সার্থকের চোখ স্রোতের দিকেই! বিয়ে আটকাতে বাবার ফাঁদে পা দিল সে! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

মানুষ যখন নিজের কাছের মানুষটাকে অনেক দূরে চলে যেতে দেখে তখন তারা আর চুপ করে বসে থাকতে পারে না। নিজের সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে সেই মানুষটাকে আটকানোর। যার ফলে নিজে তৈরি করা অনেক বাঁধন ছিড়ে অনেক দেওয়াল টপকে তারা একেবারে অন্য একটা মানুষ হয়ে ওঠে। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকেও ঠিক তেমনটাই বলে উঠল সার্থক। নায়িকা রাইয়ের ছোট বোন স্রোতের বিয়ে আটকাতে মরিয়া হয়ে উঠল সে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, সার্থক আর স্রোতের ঝামেলা দিন দিন বেড়েই চলেছে। কেউ কাউকে নিজেদের মনের কথাটা বলে উঠতে পারছে না। তাই সার্থকের বাবা স্রোতের বিয়ে দেওয়ার একটা নকল বন্দোবস্ত করে। এর মাধ্যমে সে নিজের ছেলের মনের মধ্যে থাকা কথাগুলোকে টেনে সবার সামনে বের করে আনতে চেয়েছিল। সেই চেষ্টায় অনেকখানি সফল হয়েছে স্রোতের আঙ্কেল। সার্থকের ব্যবহার অভাবনীয়ভাবে বদলে গিয়েছে।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১ অক্টোবর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 1 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই, মিষ্টি আর তো সবাই যখন আঙ্কেলের বাড়িতে চলে আসে তখন সার্থক বারবার সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিছুতেই সেই ঘরে থাকতে চায়না সার্থক। কারণ সে নিজের চোখে এভাবে নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে অন্য কারোর জন্য সেজেগুজে বসে থাকতে দেখতে পারবে না। সার্থক কি ভাবছে সেটা খুব ভালো করেই বুঝতে পারে সেখানে উপস্থিত প্রত্যেকে।
ঝোঁকের মাথায় একি বলল সার্থক
এরপর আঙ্কেল স্রোতকে একটা শাড়ি দেয়। সেটা পরে তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে চলে আসতে বলে স্রোতকে। স্রোত আর না করতে পারে না। সে চলে যায় শাড়িটা পরতে। শাড়িটা হাতে নিয়ে সে ভাবতে থাকে, যা যা ঘটে চলেছে তার কোন কিছুই পছন্দ হচ্ছে না। মনে হচ্ছে ছুটে এই ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে। কিন্তু আঙ্কেলের মান সম্মানের কথা ভেবে স্রোত সেটা করতে পারছে না। এদিকে নিজের মনের কথাগুলো স্যারকে গিয়ে বলতেও পারছে না। এমন সময় সে বুঝতে পারে দরজার বাইরে কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ইশার অ’ভিশাপ এবার পর্ণার কাছে আশীর্বাদ! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
দরজা খুলতেই দেখে সেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে সার্থক। সে স্রোতের হাত ধরে টেনে তাকে ঘরের মধ্যে নিয়ে আসে। সে স্রোত কে বোঝায়, তাকে দেখে যে কারোর পছন্দ হয়ে যাবে। তাকে অনেক সুন্দর লাগছে। সে যেন এভাবে সেজে সবার সামনে না যায়। সে যেন বিয়েটা না করে। স্রোত তার স্যারকে জিজ্ঞাসা করে, এই বিয়েতে তার আপত্তি কিসের? কিন্তু সার্থকদের কোন উত্তর দিতে পারেনা। ঘর থেকে চলে যায় আর নিচে আঙ্কেলের বন্ধু এবং তার ছেলের সামনে উপস্থিত হয়। সার্থক ভাবতে থাকে ঠিক কি কারণে তার এত খারাপ লাগছে।

