অবশেষে তেতো পেরিয়ে মিঠের হদিশ পেল পর্ণা, জেঠু থেকে বাবুর মায়ের মন পেল সে! জমজমাট নিম ফুলের মধু

এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় ও পপুলার ধারাবাহিক নিম ফুলের মধু। সৃজন-পর্ণার মিষ্টি প্রেমের কেমেস্ট্রি ছোট পর্দার দর্শককে বিনোদনের পারফেক্ট রসদের জোগান দিচ্ছে। টিয়ারপির দিক থেকেও বেশ ভালো জায়গাতেই রয়েছে এই ধারাবাহিক। প্রতি সপ্তাহেই এক থেকে পাঁচ এর মধ্যে থাকে নিম ফুলের মধু।
কিন্তু বর্তমানে এই ধারাবাহিকে দত্ত বাড়ির মাথায় ঝুলছে খাড়া। কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছিল এক মহিলা এসে দাবি করছে সে এই বাড়ির বউ যার জন্য নিজের ছেলেরাও আঙ্গুল তুলেছিল ঠাম্মির উপর। সেই পিয়ালী দেবী কোর্টে মামলা করে এবং সেই মামলার চিঠি পাঠায় দত্ত বাড়িতে।
সে চিঠি খুলে দেখা যায় সম্পত্তির ভাগ দাবি করছে পিয়ালী দেবী। তাদের মতে এই সম্পত্তির ভাগীদার তারা। হেমনলিনী দেবী অর্থাৎ পর্ণার ঠাম্মি এখন পড়েছে মহা সমস্যায়। তাই সে ডাক দিয়েছে তাদের বিশ্বস্ত উকিলের ছেলেকে যেও বর্তমানে একজন উকিল। বাড়িতে এসে প্রথমেই সবার থেকে সবটা শোনে সেই উকিল, আর তারপর ঠাম্মির নামে এইসব সম্পত্তি এইরকমটা লেখা রয়েছে এমন যা যা প্রমাণ আছে সবকিছু আনার নির্দেশ দেন।
সবকিছু দেখে তিনি বলেন প্রমাণ তো রয়েছে কিন্তু তারপরেও পিয়ালী দেবী এত বড় একটা কেস যখন করার সাহস দেখিয়েছেন তার মানে তার কাছে আরো বড় কোনো প্রমাণ রয়েছে। আর সেটা কোর্টে না গেলে জানা যাবে না সেটা জানার পরেই যা করার করতে হবে। উকিলের কথা শুনে বেশ ভয় পেয়ে যায় বাড়ির সকলে রাতে কারোরই ঘুম আসে না। চিন্তায় চিন্তায় সৃজন চলে যায় ছাদে আর তার সাথে আসে পর্ণা।
কিছুক্ষণ পরেই ছাদে এসে হাজির হয় জেঠু আর বড় বউ। তারপরে একে একে ছোটকা নীলাঞ্জনা সৃজনের মা-বাবা প্রত্যেকেই চিন্তায় না ঘুমিয়ে ছাদে চলে আসে। সবাই যে খুব টেনশন করছে তাদের মাথার উপরের ছাদ নিয়ে তা বুঝতে পারে পর্ণা। আর নিজের কথাবার্তার মাধ্যমে সবাইকে শান্ত করে এবং এক জায়গায় নিয়ে আসে, সে বলে আমরা সত্যি কথা বলছি, তাই আমরা ভয় না পেয়ে মাথা উঁচু করে নির্ভীক ভাবে লড়াই করব। চিন্তা করলে তো আমরা জিতে যাব না। এই প্রথম তার কথায় সম্মতি দেখায় সৃজনের মা ও জেঠু, যা দেখে আনন্দ পেয়েছে দর্শকরা। এই প্রথম বোধহয় পর্ণাকে একটু বিশ্বাস করছে তারা। সব সময় তার কাজের খুঁত না ধরে তাকে ভরসা করছে। এই ট্র্যাকটি খুব পছন্দ হয়েছে দর্শকদের।


