ফের নিজের কু’ৎসিত রূপটা দেখিয়েই দিল নীলু! নতুন নাটক শুরু করল অনির্বাণের মা!

বর্তমানের জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা বেশ অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারাবাহিকের সব থেকে জনপ্রিয় এবং দর্শকদের প্রিয় চরিত্রটি হল নায়িকা রাইয়ের চরিত্র। নায়িকা হিসেবে এই ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। এছাড়াও এই ধারাবাহিকে নায়কের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে সুমন দেকে। যতদিন যাচ্ছে জমে উঠছে এই মেগা।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই সম্প্রতি তাদের অফিসে শ্রেষ্ঠ এমপ্লই অর্থাৎ কর্মচারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে এবং তার জন্য পুরস্কার পেয়েছে। অদ্ভুত বিষয় হল, এই পুরস্কারটা সে যার হাত থেকে নিয়েছে সে হল অনির্বাণ সেন। অনির্বাণকে দেখামাত্রই রাই সেখান থেকে চলে আসতে চেয়েছিল কিন্তু তার বউ মণি এবং স্রোত দুজন মিলে তাকে আটকায়। কারণ এতে রাইয়েরই মাথা নিচু হতো। পুরস্কার নিয়ে সে আর এক মুহূর্ত সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতে চায়নি।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৫ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 25 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণ রাইকে যাওয়ার আগে একবার আটকায়। সে রাইয়ের সঙ্গে কিছু কথা বলতে চায় আলাদা করে। কিন্তু রাই কোনভাবেই অনির্বাণের সাথে কোন কথা বলতে চায় না। বারবার বলার পরেও রাই স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার আলাদা করে কোন কথা বলার বা শোনার নেই। এরপর সে মিষ্টি আর স্রোতের সাথে চলে যায় সেখান থেকে। যাওয়ার আগে স্রোত অনির্বাণকে বলে যায়, সে কোনভাবেই আর তার দিদির জীবনে অনির্বাণের ছায়া পড়তে দেবে না।
নীলুর উদ্দেশ্য বুঝে গেল শৌর্য্য
এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে নীলু হালকা করে অনির্বাণের কানে বি’ষ ঢেলে দেয়। সে বলে, শৌর্য্য আজ তার সঙ্গে আবার সংসার করতে রাজি হয়েছে কারণ তার দিদিভাই শৌর্য্যকে বুঝিয়েছে। শৌর্য্য দিদি ভাইয়ের এক কথায় রাজি হয়ে গেছে। অন্যদিকে বাড়ি ফিরে সে শৌর্য্যকে বলে, বন্ধু হিসেবে শৌর্য্যর তার দিদিভাইকে বোঝানো উচিত, সে যাতে আবার করে সংসার শুরু করে। কিন্তু শৌর্য্য বলে সে রাইয়ের ভালো চায়। আর সেই জন্যই এই অনুরোধটা সে করতে পারবে না।
আরও পড়ুনঃ লাহিড়ী বাড়ির নিয়ম ভেঙে বিপদের মুখে আনন্দী! জমজমাট আজকের পর্ব
অনির্বাণকে মিস করছে রাই
মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে যায় রাইয়ের। সে অনেক কিছু ভাবতে ভাবতে ঘরের মধ্যে এদিক ওদিক করতে থাকে। রাই ভাবে, অনির্বাণ কি সত্যি করেই কোনদিনও বদলাবে! এর মাঝে ঘুম থেকে উঠে পড়ে স্রোত। সে বুঝতে পারে তার দিদি অনির্বাণ দাকে মিস করছে। রাই স্রোতকে সবটাই গুছিয়ে বলে। পরদিন সকাল হতে রাই যখন অফিসের সামনে এসে পৌঁছয় ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে অনির্বাণের মা সোহিনী। নানা রকম ভাবে রাইকে বোঝানোর চেষ্টা করে সে যেন আবার অনির্বাণকে মেনে নিয়ে তার কাছে ফিরে আসে কিন্তু রাই নিজের জেদে অনড়।

