হুঁকোমুখোকে বিয়ে করতে রাজি স্রোত! রেগে বো’ম সার্থক! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্যায় সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (MithiJhora)। অনেকগুলো মাছ ধরে সম্প্রচারিত হচ্ছে এই ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই এবং নায়ক অনির্বাণ দর্শকদের অত্যন্ত প্রিয় দুটি চরিত্র হয়ে উঠেছে। এই ধারাবাহিককে তিনজন নায়ক এবং তিনজন নায়িকাকে দেখানো হয়েছে। প্রধান নায়িকার চরিত্রে রয়েছে অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বহুদিন ধরেই একটা সমস্যা স্রোত এবং সার্থক দুজনকেই বিব্রত করছিল। সার্থকের বাবা অর্থাৎ স্রোতের আঙ্কেল স্রোতকে দেখার পর থেকেই সব সময় ফিরে এসেছে স্রোতের সাথে যেন তার ছেলের বিয়ে হয়। কিন্তু দুজনের মধ্যে এত বেশি ঝগড়া ঝামেলা হয় যে তারা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলে বিষয়টা ঘটানোর পরিস্থিতিতে কোনদিনও আসতে পারে বলে একেবারেই ভাবতে পারেনি আঙ্কেল।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৮ অক্টোবর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 28 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, আঙ্কেল স্রোত এবং সার্থক দুজনকেই ১০ দিনের সময় দেয়। দশ দিনের মধ্যে তাদেরকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং আঙ্কেলকে জানাতে হবে এমনটাই বলে সার্থকের বাবা। এই দশ দিন তারা একে অপরের সঙ্গে দেখা করে, হাত মেলায় প্ল্যান করার জন্য। তারা দুজনেই মনে মনে দুজনকে চায় কিন্তু মুখে কিছুই বলতে পারেনা।
শেষ পর্যন্ত স্রোত এবং সার্থক দুজন মিলে আঙ্কেলকে জানায়, তারা এই বিয়েটা করতে পারবে না। তাদের মধ্যে কোন বোঝাপড়া তৈরি হয়নি। তারা একে অপরকে কখনোই চায়নি এবং ভবিষ্যতেও চাইবে না। আঙ্কেলের মন ভেঙ্গে যায়। সার্থকের বাবা খাওয়া দাওয়া করা বন্ধ করে দেয়। যার ফলে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। আর সেখানে স্রোত তাকে দেখতে আসে।
আরও পড়ুন: অভিনয় থেকে প্রযোজনা সবেতেই সেরা! তার হাতেই তৈরি উত্তম কুমার! কেমন ছিল জনদরদী অভিনেতা তথা পরিচালক বিকাশ রায়ের শেষ জীবন?
বিয়ে করতে রাজি স্রোত
আঙ্কেলের এমন ছেলেমানুষি দেখে স্রোত কি বলবে কিছু বুঝে উঠতে পারে না। স্রোত রেগে রেগে বলে আঙ্কেল কি এর পরেও কথা শুনবে না? ঠিক করে খাওয়া দাওয়া করবে না? আঙ্কেলের কথাবার্তা শুনে স্রোত বুঝতে পারে সে কথা শোনার পাত্র নয়। স্রোত বলে সে যদি সত্যিই সার্থক স্যারকে বিয়ে করে তাহলে আঙ্কেল তার কথা শুনবে তো? কথাটা শুনে আঙ্কেল খুব খুশি হয়ে যায় কিন্তু রেগে যায় সার্থক। তাড়াতাড়ি স্রোতকে নিয়ে সে বাইরে চলে আসে। স্রোতও সার্থকের সাথে কিছু কথা বলতে চায়। তবে কি এভাবেই এক সুতোয় বাঁধা পড়বে দুজনের জীবন?

