সোনার দুল হীরের লকেট! লোভে চকচক করে উঠলো সুইটির চোখ! শুরু হচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই!

গয়নাগাটির লোভ মানুষকে কোন সীমায় পৌঁছে দিতে পারে তার নিদর্শন প্রায় প্রত্যেকেরই জানা আছে। মাঝেমধ্যে এই লোভে পড়ে চরম শত্রুর সাথে হাত মেলাতেও মানুষ দ্বিধাবোধ করে না। এই মুহূর্তে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu)। একের পর এক চমক দিয়ে দর্শকদের আরো বেশি করে প্রিয় পাত্রী হয়ে উঠছে ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণাকে কৃষ্ণ বলে, তার আর বাবুর বন্ধুত্বের জন্যই নাকি সৃজন সুইটির সম্পর্কটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এটা শোনার পর থেকেই আর সেই ভাবে মন খুলে সৃজনের সাথে কথা বলতে পারছে না ধারাবাহিকের নায়িকা। তার বারবার মনে হচ্ছে তার জন্যই হয়তো সৃজনের সংসার করা হচ্ছে না। আর সেই জন্য এসে সৃজনের থেকে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু সৃজন কিছুতেই পর্ণাকে তার থেকে দূরে যেতে দিচ্ছে না।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ৩০ জুলাই (Neem Phuler Modhu Today Episode 30 July)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সুইটি সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে এসে সবার সামনে বলে, সে নাকি স্বপ্ন দেখেছে সৃজন তাকে সোনার হার পরিয়ে দিচ্ছে। এটা শুনে মাথাটা গরম হয়ে যায় সৃজনের। এরপর দালানেই সৃজন আর সুইটির মধ্যে হাতাহাতি লেগে যায়। ঠিক তখনই স্নান করে বেরিয়ে আসে পর্ণা। আর ধাক্কা লেগে সৃজনের গায়ের উপর পড়ে যায় পর্ণা। এরপর নিজেকে সামলে নিয়ে উঠে দাঁড়ায় তারা। সুইটির জন্য এই সবটা ঘটে তাই তার উপর প্রচুর রেগে যায় কৃষ্ণা।

লোভে চকচক করে উঠলো মৌমিতার চোখ

এর কিছুক্ষণ পরে সেখানে চলে আসে সৃজনের পাড়ার বন্ধুরা। তারা এই শ্রাবণ মাসে তাদের পাড়াতে বড় করে উৎসব করতে চলেছে। আর সেই জন্যই গোটা দত্ত বাড়িকে নেমন্তন্ন করতে আসে তারা। তারা এসে বলে এখানে একটা প্রতিযোগিতা হবে। যেখানে বাড়ির বউরা জুটি বেঁধে নাচ করতে পারবে। যে জুটি জিতবে তারা ১৫০০০ টাকা একটা সোনার হার সোনার দুল আর হীরের লকেট পাবে। এতগুলো জিনিসের নাম শুনেই লোভে চকচক করে ওঠে সুইটি আর মৌমিতার চোখ। অন্যদিকে মনে মনে লোভ হতে থাকে কৃষ্ণারও।

আরও পড়ুন: নবান্নে মিটিংয়ের পর কাল থেকে কি হতে চলেছে টলিপাড়ায়?

এদিকে সবাই মিলে জোর করতে থাকে যাতে পর্ণাও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। কিন্তু সে কিছুতেই প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করতে চায় না কারণ সে এই বাড়ির কেউ হয় না। অন্যদিকে মৌমিতা আর সুইটি একসাথে জুটি বেঁধে ফেলে। বেচারা একলা হয়ে যায় কৃষ্ণা। সে বলতেও পারেনা তার নাচ করতে ইচ্ছা করছে আবার বাধা দিতেও পারে না। সবাই মিলে চেষ্টা করে যাতে পর্ণাও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। তবে শেষ পর্যন্ত তার সম্মতি না থাকায় প্রত্যেকেই খুব হতাশ হয়।

Back to top button