ফাইনাল ম্যাচের আগেই সর্বনাশ! শালিনীর জালে জড়িয়ে পড়লো ফুলকি! যুদ্ধ জিততে এবার ফুলকির নতুন কৌশল!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় ফুলকি রোহিতকে বলে তার মনে হল ওই বিদেশী সাংবাদিককে ফুলকি চেনে। কিন্তু রোহিত এত গুরুত্ব না দিয়ে ফুলকিকে খেলার উপর মনোযোগ দিতে বলে। এরপর শুরু হয় ফুলকির ট্রেনিং।তারপর পরপর ম্যাচ, পরপর সব ম্যাচেই ফুলকি একের পর এক প্রতিযোগীকে হারিয়ে পৌঁছে যায় সেমিফাইনালে। কোয়ার্টার ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে ফুলকি ঠিক জায়গা করে নেয় সেমিফাইনাল ম্যাচে। ফুলকির জন্য সকলেই গর্ব অনুভব করে। কিন্তু এই সেমিফাইনালে কি ফুলকি সাথে ঘটবে কোন বড় বিপদ? রুদ্র জেলে বসেই মনে মনে ঠিক করতে থাকে ফুলকিকে কিছুতেই ম্যাচে জিততে দেওয়া যাবে না।

এদিকে ফুলকিকে নিয়ে নবাবগঞ্জে সবাই ভীষণ গর্ব অনুভব করতে থাকে। সবাই ফুলকির জয় সেলিব্রেট করতে থাকে। নাচ গান হইহুল্লোড় গান-বাজনা করে ফুলকির এই জয়ের সাফল্য উদযাপন করে। ফুলকিকে ফোন করে লাবণ্য সবকিছু জানায়। এখানে সবাই ফুলকির জন্য কত খুশি সবটা বলে। এসব শুনে ফুলকি তো খুবই খুশি হয়। কিন্তু রোহিত ফুলকিকে বলে এসবের দিকে মন না দিয়ে খেলার দিকে মন দিতে।
এদিকে সেমিফাইনাল ম্যাচেও ফুলকি তার বিপরীত পক্ষকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয়। একের পর এক ম্যাচে ফুলকি রুদ্ধশ্বাস জয়ের মাধ্যমে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করতে থাকে। এদিকে শালিনী কিভাবে ফুলকিকে আটকাবে সেই প্ল্যান এখনো করে উঠতে পারেনি। তাই জন্য শালিনী দিল্লি থেকে যায় রুদ্রর কাছে। জেলের মধ্যে রুদ্রর সাথে একজন বিদেশি সাংবাদিক দেখা করতে এসেছে শুনে প্রথমে রুদ্র অবাক হয়। তারপর দেখা করার সময় শালিনী নিজের আসল পরিচয় দেয় এবং রুদ্রকে বলে ফুলকিকে হারানোর জন্য তাকে সাহায্য করতে কোন ভালো বুদ্ধি দিতে যাতে করে ফুলকিকে আটকানো যায়।
আরও পড়ুনঃ মাত্রা ছাড়ালো শালিনীর শয়তানি! রাতারাতি ফুলকির শরীরে বিরাট পরিবর্তন! হাতে মাত্র একটা রাত! প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো!
এরপরই শালিনী রুদ্রর ওজন বাড়ানোর আইডিয়াটা ধরে নেয়। আর ফুলকির খাবার-দাবার এবং ডায়েটের যে খেয়াল রাখছিল সেই মেয়েটির অসহায়তার সুযোগ নিয়ে ফুলকিকে বিপদে ফেলে। আসলে ওই মেয়েটির বাড়িতে আর্থিক সমস্যা রয়েছে। আর শালিনী সেই সুযোগটা কে কাজে লাগায়। ওই মেয়েটিকে টাকার লোভ দেখিয়ে শালিনী নিজের কাজ করিয়ে নেয়। ফুলকির খাবারের ওজন বাড়ানোর ওষুধ মিশিয়ে দেয়। আর সেই খাবার খেয়ে ওজন বেড়ে যায় ফুলকির। পরের দিন ফিটনেস টেস্টে গিয়ে ফুলকি দেখতে পাই তার এক কেজি ওজন বেড়ে গিয়েছে। এই দেখে তো রোহিত ফুলকি দুজনেরই কপালে হাত। কিভাবে ফাইনাল ম্যাচে খেলবে ফুলকি সেটাই দেখার অপেক্ষা।

