পর্ণার বুদ্ধিতে অর্ণবের বাড়িতে চলে গেল পুলিশ, এদিকে পিকলুর সাথে পালিয়ে গেল বর্ষা!

বুদ্ধি থাকলে সব হয়। সব সময় অন্যায়কারীরা জিতে যেতে পারেনা। এটাই প্রমাণ করে দিল জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজনেই বলে বর্ষা যেহেতু কোন অপরাধ করেনি তাই তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজেই তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আসবে নবনীতা দেবী। আর এটা যদি না হয় তাহলে বর্ষা যাবে না। এই কথাটাই প্রচন্ড অহংকারে লেগে যায় বর্ষার শাশুড়ির। তাই একজন ভদ্রমহিলা হয়েও অভদ্রের মতন আচরণ করেন তিনি।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অমিতেস অর্থাৎ সৃজন এর বাবা, কৃষ্ণা এবং সৃজন তিনজন মিলে অনেকক্ষণ ধরে কথা বলার চেষ্টা করছে অর্ণবের মা অর্থাৎ বর্ষার শাশুড়ি মা নবনীতা দেবীর সঙ্গে। কিন্তু নবনীতা দেবী কিছুতেই দরজা খুলতে চাইছেন না। বর্ষা শশুর মশাই অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও তাকে চুপ করিয়ে দেয় নবনীতা। এরপর তাদের এক প্রতিবেশী তাদেরকে ফোন করে জানায় তাদের বাড়ির বাইরের কারা যেন ঝামেলা করছে। ব্যাপারটা হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে দরজা খুলতে বাধ্য হয় নবনীতা।

দরজা খুলেই সে জানিয়ে দেয় বর্ষাকে আর ফিরিয়ে নেবে না সে। যত খুশি ক্ষমা চেয়ে নিক না কেন কোন লাভ হবে না। এরপর তিনি অমিতেস বাবুকে বলেন, “একবার তো জেলে গিয়েছেন, আবার কি যেতে চান? যদি এক্ষুনি ফিরে না যান তাহলে আমি কিন্তু পুলিশ ডাকবো।” কথাটা শুনেই বুকে ব্যথা শুরু হয়ে যায় বর্ষার বাবার। এরপর সবাই মিলে বাড়ি ফিরে আসে তারা। কৃষ্ণা চুপ করে বসে থাকে। তার মেয়েকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন নেয়নি। এই যন্ত্রনা তাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খেতে থাকে।

পর্ণা আর সহ্য করতে পারে না এসব। সে সৃজনকে বলে, এমন একটা পরিকল্পনা করবে সে যাতে করে অর্ণবের মা নিজে এসে বর্ষার হাতে পায়ে ধরে তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। রুচিরার সাথে কথা বলতে বলতে রুচিরা বলে ওঠে, বিদেশে মেয়েরা কত সুযোগ সুবিধা পায় আর এখানে সব কিছুর জন্য মেয়েদেরকেই দোষারোপ করা হয়। বিদেশ কথাটা শুনে একটা বুদ্ধি আসে পর্ণার মাথায়। সে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যায় কাউকে কিছু না বলেই। অনেকক্ষণ হয়ে গেলেও পর্ণা ফেরে না। এবার চিন্তা হতে থাকে। অনেকক্ষণ পর ফিরে আসে পর্ণা। সে বলে, এমন একটা কাজ করে এসেছে সে যাতে নবনীতা দেবী হয় নিজে আসবে।

আরো পড়ুন: জ্যাসকে মারার প্ল্যানে জল ঢেলে আসল অপরাধীদের হাতেনাতে ধরে উচিত শিক্ষা দিল জগদ্ধাত্রী!

এদিকে অর্ণবের বাড়িতে ভেরিফিকেশনের জন্য চলে এসেছে পুলিশ। তিনি জানতে পেরেছেন অর্ণবের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। অর্ণবের স্ত্রী যেহেতু বাড়িতে অনুপস্থিত তাই তিনি ভেরিফিকেশন না করেই চলে যান। মাঝে অবশ্য নবনীতা দেবী ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেন তবে তাতে হিতে বিপরীত হয়। এই ঘটনায় বেশ মজা পায় অর্ণবের বাবা আর বোন। অর্ণবের বাবা বলে এবার বর্ষাকে ফিরিয়ে আনা ছাড়া আর কোন উপায় নেই নবনীতার কাছে। নবনীতা বলে, সে ভেবেছিল তার ছেলের আবার বিয়ে দেবে। কিন্তু পাড়ার নিশ্চয়ই কেউ কল কাটিয়ে মেরেছে, তার জন্য পুলিশ জানতে পেরেছে। এখন সেই বর্ষাতে ফিরিয়ে আনতেই হবে। এদিকে বর্ষা ঠাকুর ঘরে গিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। সে পিকলুর সাথেই থাকতে চায়। আর এটা বুঝতে পারে পিকলু। পর্ণা কি বর্ষা আর পিকলুকে মিলিয়ে দিতে পারবে?

Back to top button