মিঠিঝোরায় প্রেমের মরশুম! হাত ধরে স্রোতকে ‘ভালোবাসি’ বলল সার্থক! জমে ক্ষীর আজকের পর্ব!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের কথা উঠলেই যাদের কথা প্রথমেই বলতে হয় তারা হলো নায়িকা রাইয়ের বোন স্রোত এবং তার কলেজের স্যার সার্থক। এই মুহূর্তে এরা দুজনেই মাতিয়ে রেখেছে গোটা ধারাবাহিকটিকে। টিআরপি তালিকায় বর্তমানে বিশেষ একটা ভালো ফলাফল করতে না পারলেও দর্শকদের মন জুড়ে রাজত্ব চালাচ্ছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন আরাত্রিকা মাইতি এবং নায়ক চরিত্রে রয়েছেন সুমন দে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বহুদিন ধরেই স্রোত আর স্বার্থকের মধ্যে একটা সখ্যতা তৈরি করার চেষ্টা করে চলেছে সার্থকের বাবা অর্থাৎ স্রোতের আঙ্কেল। কিন্তু দুজনের মধ্যে কেউই নিজের মুখে কিছুই স্বীকার করবে না। তারা যে একে অপরকে এতটা ভালবাসি এতটা পছন্দ করে সেই সমস্ত কথা তারা নিজের মনেই চেপে রেখে দিয়েছে কেউ মুখ ফুটে প্রকাশ করছে না। সেই চেষ্টাটা অনেকবারই করেছে আঙ্কেল কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজে দেয়নি।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৩০ অক্টোবর (MithiJhora Today Episode 30 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সার্থক নিজের মনে স্রোতের কথাই ভাবতে থাকে। স্বয়নে স্বপনে সবেতেই কেবল স্রোত আর স্রোত। চোখ বন্ধ করলে স্রোতের মুখটাই তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে আবার চোখ খুললেও সে স্রোতকেই দেখতে পায়। কিন্তু যখনই সত্যি করে স্রোত সামনে চলে আসে তখন তার মধ্যে সমস্ত কিছু উলটপালট হয়ে যায় আর যেগুলো বলার থাকে সেগুলো কিছুই বলা হয়ে ওঠেনা। দুজনেই জানো অনন্তকালের জন্য অপেক্ষা করছে একে অপরের মুখ থেকে মনের কথা শোনার জন্য।
নিজের মনের কথা জানিয়ে দিল সার্থক
বিরক্ত হয়ে এদিক-ওদিক করতে করতে এসে দেখে ঘরে ঢুকে এসেছে স্রোত। সে সার্থককে জিজ্ঞাসা করে, সার্থক কি চায় না তাদের বিয়ে হোক? সার্থক কি স্রোতকে ভালোবাসে না? প্রথমে উত্তর দিতে না চাইলেও কিছুক্ষণ পরে সে স্রোতের হাত দুটো শক্ত করে ধরে এবং স্রোতকে বলে সে তাকে ভীষণ ভালোবাসে। তার মনের মধ্যে উথাল পাথাল হতে থাকে। সার্থক মুক্ত কণ্ঠে নিজের মনের কথাগুলো বলতে থাকে।
আরও পড়ুন: মা’র খেতে খেতে আধম’রা আঁখি! বোনের বি’পদে ঢাল হয়ে দাঁড়াল ঝিলিক!
কিছুক্ষণ পরে পিছন ঘুরে দেখে স্রোত সেখানে নেই। তাহলে কি কথার মাঝেই স্রোত সেখান থেকে চলে গেছে? না, সার্থক বুঝতে পারে এই সবটাই তার মনের ভাবনা। এই সব কিছু সে ভাবছে। অর্থাৎ সবটাই তার মনের কথা। কাউকে বলতে না পেরে নিজের মনের মধ্যেই ঘটছে। অন্যদিকে স্রোত খুব কান্নাকাটি করতে থাকে অন্ধকারে বসে বসে। মনে মনে ভাবতে থাকে, স্যার ডিভোর্সের কথাটা তাকে কিভাবে বলল? তাহলে কি সবটাই কেবল একতরফা?

