মা নাকি সন্তান! কাকে বাঁ’চা’বে সৃজন? স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভে’ঙে পর্ণাকে দেখতে এলো বর্ষা!

এই মুহূর্তে এক চরম সংকটে জর্জরিত হয়ে পড়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। একদম শুরুর দিন থেকেই এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মনে অনেকখানি জায়গা জুড়ে অবস্থান করছে। এই ধারাবাহিকের নায়িকা পল্লবী শর্মা দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের একজন পাত্রী হয়ে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় রাজ করছে এই মেগা। বেঙ্গল টপার এর জায়গা দখল করে বসে আছে নিম ফুলের মধু।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজন মিলে পিকলুকে চরম বিপদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নিজেরাই ছদ্মবেশ নিয়ে চলে যায় লেবুখালি গ্রামে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা খুব বেশিদিন নিজেদের আসল পরিচয় লুকিয়ে রাখতে পারেনা। যার ফল স্বরূপ মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে ধারাবাহিকের নায়িকার। ড্রাগস পাচারকারী চক্রের মাথা মিস্টার এক্স এর হাতে গুলি খেয়ে মৃত্যুর কোলে লুটিয়ে পড়ে পর্ণা। নিজের স্ত্রীকে এমন অবস্থায় দেখে সৃজন নিজেও বেশ ভেঙ্গে পড়ে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৃজন পর্ণাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে। সবাইকে খবর দেওয়া হয়েছে। সবাই ধারাবাহিকের নায়িকাকে নিয়ে বেশ চিন্তিত। সৃজন প্রার্থনা করে তার স্ত্রী পর্ণা জানো খুব তাড়াতাড়ি বিপদমুক্ত হয়। অপারেশনের সময় ডাক্তাররা দেখে, পর্ণার অবস্থা ক্রমাগত খারাপের দিকে যাচ্ছে। রক্তচাপ কমে যাচ্ছে আর অনেক রক্ত ক্ষয় ঘটছে। ডাক্তাররা কিছুক্ষনের জন্য অপারেশন থামিয়ে দেয়। তারা পর্ণার বাড়ির লোকজনদের জানায় তার অবস্থা একেবারেই ভালো নয়। তাই তারা যেন আগের থেকে নিজেদেরকে শক্ত করে।

অন্যদিকে দেখা যায়, নিজের বৌদি ভাইকে নিয়ে চিন্তা করতে থাকে বর্ষা। ঠিক সেই সময় বর্ষাকে ফোন করে পিকলু। সে ফোন করে বলে, দিদির গুলি লেগেছে। অবস্থা খুবই খারাপ। বর্ষা যদি পারে তাহলে যেন তাড়াতাড়ি চলে আসে। বর্ষা তখন তাড়াতাড়ি করে ব্যাগ নিয়ে তার শশুর শাশুড়ি এবং স্বামীকে বিষয়টা জানিয়ে সেখান থেকে বের হতে চায়। কিন্তু তার শাশুড়ি মা তাকে জানিয়ে দেয় তার কোথাও যাওয়া হবে না। যারই গুলি লাগুক না কেন বর্ষা এখন এই বাড়ির বউ তাই বর্ষা হঠাৎ করে বেরিয়ে যেতে পারবে না। কিন্তু এইবার তাকে কেউ আটকাতে পারে না। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তাদের এই কথাটা বর্ষা রাখতে পারবেনা। এরপর নিজের শ্বশুর মশাইয়ের কাছ থেকেও অনুমতি নিয়ে বর্ষা বৌদি ভাইকে দেখার জন্য রওনা দেয়।

অন্যদিকে ডাক্তাররা সৃজনকে জানায়, মা এবং সন্তান দুজনের মধ্যে থেকে যেকোনো একজনকেই বাঁচানো সম্ভব হবে। যদি সন্তানকে বাঁচাতে হয় তাহলে প্রি ম্যাচিওর বেবির জন্ম নেবে। আর নয় তো মাকে বাঁচাতে হবে। এসব শুনে জেঠু বলে, গাছ থাকলে ফল আবার হবে। তাই সৃজনের পর্ণাকে বাঁচানো উচিত। কিন্তু কৃষ্ণা বলে, সে নাতির মুখ দেখতে চায়। আর ডাক্তাররা কোন নিশ্চয়তা দিচ্ছে না যে পর্ণা সুস্থ হয়ে যাবেই। তাই তাদের উচিত নাতিকে বাঁচানো। সৃজন ভেবে পায় না সে কি করবে।

Back to top button