নিলুর ব্যাবহারের যোগ্য জবাব দিলো বৌদি, সার্থকের গোপন রহস্য জেনে গেলো স্রোত!

যে ধারাবাহিক গুলিতে নায়িকা চরিত্রটি প্রতিবাদী হয় সে ধারাবাহিক গুলিকে বেশ পছন্দ করেন দর্শক মহল। আর ঠিক এইরকমই একটি ধারাবাহিক হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora)। মানুষের অপমান সহ্য করে মুখ বুঝে পড়ে থাকতে শেখেনি এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তার প্রতিবাদী সত্তা প্রতি নিয়ত মন জয় করে নিচ্ছে ভক্তদের। তবে এই দিনের পর্বে রাইয়ের বৌদিও নজর কাড়লো দর্শক মহলের।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই প্রানপনে একটা চাকরি খুঁজছে। এই চাকরিটা পেয়ে গেলে আর নিজের বোনের শ্বশুরবাড়ির গোলামী তাকে করতে হবে না। সে নিজের পরিবারকে দেখাশোনা করতে পারবে। সে সবসময় নিজের পরিবারের সুখ শান্তির কথাই ভেবে এসেছে। তাই বাবা মারা যাওয়ার পর সেই স্বার্থপরের মতন বিয়ে করে চলে যেতে পারেনি। উল্টে পরিবারের এতগুলো মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নিলু হঠাৎ করেই চলে এসেছে তার বাপের বাড়িতে। এসেই সে রাইয়ের নামে একগাদা কথা বলতে থাকে। সে বলে, তার পক্ষে তার শশুর মশাইয়ের দিনরাত সেবা করা সম্ভব হচ্ছে না। আর সেটা নাকি তার দিদির ডিউটি ছিল কিন্তু তার দিদি সেই ডিউটি পালন না করে চলে এসেছে। তার জন্য এখন তার স্বামী তার দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না আর এই সব কিছুর জন্য দায়ী হচ্ছে রাই। এসব শুনে রাইয়ের বৌদি বলে, “এই পরিবারেও তো অনেকের শরীর খারাপ হয়েছে আমি সেবাও করেছি। কই আমি তো কখনো এভাবে ভাবিনি।”

সে আরো বলে, “রাই তোমাদের বাড়িতে যেতে চায়নি, তোমরাই নিয়ে গিয়েছিলে। আর তারপর তাকে অপমান করেছো। ওর মান সম্মান বোধ রয়েছে তাই ওই বাড়ি থেকে চলে এসেছে। আর তুমি যখন জানো তোমার স্বামী তার বাবা-মাকে খুব ভালোবাসে তাহলে তোমার উচিত তোমার স্বামীর ভালবাসাকে সম্মান করার। তুমি সেটা না করে রাইকে দোষারোপ করছো। শোনো, কিভাবে ধরে রাখতে হয় সেটা নিজেকেই জানতে হয়। নিজের দিদির ওপর চিৎকার করে কিছু করা যায় না।” এরপর সেখানে চলে আসে রাই। তার মা বলে নিলুর জন্য দুটো গরম পরোটা ভেজে দিতে। যেহেতু বাড়িতে বেশি জিনিসপত্র নেই তাই শুধুমাত্র যেন নিলুর জন্যই পরোটা বানানো হয়। তখন রাইয়ের বৌদি বলে, “ওটুকু মনে হয় আপনি করে নেবেন। আমি পারবো না। আমার এক ননদ যে ভালো খায় ভালো পরে তার জন্য আমি ডালদায় ভাজা পরোটা বানাবো আর এক ননদ যে এই পরিবারের জন্য সারাদিন ভেবে চলেছে দৌড়াদৌড়ি করে চলেছে তার জন্য কিছু বানাবো না এটা আমি করতে পারব না।” এমন সময় রাইকে ফোন করে অনির্বাণ। তাকে জানানো হয় এই চাকরিটা হয়ে গিয়েছে।

আরো পড়ুন: ‘আমিতো ভাবতেই পারছি না তুই আমার ধর্ষণ করবি…’, শুটিং করতে গিয়ে টোটার ভয়ে দৌড়েছিলেন জোজো

অন্যদিকে সার্থক প্রতিনিয়ত স্রোতকে অপমান করতে থাকে। শুধুমাত্র সার্থকের খোঁজ নিতে তার বাড়িতে এসেছিল। প্রতে যখন সার্থকের সামনে তার বাবার প্রশংসা করে তখন সার্থক প্রচন্ড রেগে যায়। স্রোত বুঝতে পারে যে সার্থকের সাথে তার বাবার সম্পর্ক ভালো নয়। তাই জন্য ছেলে নিজের বাবার প্রশংসা সহ্য করতে পারছে না। স্রোত তার স্যারের বাড়ি থেকে চলে আসার আগে তাকে বলে, “আপনি সুস্থ নন স্যার। আপনি একটা ভালো ডাক্তার দেখান আর কাউন্সিলিং করান। আপনার সেটা ভীষণ প্রয়োজন।”

Back to top button