“আপনাদের দোকানে সৃজনকে একটু বসতে দেবেন জেঠু?” কোন উপায় না পেয়ে অখিলেশ এর কাছে হাত পাতলো পর্ণা!

মানুষের সব থেকে বড় বন্ধুর মতনই সব থেকে বড় শত্রুও তার নিজের মস্তিষ্ক। খারাপ সময়ে রাস টেনে না ধরতে পারলে সেই একাধিক চিন্তায় জর্জরিত মস্তিষ্ক মানুষকে দিয়ে এমন কিছু করিয়ে ফেলতে পারে যা জীবন ভর আফসোসের কারণ হয়ে উঠতে পারে। জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়ক সৃজনের এখন হয়েছে ঠিক সেই অবস্থা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নিজের দোষে আজ সর্বস্ব হারিয়েছে সৃজন। পর্ণার দেওয়া পরামর্শকে অগ্রাহ্য করে বোকার মতন এমন কিছু ভুল সে করে বসেছে যার দরুন তার সমস্ত ব্যবসা লাটে উঠেছে। এখন সে সম্পূর্ণ বেকার। এখনো কৃষ্ণা পর্ণাকেই সব কিছুর জন্য দায়ী করছে, তবে প্রত্যেকে বুঝতে পারছে যে আজ এমন দিনটা দেখতে হতো না যদি না সৃজন সেদিন পর্ণার কথা শুনতো।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৃজনকে খাবার দিতে এলে পর্ণার উপর চিৎকার করে ওঠে সে। কারণ তার মাথায় এটাই চলছিল যে, সবাই নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত কেবলমাত্র সে একাই বেকার। বেকারত্বের জন্য হীনমন্যতায় ভুগছে সৃজন। সবাই চারিদিকে খোঁজখবর করছে এবং চেষ্টা করে চলেছে কিভাবে সৃজনের একটা চাকরি বাকটা যে কোন কাজ জোটানো যায়। কিন্তু চাকরি বললেই তো আর হয়ে যায় না। একটু তো সময় লাগে। সে সময়টা সৃজন কিছুতেই দিতে পারছে না। একটু একটু করে ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছে সে।

সৃজন এর মা কৃষ্ণা নিজের অজান্তেই সৃজনকে আরো বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সে পর্ণাকে দোষারোপ করতে করতে বলতে থাকে, “আমি এবার কিভাবে সবাইকে মুখ দেখাবো? পাড়ার সবাই বলবে সৃজন বেকার। সবাই আমাকে বলবে আমার ছেলে বেকার।” পর্ণা তখন কৃষ্ণাকে বলে এই কথাগুলো যেন সে বাইরে গিয়ে আরো জোরে জোরে বলে যাতে পাড়ার সবাই জানতে পেরে যায়। কৃষ্ণ বুঝতে পারে সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে। ছেলের পাশে না থেকে তার হীনমন্যতায় বাড়িয়ে তুলছে সে।

আরো পড়ুন: পর্ণা যেন একাই একশো! নায়িকা সর্বস্ব ধারাবাহিক, পার্শ্ব চরিত্র কথা বাদ দিলে নায়কও মূল্যহীন! তোপ নেটিজেনদের

অফিস থেকে ফিরে পর্ণা বুঝতে পারে সৃজন বসে থাকতে থাকতে আরও বেশি ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছে, তাই কোন উপায় না পেয়ে শেষমেশ জেঠুর দ্বারস্থ হয় পর্ণা। সে জেঠুকে বলে যদি তার দোকানে একটুখানি জন্য সৃজনকে বসানো যেত তাহলে ওর মনটা একটু অন্যদিকে ঘুরতো। ওকে একটু শান্ত করা যেত। দুপুরের সময়টা তো দোকান বন্ধ থাকে, ও না হয় ঐটুকু সময় বসবে, যতদিন না সৃজন কোন কাজ পাচ্ছে। ততদিন অন্তত যেনো এটুকু দয়া করেন তিনি। এসব শোনা মাত্রই চিৎকার চেঁচামেচি করতে শুরু করে দেয় অয়ন। কিন্তু জেঠু এতে সম্মতি জানায়।

Back to top button