চুরি গেল মা দুগ্গার গলার হার! পর্ণার কাঁ’টা জালে অয়ন-মৌমিতা! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় দর্শকদের একটি অত্যন্ত পছন্দের ধারাবাহিক হলো ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phuler Modhu)। ধারাবাহিকটি প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। টিআরপি তালিকায় দুবছর পরেও দারুণ ফলাফল করছে। সেখানে নতুন বেশকিছু ধারাবাহিক শুরু হওয়ার ৩-৪ বাদেই শেষ হয়ে গেছে সেখানে নিম ফুলের মধু এখনো টিকে রয়েছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ইশার বুদ্ধিতেই মৌমিতা এবং অয়ন রাতের বেলায় এসে মা দুর্গার গলা থেকে ৪ কোটি দামের হিরে নেকলেস সরিয়ে দেয়। আর এই কাজে তাদের সাহায্য করে পর্নাদের বাড়িতে পাহারা দেওয়া সেই পুলিশ অফিসার। তাই সাহায্যেই মৌমিতা অয়ন কাজটা সহজে করতে পেরেছে। কিন্তু মৌমিতার অসাবধানতায় পর্ণা সৃজনের ঘুম ভেঙে যায়। কিন্তু অয়ন মৌমিতা একটুর জন্য বেঁচে যায়। কিন্তু পর্ণা এসে দেখে বাড়িতে পেছনের গেটে বা সামনের গেটে কোথাও কোনো পুলিশ পাহারায় নেই যা দেখে বেশ সন্দেহ হয় পর্ণার মনে।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৮ অক্টোবর (Neem Phuler Modhu Today episode 18 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে মৌমিতারা রাতের অন্ধকারে চু’রি করে পালাতে না পারলেও পরের দিন সকালবেলা দত্ত বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। ঠিক সেই সময় তাদের দেখে ফেলে সৃজনের জেঠি। কিন্তু অনেক বার ডাকা সত্ত্বেও মৌমিতা বা অয়নকেও সাড়া দেয় না, চুপচাপ সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। এদিকে কলা বউ স্নান করিয়ে নিয়ে আসার পর পুজোর শুরু হওয়া ঠিক আগেই গয়নার কোম্পানির লোকেরা তাদের গয়না ঠিকঠাক আছে কিনা সেটা দেখতে আসে। আর তখনই হয় বিপত্তি।

কোম্পানির লোকেরা দূর থেকে গয়না দেখেই বুঝতে পারে যে ঠাকুরের গলায় যে হারটি পড়ানো রয়েছে সেটা নকল। কিন্তু পর্ণা বারবার বলে সেটা কি করে সম্ভব তারা যে হারটি মাকে পড়িয়ে গিয়েছিলেন সেটাই রয়েছে, তাদের নিশ্চই কোথাও ভুল হচ্ছে। এরপরে জোর করেই মায়ের গলা থেকে সেই হার খুলে নিয়ে প্রান্তিক বাবু প্রমাণ করে দেন যে হারটি মায়ের গলায় পড়ানো রয়েছে সেটি আসল নয় নকল।
পর্ণা তো এই কথাটা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিল না। কারণ কেউই মায়ের গয়নায় হাত দেয়নি। তাহলে কিভাবে গয়না বদল হয়ে গেল সেটাই বুঝতে পারছে না। আর এদিকে কোম্পানির লোকেরা তো দত্ত বাড়ির সবাইকেই স’ন্দেহ করতে থাকে। তাদের দিক থেকেও তারা একেবারেই ঠিক। কারণ এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যে থেকে বাইরের লোক এসে কিভাবে বা হার চুরি করে নিয়ে যাবে। আসল প্ল্যান সম্পর্কে তো কারোরই কোন ধারণা নেই। এই কোম্পানির লোক দত্ত বাড়ির সদস্যদের সন্দেহ করতে থাকে। এদিকে পর্ণা বারবার কোম্পানির সবাইকে বোঝাতে থাকে যে তাদের বাড়ির কেউ এই কাজ করতে পারে না। কিন্তু কোম্পানির লোক কোন কথাই শোনে না। তারা জানায় যেহেতু পর্ণা কন্ট্রাক পেপারে সই করেছে এবং সাক্ষী হিসেবে সৃজন এবং সৃজনের ঠাম্মি সই করেছে তাই এই তিনজনকেই এর দায় নিতে হবে পুলিশ এসে এই তিনজনকে অ্যা’রেস্ট করবে।
আরও পড়ুন: শ্যামলীর কাছাকাছি মন্দার! রেগে বো’ম রোহিণী-অনিকেত! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
এরপরই ডাকা হয় লোকাল থানার পুলিশ অফিসার কে। যে কিনা পর্ণার অতি পরিচিত। তিনি এসে সমস্ত ঘটনা শুনে প্রান্তিক বাবুকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে পর্ণা এই ধরনের মানুষ নয় বা দত্ত বাড়ির কেউ এ ধরনের কাজ করার মানসিকতা রাখে না। কিন্তু কোম্পানির একটা নিজস্ব দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই না চাইতেও পর্ণাদের গ্রে’ফতার করতেই হবে। কিন্তু প্রান্তিক বাবু পর্ণাকে ঠিকই চিনতে পারে। পর্ণা যেহেতু একজন নামী সাংবাদিক তাই জন্য পর্ণাকে সুযোগ দেয় দশমী পর্যন্ত হার খুঁজে দেওয়ার জন্য। কারণ যদি দশমীর মধ্যে ওই হার কোম্পানিকে ফেরত দিতে না পারে তাহলে তাদেরও চাকরি যাবে। পর্ণা সবার সামনে তাদের কথা দেয় দশমীর মধ্যে যে করেই হোক সেই হার পর্ণা ফিরিয়ে দেবে তাদের।

