অনির্বাণের কানে বিষ ঢাললো নিলু, রাইয়ের উপর বিশ্বাস হারালো সে! কলেজ ছাড়তে বাধ্য হলো স্রোত!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বহাল তবিয়তে সম্প্রচারিত হচ্ছে মিঠিঝোড়া (MithiJhora)। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের জন্য শুরুতে তেমন প্রভাব ফেলতে না পারলেও যত দিন যাচ্ছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই মেগা। টিআরপি তালিকাতেও স্লট জিততে দেখা যাচ্ছে এই ধারাবাহিকটিকে। এই ধারাবাহিকে প্রধান নায়িকা রাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই আবার অনির্বাণের অফিসে কাজ শুরু করেছে। সৌর্য নিলুকে তাড়িয়ে দেওয়ায় সে এখন নিজের দিদির ঘাড়ে এসে জুটেছে। তার মধ্যে বিন্দু মাত্র অপরাধ বোধ নেই। উল্টে সে প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রাইকে অপদস্ত করার। এইবার সে এমন একটা কাজ করলো যা রাইয়ের মান সম্মান সব কিছু নষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ৭ জুন (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 7 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইয়ের খবরাখবর জানার জন্য বউমনিকে ডেকে তার সাথে গল্প গুজব করা শুরু করে নিলু। কিন্তু তার মুখ থেকে তেমন কিছুই বের করতে পারে না। তাই সে ঠিক করে সোজা অনির্বাণকে ফোন করবে এবং তাকেই যা বলার বলবে। রাই আর স্রোত রান্নাঘরে কথা বলছিল আর এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েই নিলু রাইয়ের ফোন থেকে অনির্বাণের নম্বরটা নিজের ফোনে নিয়ে নেয়। এই কাজটা করতে গিয়ে স্রোতের কাছে ধরা পড়ে গেলেও তার বিশেষ যায় আসে না কারণ সে তার কাজ ঠিক হাসিল করে ফেলেছে।

অনির্বাণের কানে বিষ ঢাললো নিলু

এরপর যখন ঘরে কেউ থাকে না সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েই নিলাঞ্জনা ফোন করে অনির্বাণকে। সে অনির্বাণ বলে, “দিদি বলেছে আপনারা নাকি সম্পর্কে রয়েছেন। সেই নিয়ে বানিয়ে বানিয়ে আরো অনেক কথাই বলেছে দিদি। আমি আপনাকে ফোন করছি সাবধান করার জন্য। কারণ দিদি আমার জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছে তাই আমি চাই না আর কারোর জীবন ও নষ্ট করতে পারুক। সৌর্যর সাথে বিয়ে হয়ে গেছিল আমার তারপরও আমার সংসারটাকে তছনছ করে দিয়েছে। তাই আপনার ভালোর জন্য বলছি। সময় থাকতে সাবধান হয়ে যান।” ফোনটা রাখার পর নিলুর দেখানো রাইয়ের এই খারাপ দিকটা দেখে অবাক হয়ে যায় অনির্বাণ।

আরো পড়ুন: ভোটে জেতার পরই সিদ্ধান্ত বদল! দিদি নম্বর ওয়ান ছাড়ছেন রচনা ব্যানার্জি? জানুন সত্যিটা

কলেজ ছাড়ছে স্রোত

স্রোতের সাথে সার্থক যে ব্যবহারটা করে তার জন্য মন থেকে খুব কষ্ট পায় উজ্জ্বল সেনগুপ্ত অর্থাৎ সার্থকের বাবা। তিনি সার্থককে বলেন, তারে রাগ আর জেদ এসব কিছু তার মধ্যে থাকা সমস্ত অনুভূতিগুলোকে মেরে ফেলেছে। তাই জন্য আজ একজন অভুক্ত মানুষকে এইভাবে বাড়ি থেকে চলে যেতে হল। এদিকে স্রোত রাইয়ের সাথে সমস্ত ঘটনাটাই ভাগ করে নেয়। রাই খুব ভালো করে বুঝতে পারে স্রোতের খুব কষ্ট হচ্ছে। স্রোত কাঁদতে কাঁদতে রাইকে বলে এই সেমিস্টারটা শেষ হলেই সে কলেজটা বদলে ফেলবে। কারণ এমন পরিবেশে এমন একটা মানুষকে সারাদিন দেখার পর সে আর মন দিয়ে শান্তিতে পড়াশোনা করতে পারবে না।

Back to top button