শিমুলের গায়ে হাত তুলল পরাগ, এই অপমানের জবাব দিতে পরাগের স্কুলে গিয়ে হাজির হলো শিমুল

বর্তমানে দাঁড়িয়ে জি বাংলায় (Zee Bangla) যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে বাস্তববাদী একটি ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। সম্পূর্ণ সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে তৈরি হয়েছে এই ধারাবাহিকের প্লট। সমাজের ঘৃন্য বাস্তব রূপটাকে তুলে ধরছে কার কাছে কোই মনের কথা।
এ দিনের পর্বে দেখা যায় বাড়ি ফিরতে দেরি করায় শিমুলকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে তার শ্বশুরবাড়িতে। পলাশ তার হবু স্ত্রী প্রতীক্ষার কাছ থেকে জানতে পারে শিমুলের প্রাক্তন অর্থাৎ শতদ্রুর বিষয়। আর এটা জানার পরেই মাথায় রক্ত চড়ে যায় পরাগের। সে আর শিমুলকে সহ্য করতে পারে না।
এরপর বাড়ি ফিরে শিমুল। শিমুলকে দেখে সবাই মিলে ঘিরে ধরে তাকে। কোথায় গিয়েছিল সে? কেন এত দেরি হল? কাউকে কেন কিছু বলে যায়নি? ইত্যাদি এমন একাধিক প্রশ্ন ঘিরে ধরল তাকে। পরাগ সোজাসুজি শিমুলকে প্রশ্ন করল এই শতদ্রু কে? এই সব কিছু দেখে বেশ অবাক হয়ে যায় শিমুল। কিন্তু সে কাউকেই বলতে পারে না যে শাশুড়ি মায়ের ঘুরতে যাওয়ার জন্য টাকার বন্দোবস্ত করতে গেছিল শিমুল।
এরপর দেখা যায় শিমুলকে ঘরে টানতে টানতে নিয়ে আসছে পরাগ। সে শিমুলকে বলে “এবার আর মুখ নয় এবার আমার হাত চলবে।” শিমুল পরাগকে ভদ্রভাবে কথা বলতে বললে শিমুলকে ঠাটিয়ে এক চড় মারে পরাগ। এরপর ভীষণ রেগে যায় শিমুল। ক্রমাগত পরাগ শিমুলের চরিত্রে কালি সেটা তে থাকে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় শিমুলের।
শিমুল পরাগকে বলে, “তুমি যেটা করেছো সেটাকে ডমেস্টিক ভায়োলেন্স বলে। এইবার আমি আর চুপ করে থাকবো না আমি এটার শেষ দেখে ছাড়বো। আমি চিৎকার করে সবাইকে বলবো।” পরাগ শিমুলকে জিজ্ঞাসা করে শতদ্রু নামের কি সত্যি করে কেউ ছিল? শিমুল বলে যদি সেটা থেকে থাকে তাহলেও বিয়ের আগে ছিল এখন তারা দুজনেই দুজনার লাইফে সেটেল। আবারো শিমুলের ওপর চিৎকার করতে থাকে পরাগ।
তখন শিমুল বলে, “বিয়ের আগে আমি জানতাম না আমার সঙ্গে একটা জানোয়ারের বিয়ে হবে যে শুধু আমাকে ভোগ করার জন্য ব্যবহার করবে আর সকাল হলেই টাকার হিসেব করবে।” এইসব শুনে আরো রেগে যায় পরাগ। এই ঝামেলা কি তবে বিচ্ছেদ ঘটাবে শিমুল আর পরাগের? কি মনে হয় দর্শকদের?
এই ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, অপবানের বদলা নিতে সোজা পরাগের স্কুলে গিয়ে হাজির হয়েছে শিমুল। সেখানে গিয়ে হেড স্যারের সঙ্গে দেখা করেছে সে। এরপর সেখানে ডেকে পাঠানো হয় পরাগকে। পরাগ আসতেই শিমুলকে দেখে অবাক হয়ে যায়। এরপর শিমুল সমস্ত সত্যি কথা সেখানে বলে দেয়। সে বলে, “যার হাতে আপনি বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ তুলে দিয়েছেন সে বাড়ি ফিরে রাতে স্ত্রী এর উপর অত্যাচার করে তার গায়ে হাত তোলে।” এসব শুনে রীতিমতো ভয় পেয়ে যায় পরাগ। তবে কি এবার চাকরি চলে যাবে পরাগের?
View this post on Instagram

