লজ্জায় ঘৃণায় নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বর্ষা! উকিল খুঁজতে গিয়ে নতুন বিপদের সম্মুখীন হল পর্ণা!

এক অনেক বড় বিপদ ঘনিয়ে এলো জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার জীবনে। একদিকে ভুল মানুষের সাথে সাত পাকে বাঁধা পরল ননদ বর্ষা। অন্যদিকে মন ভাঙলো পিকলুর। আর সব থেকে বড় বিষয় হলো মিথ্যে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হল সৃজনের বাবা। চারিদিক দিয়ে সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে পর্ণা(Parna)।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা বুঝতে পেরেছিল পিকলুর কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু সে মুখ ফুটে কিছু না বলায় পর্ণা বাধ্য হয়েছিল কৃষ্ণার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে। পরে যখন সে জানতে পারে পিকলু কেন এমনটা করেছে ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। তাও সবাই শান্তি পেত যদি বর্ষা ভালো থাকতো। কিন্তু সেও এমন এক ছেলের পাল্লায় পড়েছে যার কাছে তার মায়ের কথাই সব। তার জীবনে আলাদা করে বর্ষার কোন গুরুত্ব নেই। তাই এমন একটা বিপদের দিনে বর্ষার হাত ছেড়ে চলে যেতে পেরেছে সে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্বশুর মশাইকে পুলিশে নিয়ে যাচ্ছে দেখে বর্ষাকে আর বাড়ি নিয়ে যেতে চায় না অর্ণব। এটা দেখেই কৃষ্ণার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। সে মা হয়ে জামাই এর পায় অবধি পড়তে যায়। কিন্তু তাকে আটকায় পর্ণা। সে বলে জগগু দাদা সব ঠিক করে দেবে। এরপর পর্ণা অর্নবকে বলে, দুই দিনের মধ্যে সে তার বাবাকে সসম্মানে ফিরিয়ে আনবে। তারপর অর্ণবের মাকে নিজে এসে বর্ষাকে নিয়ে যেতে হবে।

এরপর সেখান থেকে চলে যায় অর্ণব। তাকে তার বোন আর মাসি আটকানোর চেষ্টা করে কিন্তু সে বলে, তার কাছে তার মায়ের কথাই সব। এরপর বর্ষা মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে যায়। তাকে এসে ধরে পিকলু। সবাই তার মুখে জল ছেটায়। এরপর সবাই বর্ষাকে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। ইতিমধ্যেই যা যা ঘটেছে সব কিছুর দোষ পর্ণার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় কৃষ্ণা। পর্ণা অবশ্য তাতে বিশেষ কর্ণপাত করে না। সে বর্ষা আর পিকলুকে কিছুটা সামলিয়ে চলে যায় থানায়। অমিতেস নিজের মেয়ের অবস্থার কথা জানতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। এরপর তারা চলে যায় উকিলের কাছে।
আরো পড়ুন: ভাং-এর নেশা করিয়ে রুদ্রর পেট থেকে সব সত্যি বের করে দিল ফুলকি! সব জানতে পেরে প্রচন্ড রেগে গেল রোহিত।!
পরের দিনই কোর্টে তোলা হবে সৃজনের বাবাকে। ঠিক তার আগেই মন্ত্রী সুকুমারের লোকজন এসে নিখিলকে ভয় দেখিয়ে যায়, আর বলে সে যেন কোন মতে এই কেসটা না লড়ে। ভয় পেয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেয় নিখিল। পর্ণা আর সৃজন যখন জানতে পারে তাদের উকিল আর কেস লড়বে না তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে তাদের কাছে আর খুব বেশি সময় নেই। পর্ণা কি পারবে এই এত সল্প সময়ের মধ্যে নতুন উকিল জোগাড় করতে?

