বাড়ি বাঁচানোর নতুন উপায় পেয়ে গেল পর্ণা, মায়ের বাবু থেকে বউয়ের স্বামী হয়ে উঠলো সৃজন!

জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে বর্তমানে চলছে ধুমধুমার পর্ব। খুবই সাদামাটা ঘরোয়া পারিবারিক কাহিনী সম্প্রচারিত হচ্ছিল এই ধারাবাহিকে। আর পাঁচটা যৌথ পরিবারে ভাইয়ে ভাইয়ে যেমন সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা ঝঞ্ঝাট হয়ে থাকে এবার সেইটাই তুলে ধরছে এই ধারাবাহিক। একান্নবর্তী পরিবারের একে অপরের সাথে ভালোবাসার বন্ধন দেখানোর পর এইবার এর খারাপ দিকটিও প্রদর্শিত করছে নিম ফুলের মধু।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজনের জন্য তার জ্যাঠা শশুর অর্থাৎ অখিলেশ দত্তের থেকে সাহায্য নিয়েছিল। সেখানেও ব্যাঘাত ঘটায় ইশা। আর সব দোষটা গিয়ে পড়ে এসেই পর্ণার উপরেই। এরপর বাজুরিয়াকে লেলিয়ে দিয়ে পর্ণার শশুর বাড়ি অর্থাৎ সবার সাধের দত্ত বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে ইশা। কিন্তু সেখানেও জল ঢেলে দেয় পর্ণা।

ধারাবাহিকির আজকের পর্বে দেখা যায়, খারাপ স্বপ্ন দেখে হঠাৎ করে ঘুম থেকে জেগে যায় পর্ণা। তার চেঁচামেচি শুনে উঠে যায় সৃজনও। এরপর পর্ণা আরে না লুকিয়ে সে কোথা থেকে টাকা পেয়েছে সবটাই জানায় সৃজনকে। পর্ণা ভেবেছিল সৃজন হয়তো আবার তাকে ভুল বুঝবে কিন্তু তেমন কিছুই হয়নি। পরপর ঘটে চলা ঘটনা গুলো চোখ খুলে দিয়েছে সৃজনের। সে বলে, “অনুভাবের কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতার ঋণ বেড়েই চলেছে। ও না থাকলে আমরা আবার বিপদে পড়তাম। আমি এর জন্য কখনোই তোমাকে ভুল বুঝবো না।” সৃজনের এই পরিবর্তন মুগ্ধ করে পর্ণা তথা ভক্তদের।

এরপর, সকাল হতেই দত্ত বাড়িতে লেগে যায় ঝামেলা। জেঠু আবার দোকান ফিরে পাওয়ার জন্য পাগলামি করতে থাকে। তার হয় দোকান চাই নয়তো এই বাড়ির ভাগ চাই। এই নিয়েই মৌমিতা পর্ণাকে কথা শোনাতে এলে উল্টে সৃজন অনেকগুলো কথা শুনিয়ে দেয় যার ফলে অয়নের সঙ্গে একটা ঝামেলা লেগে যায় তার। এসব শুনে আর নিজেকে শান্ত রাখতে পারে না ঠাম্মি। তিনি উকিল ডাকতে বলেন কারণ এই বাড়ি তিনটি সমানভাগে ভাগ করে দেবেন তিনি।

এই বলে সামনে নিজের ঘরে চলে যায় আর তার পিছন পিছন যায় পর্ণা। সেটা আমি কে কথা দেয়, যা হচ্ছে এসব ঠিক করে দেবে সে। ঠাম্মিও পর্ণাকে আঘাত বিশ্বাস করেন। এরপর তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় পর্ণা আর তার পিছন পিছন যায় সৃজন। তখনই তাদের দুজনের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় সৃজনের এক বন্ধুর। যে কিছুদিন আগেই তার ঘুরতে যাওয়ার কাহিনী শোনাতে থাকে তাদের। এসব শুনে পর্ণার মাথায় বাড়ি বাঁচানোর একটা বুদ্ধি চলে আসে। এরপর সিজনকে নিয়ে তাড়াতাড়ি সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে পর্ণা।

Back to top button