুমকি দেয়। কিন্তু কে বারবার এভাবে ফোন করে হুমকি দিয়েছে সেটা বুঝতে পারে না অফিসার। রাণীমাও জানতে পারে শিবু ধরা পড়েছে। তিনি বুঝতেই পারেনা শিবু গা ঢাকা দেওয়ার পরেও কিভাবে ধরা পড়ে গেল। যদি এভাবেই শিবু মুখ খুলে দেয় তাহলে রাজবাড়ীর গোপন সত্যি বেরিয়ে আসবে। রানীমার আসল মুখো সকলের সামনে খুলে যাবে, তাকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ বিরাট দুঃসংবাদ! মাঝপথেই ধারাবাহিক ছাড়ছেন ফুলকি ধারাবাহিকের নায়িকা

তাই জন্য রানীমা তারা ছোট ছেলেকে সমস্ত ব্যবসা দায়িত্ব নিতে বলে এবং এটাও জানায় শিবু ধরা পড়েছে। তাই সবার মুখ বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে। এদিকে ফুলকি তমাল থানাতেই অপেক্ষা করছিল কিন্তু শিবু কিছুতেই মুখ খোলেনা। তাই ফুলকি পুলিশ অফিসারকে অনুরোধ করে তাদের সাহায্য করার জন্য। কিন্তু পুলিশ অফিসার আইনের বিরুদ্ধে গিয়ে ফুলকিকে এই কাজ করতে দেয় না। এদিকে ওই পুলিশ অফিসারকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য আদেশ দেয় রানিমা। তাই মাঝরাতে ওই অফিসারের বাড়িতে ঢোকে কতগুলো গুন্ডা। ফুলকি আন্দাজ করতে পেরেছিল এমন কিছু ঘটতে পারে। তাই সেও সেই সময়তেই ওই অফিসারকে বাঁচাতে তার বাড়িতে ঢোকে এবং তাকে সাবধান করে দেয় যার ফলে গুন্ডারা আর কোন ক্ষতি করতে পারে না ওই অফিসারের। এবার দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button