নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে ইস্তফা দিল রাই, তাকে ফিরিয়ে আনতে তাদের বাড়িতে হাজির হলো অনির্বাণ!

যারা অনেক টাকা-পয়সার অধিকারী, তাদের দিকে সহজে কেউ আঙুল তুলতে চায় না। কোন ব্যক্তি হোক বা পুলিশ, প্রথমে তার দিকেই প্রশ্নবান ছুড়ে দেয় যার বা যাদের অবস্থা অত্যন্ত সাধারন। কিন্তু এই ধারণা যে সম্পূর্ণ ভুল সেটা প্রমাণ করল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। সম্প্রতি বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক এর প্রতিটি পর্ব। সবার মন কেড়ে নিয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা আরাত্রিকা মাইতি অর্থাৎ রাই।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাইকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল তার অফিসের বস সুদীপ্ত। ট্যাক্স জমা করার টাকাটা নিজেই সরিয়ে রেখে সমস্ত দোষ নায়িকার ঘাড়ে চাপিয়ে তাকে জেলে পাঠানোর সমস্ত ব্যবস্থা করে ফেলেছিল সে। সুদীপ্ত ভেবেছিল অসহায় মানুষের সাথে যা খুশি করা যায়। কিন্তু তার জানা ছিল না রাইয়ের হাত ঠিক কতদূর লম্বা। এবার সেটাই প্রমাণ করে দিল রাই।

নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করলো রাই (Mithijhora Today Episode 9 May)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইকে দেখে স্রোত বুঝতে পারে তার কিছু একটা হয়েছে। তখন রাই সমস্ত কথা স্রোতকে খুলে বলে। স্রোত বলে, সব ঠিক হয়ে যাবে। যে অন্যায় করেনি সে শাস্তি পেতে পারে না। পরের দিন সকাল হতেই অফিসে চলে যায় রাই। প্রথমেই সে অনির্বাণকে একটা চিঠি দেয় আর বলে তার এখান থেকে চলে যাওয়ার পর যেন সে এই চিঠিটা পড়ে। কিন্তু অনির্বাণের কিছুই মাথায় ঢুকছিল না কারণ টাকাটা হাতে না পাওয়া অবধি তার শান্তি নেই। তখনই সেখানে চলে আসে পুলিশ। সুদীপ্ত পুলিশকে বলে রাইকে গ্রেফতার করার কথা। ঠিক তখনই চলে আসে রঞ্জনদা। লালবাজারের হেডকোয়ার্টার থেকে আসায় ওখানে উপস্থিত পুলিশ অফিসার তাদের স্যালুট জানায়। এরপর রঞ্জন দা সবাইকে সব সত্যিটা খুলে বলে।

অনির্বাণের অফিস ছেড়ে দিল রাই

রঞ্জন দা সেই কল রেকর্ডিংটা শুনিয়ে দেয় যেখানে সুদীপ্ত বলছে, সে অনির্বাণ সিংহকে শেষ করে দেবে। ওর ২৫ লক্ষ টাকা আর পাওয়া হবে না। সেটা ভোগ করবে সুদীপ্ত। হাতে নাতে সবটা প্রমাণ করে দেয় রাই। সুদীপ্তর এই কাজকর্ম দেখে প্রচন্ড রেগে যায় অনির্বাণ আর তারপর সুদীপ্তকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এদিকে অনির্বাণের কোন কথা না শুনেই নিজের সমস্ত জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে যায় রাই। নায়িকাকে দেখতে না পেয়ে অনির্বাণ তাড়াতাড়ি সেই চিঠিটা খুলে দেখে সেটা রাইয়ের ইস্তফা পত্র অর্থাৎ রাই রেজিগনেশন দিয়ে চলে গিয়েছে।

রাই এর বাড়িতে চলে এলো অনির্বাণ

পরের দিন সকাল হতেই রাই তাড়াতাড়ি রান্না বান্না করতে থাকে। এমন সময় তার বাড়ির কলিং বেলটা বেজে ওঠে। রাইয়ের মা দরজা খুলে দেখে অনির্বাণ এসেছে। অনির্বাণ নিজের পরিচয় দিতেই রাইয়ের মা এবং দাদা দুজন মিলে তাকে যা নয় তাই বলে অপমান করতে থাকে। এটা দেখতে পেয়ে রাইয়ের বৌদি তাড়াতাড়ি রাইকে এসে সবটা বলে। রাই বলে, উনি নিজের দায়িত্বে এসেছেন এখন অপমানিত হলে তার কিছু করার নেই। উনি যেমন এসেছেন তেমনই চলে যাবেন। বৌদি বুঝতে পারে রাই চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে।

Back to top button