রাগে, অবিশ্বাসে অন্ধ হয়ে গেলো অনির্বাণ! রাই কি পারবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে?

লোভ, স্বার্থপরতা প্রতিহিংসা পরানতা এতটাই খারাপ জিনিস, যে সেগুলো মানুষকে একেবারে বদলে দেয়। তখন মানুষ নিজের আপনজনদেরও ক্ষতি করে দিতে পারে। বর্তমানে ঠিক সেটাই করছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন নীলাঞ্জনা। এই মুহূর্তে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মিঠিঝোড়া। যতদিন যাচ্ছে আরও বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন নীলাঞ্জনা একেবারেই চায়নি যে তার দিদির একটা ভালো ঘরে বিয়ে হোক। কারণ সে নিজের সংসারটা টিকিয়ে রাখতে পারেনি। নিজের লোভ এবং স্বার্থর জন্য নিজের সংসার থেকে বিতাড়িত হয়েছে। তাই দিদি ভালো থাকুক সেটা সে মোটেই মেনে নিতে পারেনি। আর তাই জন্যই বিয়েতে ব্যাঘাত ঘটিয়েছিল। যদিও বিয়েটা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়। সেই জন্য ফুলশয্যার রাতে আসল খেলা দেখালো নিলু।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১৫ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 15 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শুরুতে সবটা ভীষণ ভালো ছিল। রাই আর অনির্বাণ একে অপরের কাছে নিজের মনের অনেক গোপন কথা খুলে বলছিল। একটা সুন্দর স্নিগ্ধতায় ভরপুর জীবনের দিকে এগিয়ে চলছিল তারা। এমন সময় অনির্বাণের বোন এসে তাদেরকে দুই গ্লাস দুধ দিয়ে যায়। কতক্ষণে রাই নিজের পরনের শাড়িটা বদলে অন্য শাড়ি পরে ঘরে চলে আসে। এরপর আবার কথাবার্তা বলতে থাকে তারা।
রাগে অন্ধ হয়ে গেলো অনির্বাণ
এমন সময় অনির্বাণ বলে, এই উপহারটা তাকে রাইয়ের কোন এক বন্ধু দিয়ে গিয়েছে। রাইয়ের তেমন কোন ছেলে বন্ধু নেই তাই সে বুঝে উঠতে পারে না এটা কে দিয়েছে। বাক্সটা খুলতেই সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে রাই আর শৌর্যের কিছু একান্ত মুহূর্তের ছবি। এগুলো দেখে ভীষণ রেগে যায় অনির্বাণ। সে রাইকে মিথ্যাবাদী ঠকবাজ বলে দোষারোপ করে। রাই কিছুতেই বোঝাতে পারেনা যে এই সব কিছু মিথ্যে। রাই যাই বলুক না কেন তাতেই অনির্বাণ আরো বেশি করে রেগে যায়। কোনভাবেই রাইকে বিশ্বাস করতে চায় না সে।
আরো পড়ুন: শালিনীর মৃত্যুকে হাতিয়ার করে রোহিতের চরম সর্বনাশ করলো রুদ্র!
সবকিছুর মূলে রয়েছে নিলু
অন্যদিকে দেখা যায়, যে ছেলেটি অনির্বাণের হাতে উপহারটা তুলে দিয়ে এসেছিল সেই ছেলেটা চলে আসে নিলুর সাথে দেখা করতে। সে নীলাঞ্জনাকে বলে, কাজটা হয়ে গেছে। নীলাঞ্জনা শুনে খুব খুশি হয়। এই কাজের পরিবর্তে সে ছেলেটার হাতে দুটো সোনার বালা ধরিয়ে দেয়। এরপর নীলাঞ্জনা ঘরে এসে চুপ করে শুয়ে পড়ে। সে মনে মনে ভাবতে থাকে, রাই আর অনির্বাণের নতুন সংসারে সে একটা ছোট টাইম বোম বেঁধে দিয়ে এসেছে। এবার আর কোনোভাবেই তারা সুখে শান্তিতে থাকতে পারবে না

