বিয়ে করাই হল কাল! সেনগুপ্ত বাড়িতে মানসিক নি’র্যাতনের শিকার মিহি!

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো শুরু থেকেই দর্শকদের নজর কেড়েছে তার মধ্যে অন্যতম ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। ছোট্ট মিহিকে নিয়ে মধুবনীর লড়াই ভীষণ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। বর্তমানে ছোট্ট মিহির ভূমিকায় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকার (Radhika Karmakar)। পাশাপাশি ঋকের ভূমিকায় অভিনেতা সায়ন বসুর (Sayan Bose) অভিনয় এবং মধুবনীর ভূমিকায় অভিনেত্রী মোহনা মাইতি (Mohona Maiti) তাক লাগিয়েছেন দর্শকদের।

ধারাবাহিকের প্রথমে দেখা গেছে ছোট্ট মিহিকে নিয়ে সমাজের বিরুদ্ধে একাই লড়াই করেছে মধুবনী। তবে সেনগুপ্ত বাড়িতে বিয়ের হওয়ার পর থেকেই একের পর এক ঝামেলার শুরু হয় মধুবনীর জীবনে। সঙ্গে ছোট্ট মিহির ফুলের মতো জীবনেও আঁচড়ে পড়ে একের পর এক অযাচিত সমস্যা। ধারাবাহিকের ইতিমধ্যেই দেখা গেছে কমলিনীর কথা মধুবনীর জীবনে নতুন সমস্যা হয়ে এসেছে সৌভিক। আর সেই নিয়েই সমস্যা শুরু হয়েছে ঋক ও মধুবনীর মধ্যে।
কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ২৪ আগষ্ট (Ke Prothom Kache Esechi 24 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে কমলিনীর কথায় মধুবনীর সুখের সংসারে আগুন লাগাতে মধুবনীর শ্বশুরবাড়িতে তার পুরোনো জিনিসপত্র নিয়ে হাজির হয় মধুবনীর দিদি। মধুবনীর আনারকলি চুড়িদার ও ঘুঙুর দেখে মধুবনীকে নাচনেওয়ালির তকমা দেন ছোট কাকি এবং নানা কথা বলে অপমান করতে থাকে মধুবনীকে। তবে ছোট কাকির কথাকে গুরুত্ব না দিয়েই চলে যাচ্ছিল মধুবনী। কিন্তু তখনই মধুবনীকে থামিয়ে দেয় ঋক।
আরো পড়ুন: বসকে বিয়ে করছে পর্ণা! শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে টোপর পরে বিয়ে করতে ছুটলো সৃজন! জমে উঠলো ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো
ঋকও প্রশ্ন করতে শুরু করে মধুবনীকে। ঋকের ব্যবহারে ভীষণ খারাপ লাগে মধুবনীর। তবে বাবা মায়ের সম্পর্কে খারাপ কথা শুনে প্রতিবাদ করে মধুবনীর দিদি নিজেই। সঙ্গে সঙ্গে ঘরে চলে যায় মধুবনী। ঘরে গিয়ে ঋক মধুবনীকে জিজ্ঞাসা করে তার অতীতের ব্যাপারে। সঙ্গে এও বলে মধুবনীর অতীতের কারণে একদিন হয়ত মিহিকেই হারিয়ে ফেলবে মধুবনী। এদিকে মিহিকে আর মাসি বলে যায় মিহির সঙ্গে এরপর খারাপ ব্যবহার করবে তার মা, তারপর তাকে দিয়ে বাড়ির সব কাজ করবে।
সৌভিকের কথা শুনেই চমকে গেল ঋক
এদিকে সেনগুপ্ত বাড়িতে চলে আসে সৌভিক। যদিও সঠিক সময়ে তাকে দেখে নেয় ঋক। ঋকের কথা শুনে সৌভিক বুঝতে পারে ঋক মনে করছে মিহি তার মেয়ে। ঋকের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে নতুন খেয়াল শুরু করে সৌভিক। মিহির জন্য আদালতে দ্বারস্থ হওয়ার কথা বলে সৌভিক। যা শুনে চমকে যায় ঋক। অন্যদিকে দেখা যায় মাসির কথায় মাথায় গেঁথে যায় মিহির। ঘরে গিয়ে মাসির কথা বলতে গেলেও মিহির একটা কথাও শোনেনি মধুবনী। তারপরই দেখা যায় মিহিকে একা দেখে ফের মিহিকে জ্বালাতন করার চেষ্টা করে রুমি। কিন্তু রুমিকে চাবুকের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় মিহি।
মিহির ধমক দিয়ে দূরে সরিয়ে দিল মধুবনী
মিহির কথা শুনে মাকে ডেকে নিয়ে আসে রুমি। ছোট কাকিমা মিহিকে একে পেয়ে তার টেডিগুলোকে ফেলে দেয়। তার খেলনাদের পরিস্থিতি দেখে কেঁদে দে মিহি। কাঁদতে শুরু করে সে। এরপরই বেরিয়ে আসে মধুবনী। সকলে মিলে অপমান করতে শুরু করে মধুবনীকে। তাই বাধ্য হয়েই মিহিকে ধমক দিয়ে ঘরে পাঠিয়ে দেয় মধুবনী। যদিও পরক্ষণেই নিজের ভুল বুঝতে পারে সে। কিন্তু মধুবনীকে মিহির কাছে যেতে দেননি ঠাম্মি। তাহলে কি সংসার সামলাতে গিয়ে মেয়েকে হারাবে মধুবনী? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

