অর্ণবের পেট থেকে আসল সত্যিটা বার করলো পর্ণা! কোথায় বাড়ি থেকে পালানোর পরিকল্পনা করে ফেললো বর্ষা!

পরিবার পাশে না থাকলে বিশেষ করে মা মনের কথা না বুঝলে একটি মেয়ের যে চরম পরিণতি হতে পারে ঠিক সেটাই হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়ক সৃজনের বোন বর্ষার সাথে। বর্ষাকে তার স্বামী অর্ণব নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়। এখন তাকেই খুঁজে বেড়াচ্ছে সৃজন আর পর্ণা। টিআরপি তালিকায় বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিকের নাম।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজন মিলে বর্ষার খোঁজ করা শুরু করে। তদন্ত করে তারা জানতে পারে বর্ষার নিখোঁজ হওয়ার পিছনে আর কেউ নয় বরং রয়েছে তার নিজের স্বামী অর্ণব এবং শাশুড়ি মা নবনীতা। এটা জানার পর থেকেই তাদের ওপর আরো বেশি রেগে যায় দত্ত পরিবার। সৃজনের মা কৃষ্ণা কিছুতেই নিজেকে ক্ষমা করতে পারে না। কারণ আজ যা ঘটেছে তার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী হচ্ছে সে নিজে।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৯ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 19 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কৃষ্ণা নিজের মেয়ের এই পরিণতি দেখে সব সত্যি সবার সামনে স্বীকার করে। সে বলে, “আমি আমার মেয়েটাকে মেরে ফেললাম। আমি জানতাম ওরা বর্ষার উপর অত্যাচার করে। বর্ষা আমায় এসে অনেকবার বলেছিল। ওর হাতে গায়ে মারের দাগ দেখিয়েছিল। কিন্তু আমি ওকে সব কিছু মানিয়ে নিয়ে থেকে যেতে বলেছিলাম। সব আমার দোষ।” কৃষ্ণার কথা শুনে প্রচন্ড রেগে যায় অমিতেশ অর্থাৎ সৃজনের বাবা। কৃষ্ণার এই নির্মম কাজ কিছুতেই মেনে নিতে পারে না।

অর্ণবের পেট থেকে আসল সত্যিটা বার করলো পর্ণা

পর্ণা তার জোগ্গু দাদার কাছে গিয়ে তাকে ফুল দিয়ে একটা পরীক্ষা করে আর সেখানেই জানতে পারে বর্ষা বেঁচে আছে। এরপর তারা চলে যায় অর্ণবের বাড়ি। সৃজন অর্ণবকে অনেক মারধর করে। কিন্তু তার পেট থেকে একটাও কথা বের করতে পারে না। শেষ পর্যন্ত পর্ণা আর সৃজন ঠিক করে তারা এখানে সময় নষ্ট না করে চলে যাবে থানায়। সেখানে গিয়ে সব কিছু খুলে বলবে। তাদের কাছে যা প্রমাণ আছে সেই সবটাই তারা দেখাবে। আর যতAA তাড়াতাড়ি সম্ভব বর্ষার খোঁজ অর্ণবের পেট থেকে বের করবে।

আরও পড়ুন: তিলক সুন্দরীই তিলক থাপা! রহস্যের সমাধান করে ফেললো জগদ্ধাত্রী! সত্যিটা জানতে পেরে চমকে গেলো কাকলি!

এদিকে দেখা যায় বর্ষা কিছুতেই মুখে রং মাখতে চায় না। কিন্তু রোজী তাকে বোঝায়, তার নিজের লোক তার পিঠে ছুরি মেরেছে। তার যাওয়ার আর কোন জায়গা নেই। এখন তার চরিত্রে দাগ লেগে গেছে। তাই এখন থেকে এই জায়গাটাকেই তার বাড়ি বানিয়ে নিতে হবে। এখানে কেউ নিজের ইচ্ছায় আসতে চায়নি কিন্তু আসতে হয়েছে। বর্ষা বলে, সবাই তাদের পরিণতি মেনে নিতে পারলেও সে কিছুতেই এসব মানতে পারবে না। এটা কখনোই তার পৃথিবী হতে পারে না। সে এইখান থেকে বেরোবেই।

 

Back to top button