চু’রি করার আগেই ধরা পড়ল চো’র! একেবারে হাতেনাতে ধরা পড়ল ইশারাণী! জমে ক্ষীর আজকের পর্ব

একান্নবর্তী পরিবারের গল্প নিয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় এবং দর্শকদের একটি অত্যন্ত পছন্দের ধারাবাহিক হলো ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phuler Modhu)। দু বছর ধরে পর্ণা সৃজনের জুটি যেভাবে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে আর পর্ণা তার পরিবারকে একের পর এক বিপদ থেকে উদ্ধার করছে সেটা দেখতে দর্শকের বেশি ভালই লাগে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে কিভাবে ইশা আবার পর্ণার ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। বর্তমানে দত্ত বাড়িতে দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। মা দুর্গার গলায় যে চার কোটির হার পড়ানো হয়েছে সেই হার সরানোর জন্য মতলব করছে ইশা। আর এতে পর্ণা এবং গোটা দত্তবাড়ি কে বিপদে ফেলা যাবে। এত কান্ডের পরেও শিক্ষা হয়নি অয়ন মৌমিতার। এর পরেও ইশার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে পরিবারের ক্ষতি করার জন্য। তবে ইশা যে পর্ণাদের ক্ষতি করার জন্য তাদের উপরে নজর রাখছে সে কথা জানতেও পারছে না কেউ।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৬ অক্টোবর (Neem Phuler Modhu Today episode 16 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে বাড়িতে সমস্ত নিয়মকানুন পালন করে অবশেষে দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে দত্ত বাড়িতে। মায়ের হাতে অস্ত্র দান থেকে শুরু করে সমস্ত কাজকর্ম করছে বাড়ির সবাই মিলে। এরই মাঝে ছদ্মবেশে আসে ইশা। ইশা এসে চারিদিকে ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে থাকে। কিভাবে ওই হার সরানো যায় সেই প্ল্যান করতে থাকে। কোথায় কি সিকিউরিটির ব্যবস্থা রয়েছে, কোথায় সিসিটিভি ক্যামেরায় রয়েছে সমস্ত কিছু ভালোমতো লক্ষ্য করতে থাকে। এরপর সুযোগ বুঝে বেরিয়ে আসে দত্ত বাড়ি থেকে।
পর্ণার ক্ষতি করার জন্য ইশার নতুন প্ল্যান
এদিকে দত্ত বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার সময় পুলিশ অফিসারের মুখোমুখি হয় ইশা। ইশাকে দেখেই চিনতে পারে ওই পুলিশ অফিসার। এই অফিসার দত্ত বাড়িতে পুজোর কয়েকদিন পাহারায় থাকবে। পুলিশ অফিসার স্বাভাবিকভাবেই ইশাকে জিজ্ঞাসা করে দত্ত বাড়িতে লুকিয়ে কেন এসেছিল ইশা। এরপর কি বলবে ইশা বুঝতে না পেরে ওই পুলিশ অফিসারকে হাত করার চেষ্টা করে। পুলিশ অফিসারকে সাইডে ডেকে নিয়ে গিয়ে ইশা হাত করে তাকে।
আরও পড়ুন: রুদ্রর বি’নাশে হাত মেলাল ফুলকি মাধবী! দেবী বিসর্জনের আগেই হবে রুদ্র ব’ধ পালা
এরপর বাড়ি ফিরে গিয়ে মৌমিতা এবং অয়নকে সমস্ত প্ল্যান খুলে বলে ইশা। কিভাবে দত্ত বাড়িতে ঢুকে সে সমস্ত কিছু দেখে এসেছে। কি সিকিউরিটি ব্যবস্থা রয়েছে, ওই বাড়িতে পুলিশ অফিসারকে কিভাবে সে হাত করে রেখেছে সমস্ত কিছু বলে। এরপর ইশা অয়ন মৌমিতাকে বলে তাদেরই দত্ত বাড়ি থেকে ঠাকুরের গলা থেকে ওই হার খুলে আনতে হবে। ইশার প্ল্যান শুনে প্রথমে একটু ঘাবড়ে যায় দুজনে। কিন্তু ইশা জানায় পুলিশ অফিসারকে ইশা সমস্ত প্ল্যান বলে এসেছে ওই পুলিশ অফিসার অয়ন মৌমিতাকে সাহায্য করবে দত্ত বাড়ির ভিতর ঢুকতে বেরোতে। তাই তাদের কোনো অসুবিধায় হবে না। সেখান থেকে হার নিয়ে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা করে দেবে ওই অফিসার। প্রথমে ভয় পেলেও ইশার ইন্ধনে পড়ে এই কাজ করতে রাজি হয়ে যায় দুজনে। এবারে দেখার অপেক্ষা অয়ন মৌমিতা কি পর্ণার নজর এড়িয়ে দত্ত বাড়ির ক্ষতি করতে পারে কিনা।

