মেয়েদের স্বনির্ভর হওয়া দরকার না হলে তার সম্মান থাকে না! পরাগকে উচিত শিক্ষা দিয়ে শিমুলকে স্বনির্ভর হওয়ায় বার্তা স্যারের

এই মুহূর্তে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে। এই ধারাবাহিকটি প্রধানত নারী কেন্দ্রিক এবং প্রকৃত পক্ষে বাস্তবিক।

শতদ্রু বাড়িতে আসায় শিমুলের শশুর বাড়িতে চলতে থাকে তোলপাড়। পরাগ আর পলাশ শিমুলের সাথে যে দূরব্যবহার শুরু করে তা তাদের ছোটো মানসিকতার পরিচয় দেয়। জীবনে এত অপমানিত হতে হবে এবং নিজের প্রাক্তন প্রেমিকের সামনে বর্তমান স্বামীর হাতে মার খেতে হবে কল্পনাও করেনি শিমুল।

তীর্থ থেকে ফিরে বাড়ি আসার পর থেকেই মায়ের কানে শিমুলের নামে একাধিক নোংরা নোংরা কথা তুলতে থাকে পরাগ ও পলাশ। সেই সব শুনে শিমুলকে খারাপ চরিত্রের মেয়ের তকমা দিয়ে দেয় তার শাশুড়ি। তার ওপর পরাগ আর পলাশকে আগের দিন খেতে না দেওয়ার জন্যও একাধিক কথা শুনতে হয় তাকে। পরাগ একবারের জন্য স্বীকার করে না যে সে দিদির কথা চিন্তা না করেই রান্নাঘরে তালা দিয়ে বেমালুম পাড়া চড়তে বেরিয়ে গিয়েছিল।

শিমুলের গায়ে হাত তোলায় শিমুল পরাগের স্কুলে গিয়ে তার হেড স্যারের কাছে নালিশ ঠুকে এসেছিল। এইবার সেই প্রতিশোধ নিতেই শিমুলকে হেড স্যারের চোখে নিচে নামাতে সরাসরি হেড স্যারকে নিজের বাড়িতে ডাকে পরাগ।

আদতে লাভের লাভ কিছুই হলো না। হেড স্যার এসে সব শুনে শিমুলের পক্ষ নিয়েই কথা বললেন। যখন সে জানতে পারলো তার ওপর নোংরা অভিযোগ আনা হচ্ছে তখন ভীষণ রেগে যান পরাগের হেড স্যার। এমন পারিবারিক বিষয়ে তাকে যেন না জড়ানো হয় এমনটাই নির্দেশ দিয়ে শিমুলকে আশীর্বাদ করে চলে যান তিনি।

Back to top button