ডাক্তারের কাছে যেতেই ধরা পড়ে গেল নিলু! স্রোতের কথা শুনে নিজের ভুল বুঝতে পারলো রাইয়ের মা!

সারাজীবন একটা বিষয় নিয়ে কেউ কখনো ক্রমাগত মিথ্যে বলে যেতে পারে না। একদিন না একদিন তার সেই মিথ্যে ধরা পড়বেই। আর এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই এর বন নিলু এমন একটা বিষয় নিয়ে মিথ্যে বলছে, যেটা একবার ধরা পড়লে তার কপালে অশেষ দুর্গতি আছে। যত দিন যাচ্ছে দর্শকদের কাছে ততই আরো বেশি করে পছন্দের হয়ে উঠছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, একটা চাকরি পেয়ে নিজের পরিবারের হাল ধরেছে রাই। পরিবারের ভরসা হয়ে উঠেছে সে। অন্যদিকে শ্বশুরবাড়িতে মা হতে চলার মিথ্যে নাটক চালিয়ে যাচ্ছে নিলু। আর সার্থকের অপমানে কলেজ ছেড়ে দিতে চাইছে স্রোত। সে তার দিদিকে বলে, সে আর ওই কলেজে যেতে চায় না। বোনের অবস্থা দেখে চিন্তায় পড়ে যায় রাই।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইকে সবকিছু বিস্তারিতভাবে জানায় স্রোত। রাইও বুঝতে পারে, যে মেয়ে কখনো কলেজ কামাই করে না সে যখন কলেজ না গিয়ে বাড়িতে বসে আছে তখন নিশ্চই গুরুতর কিছু হয়েছে। রাই স্রোতকে বলে অন্য কলেজে এই মুহূর্তে ভর্তি হওয়া যায় কিনা খোঁজ খবর নিতে। সে নিজে স্রোতের কলেজে গিয়ে প্রিন্সিপালের সাথে দেখা করে টিসি নেওয়ার বেবস্থা করবে। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে তাদের বৌদি আর জিজ্ঞেস করে স্রোত কি কলেজ যাবে না? রাইয়েরও তো অফিস আছে।

এরপর সেখানে আসে রাই এর মা আর এসেই রাইকে কথা শোনানো শুরু করে। এই ব্যস্ততার মধ্যে তাকে শাক কাটতে বলে। সে একবারও বোঝার চেষ্টা করে না যে রাই এর অফিস আছে। প্রতিনিয়ত রাইকে অপমান করতে থাকলে স্রোত বলে, সে চায় দিদি যেনো এই বাড়িতে না থাকে। চাকরি তো করছেই, এবার যেনো পিজিতে চলে যায়। এই বাড়ির জন্য করেও মরবে আবার কোথাও শুনবে তাতো হতে পারে না। রাই তখন তার মাকে বলে, “আজ তোমার কাছে খুব প্রিয় হয়েছে নিলু। কিন্তু যদি আমি সেদিন বিয়েটা করে নিতাম তখন তুমি কি করতে মা? আমি নিজের কথা বলি না তাই হয়তো ভাবো আমার কোনো অবদান নেই। দয়া করে আর নিজেকে ছোট কোরো না।”

এদিকে শ্বশুরবাড়িতে নিলুর প্রতি যত্ন বেড়ে গিয়েছে তার স্বামী শাশুড়ী প্রত্যেকের। সৌর্য নিলুকে বলে, “আর এভাবে ফেলে রাখলে চলবে না, ইতিমধ্যেই দুই দিন কেটে গেছে, এইবার ডাক্তার দেখিয়ে নেওয়া ভালো।” কথাটা শুনেই ভয় পেয়ে যায় নিলু। সে বলে, সবে তো সে জানতে পেরেছে। আর কয়েকটা দিন পর সে যাবে ডাক্তারের কাছে। কিন্তু সৌর্য সে কথা শুনতে নারাজ। নিলু মনে মনে বলে, “আমি তো বাবার নার্সগিরি করার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আর সৌর্যর মন পেতে এসব বলেছি। এখন ডাক্তার দেখালেই তো সব ধরা পড়ে যাবে।” তখনই সেখানে চলে আসে সৌর্যর মা আর সেই বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তার দেখিয়ে নিয়ে তার কথা মতন চলা উচিত।

Back to top button