‘কোন গোপনে ছিল এক্সপেরিমেন্ট, আর পরিণীতা তার ফাইনাল রেজাল্ট!’ একই ভুল দ্বিতীয়বার না করায় খুশি দর্শক!

বিনোদন জগতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বাংলার মেগা ধারাবাহিক (Mega Serial)। দৈনন্দিন জীবনে বিনোদনের জন্য এই ধারাবাহিক গুলির জুড়ি মেলা ভার। তাইতো সন্ধ্যে হলেই বাড়ির মা কাকিমারা টেলিভিশনের সামনে বসে পড়েন তাদের প্রিয় ধারাবাহিক (Tv Serial) গুলি দেখার জন্য। বর্তমানে দিনে দিনে ধারাবাহিকের সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন জনপ্রিয় চ্যানেলে একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক দেখানো হয়ে থাকে।
বর্তমানে প্রতি মাসেই নতুন নতুন ধারাবাহিক শুরু হয় বিভিন্ন চ্যানেলে। আর বর্তমানে ধারাবাহিক গুলি পুরোটাই টিআরপি নির্ভর। টিআরপি রেটিং এর উপরে নির্ভর করে থাকে ধারাবাহিক গুলির টিকে থাকা। কোন ধারাবাহিক তিন মাস চলে তো কোন ধারাবাহিক তিন বছর। পুরোটাই দর্শকদের উপর এবং টিআরপি রেটিং এর উপর নির্ভরশীল।
সেরকমই জি বাংলার দুই জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো পরিণীতা ও কোন গোপনে মন ভেসেছে। পরিণীতা ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে মাত্র কয়েকমাস আগে। আর অন্যদিকে কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিকটি ১ বছর হতে চললো। কিন্তু কিছু কিছু ধারাবাহিক নিজেদের গল্পের জন্য দর্শকদের ক্ষোভ ট্রোলের মুখে পড়ে। যেমন এই দুটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলা প্রোডাকশন হাউসের ধারাবাহিক। কিন্তু কোন গোপনে মন ভেসেছে ধারাবাহিকের গল্প এতটাই দর্শকদের বিরক্ত করে তুলেছে যে দর্শক এই ধারাবাহিক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার রীতিমতো সমালোচনা করেন প্রতিদিন।
এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন নেটিজেন নিজের বক্তব্য ফুটিয়ে তুলেছে দুটি ধারাবাহিকের প্রতি। তিনি লিখেছেন, ‘যে ভুল রাইটার কোন গোপনে মন ভেসেছে করেছিলেন, তার পুনরাবৃত্তি করেন নি পরিণীতায়! সে কারণেই অনিকেত অহনার লিভ ইন ট্র্যাকের মত রায়ান শিরিনের লিভ ইন ট্র্যাক দীর্ঘায়িত হয় নি! অহনাকে চিনতে অনিকেতের যতটা সময় লেগেছিল তার থেকে অনেক কম সময়ে রায়ান শিরিনকে চিনে নিয়েছে! শিরিন, তূর্যর মত তৃতীয় ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও তারা অহনা, অনন্যা, চন্দ্রাশিসের মত ফেভি কুইকে চিপকে থাকেনি দুজনের মধ্যে! সে কারণেই নো ডিভোর্স, নো আন ওয়ান্টেড ম্যারেজ! অথচ অনিকেত শ্যামলীর মত রায়ান পারুলের বিয়েটাও ফোর্স ম্যারেজ ছিল কিন্তু রায়ানের পারুলের কাছে লাভ কনফেস করতে লাগলো ৭ মাস আর অনিকেতের লেগেছিল ১৫ মাস!’
আরও পড়ুনঃ দুর্গার বুদ্ধিতে বাজিমাত উৎসব! শয়তান খুড়োর ঠিকানা পেয়ে গেল দুর্গা!
‘যদিও তার বহু আগে থেকেই অডিয়েন্স জানতো সে কথা! অনিকেতও জানতো কিন্তু তাতে লাভ কিছু হয়নি! অনিকেতের কনফেশনের পর সেপারেশন, তারপর শ্যামলীর ভুল বিয়ের ঝক্কি সামলে আলটিমেটলি দুজনের বিয়ে! ততদিনে বরযাত্রী, কনেযাত্রী মন্ডপ ছেড়ে হাওয়া! দর্শকের কথা বলছিলাম আর কি! তাই আজ শ্যামনিকেতের মিল হলেও তা দেখার জন্য কতজন অবশিষ্ট আছে জানা নেই! এক্ষেত্রে বলতে পারি হয়তো পরিণীতাতে পারুলের প্রার্থনা বাবা ভুবনেশ্বর আর রাইটার শুনবেন। এক সপ্তাহ পর রায়ানের মত বদল হবে না! ভুল বোঝাবুঝি হয়ে অনিকেত শ্যামলীর মত দূরে সরে যাবে না! এসব দেখেশুনে যা মনে হচ্ছে সেটা হল কোন গোপনে মন ভেসে যায় ছিল একটা এক্সপেরিমেন্ট আর পরিণীতা তার ফাইনাল রেজাল্ট!’

