অদ্ভুত শর্ত দিয়ে সার্থককে টাইট দিল তার বাবা! স্রোতকে কি এবার বাড়িতে আনবে সার্থক?

কথায় আছে সোজা আঙুলে ঘি উঠলে মাঝেমধ্যে আঙুলটা একটুখানি বাঁকাতে হয়। এইবার ঠিক সেটাই করতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম চরিত্র সার্থকের বাবা উজ্জ্বল সেনগুপ্ত। বহুদিন ধরেই সে চেষ্টা করছে স্রোতকে সার্থকের সাথে জুড়ে দেওয়ার। প্রতিদিন একটু একটু করে সেই দিকেই এগোচ্ছে সে। বর্তমানে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই অর্থাৎ নায়িকা আর নিজের পরিবারের সাথে থাকছে না। সে আলাদা থাকছে। পাশাপাশি অনির্বাণ বহুবার প্রায় প্রত্যেকদিন নানারকম ভাবে চেষ্টা করে চলেছে নায়িকাকে আবারও নিজের কাছে ফিরে পাওয়ার। কিন্তু রাই ফিরতে নারাজ। কোন উপায় না পেয়ে সোনার হার উপহার দিয়ে রাইয়ের মন পাওয়ার চেষ্টা করে অনির্বাণ। কিন্তু তার জানা ছিল না যে রাই লোভী নয়।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৭ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 7 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বাড়ি ফেরার পথে আবারো রাইয়ের মুখোমুখি হয় অনির্বাণ। রাই অনির্বাণকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, টাকা পয়সা দিয়ে আর যাই কেনা যাক না কেন, ভরসা বিশ্বাস এগুলো কোনভাবেই কেনা সম্ভব না। এই বলে উপহারটা ফেরত দিয়ে সেখান থেকে চলে যায় রাই। অনির্বাণ বুঝতে পারি না আর কি করলে রাই ফিরবে। সে তার বোনকে বলে, সে যেন রাইকে একটুখানি বোঝায়। শর্মী বলে, তার মতে রাইকে একটু সময় দেওয়া উচিত।
২৫ হাজার টাকা চাইলো নিলু
এদিকে দুম করে নির্লজ্জের মতন ২৫ হাজার টাকা চেয়ে বসে নীলাঞ্জনা। যেটা শুনে প্রচন্ড রেগে যায় নন্দিতা এবং বিক্রম। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সেই টাকা তারা দিতে পারবে না। কিন্তু নীলাঞ্জনা প্রত্যেকদিন বাড়িতে অশান্তি সৃষ্টি করে। একবার টাকা একবার খাবার প্রত্যেকদিন নানা রকম বিষয় নিয়ে বাড়িতে ঝামেলা তৈরি করে। আর থাকতে না পেরে তারা ডেকে পাঠায় শৌর্যকে। তারা স্পষ্ট জানাই ওই মেয়ের সঙ্গে একসাথে থাকা সম্ভব নয়। শৌর্য বলে, সে দুদিনের জন্য বাইরে যাচ্ছে তারপর ফিরে এসে একটা আইনি ব্যবস্থা নেবে।
আরো পড়ুন: ১৪ বছর লড়াই করেছেন ক্যান’সারে বিরুদ্ধে! আরো একবার লড়তে পারবেন কি চন্দন সেন?
সার্থককে টাইট দিল উজ্জ্বল সেনগুপ্ত
এদিকে সার্থকের বাবা বারবার সার্থককে বলে, সে যেন স্রোতকে একবার বাড়িতে ডাকে। সার্থক আরো বেশি খিটখিট করতে থাকে। কোন কথাই শুনতে চায় না। তখন সার্থকের বাবা বলে, “স্রোত যদি এই বাড়িতে না আসে তাহলে আমি কোন ওষুধ খাব না।” এই কথা শুনে এবার বিপাকে পড়ে যায় সার্থক। এখন আর স্রোতকে নিজের মুখে বাড়িতে ডাকা ছাড়া তার কাছে আর কোন উপায় খোলা থাকে না। সার্থককি নিজের একগুঁয়ে মনোভাবকে দূরে সরিয়ে রেখে ডাকতে পারবে স্রোতকে?

