রাইয়ের জীবনে অনির্বাণ আর শৌর্য্যর জীবনের নীলু জলজ্যান্ত অ’ভিশাপ!

জি বাংলার ( Zee Bangla ) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো মিঠিঝোরা ( Mithijhora )। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে রাই হাসপাতালে ভর্তি আছে সে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে অন্যদিকে অনির্বাণ রাইকে নিয়ে নানান রকম উল্টোপাল্টা চিন্তা ভাবনা করছে। এরপর শৌর্য্যকে ফোন করে তাকে অপমান করতে থাকলে শৌর্য্য বলে দেয় রাই প্রেগন্যান্ট নয়, সে অসুস্থ! তখন অনির্বাণ নিজের ভুলটা বুঝতে পারে এবং ছুটতে ছুটতে হাসপাতালে আসে এসে সে রাইয়ের কী হয়েছে এটা জানতে চেষ্টা করে।

এরপর ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, শৌর্য্যের কাছে ক্ষমা চায় অনির্বাণ। সে যা কিছু করেছে তার জন্য ক্ষমা চায় , কিন্তু শৌর্য্য তাকে বলে অনির্বাণ যা কিছু করেছে তার জন্য তার ক্ষমা পাওয়া উচিত নয় এবং তার থেকেও বড় কথা অনির্বান রাইয়ের সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করেছে, তখন অনির্বান শৌর্য্যকে বলে তার মানে রাই তোকে বলে দিয়েছে আমি ওর সাথে কী কী করেছি? অর্থাৎ এক মুহূর্তের জন্য অনির্বান ভেবে নিল যে এই সমস্ত পার্সোনাল কথাগুলো রাই শৌর্য্যকে বলে দিয়েছে!

Aratrika Maiti

তারপর অনির্বাণ বারবার নিজের ব্যবহারটা জাস্টিফাই করতে থাকে অর্থাৎ এত বড় একটা অন্যায় করার পরেও তার মনে হয় যে সে কোন অন্যায় করেনি। সে যেটা করেছে সেই বিষয়টার পিছনে সে কারণ খুঁজতে থাকে। সে স্রোতকে বলে, আমি ভুল করেছি আমি মানছি কিন্তু তুমি একবার বোঝো, ঘটনাগুলো এমন ভাবে আমার চোখের সামনে এসেছে এমন ভাবে ক্রিয়েট হয়েছে যে এছাড়া আমার আর কি করার ছিল!

অর্থাৎ অনির্বাণ নিজে যে সন্দেহ করে তিলে তিলে একটা সম্পর্ককে শেষ করে দিয়েছে একটা মানুষকে ভেতর থেকে শেষ করে দিয়েছে এই ব্যাপারটা সে কিছুতেই ফিল করতে পারছে না। অন্যদিকে নিলু শৌর্য্যকে ফোন করে সে কোথায় আছে সেটা জানার জন্য। যখন শৌর্য্য বলে সে রাইয়ের কাছে আছে হাসপাতালে আছে, তখন তার দিদি কেমন আছে? এটা জিজ্ঞেস না করে নীলু সরাসরি শৌর্য্যকে প্রশ্ন করে তুমি কি করছ ওখানে?

আরও পড়ুন: অভিমন্যুকে কাঁচকলা দেখিয়ে কাছাকাছি এল সৃজন পর্না! নতুন চাল চলল ক্যাপ্টেন!

নীলুর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শৌর্য্য রীতিমত কথা শোনায় নীলুকে এবং তাকে বলে নীলুর উচিত তার দিদির খোঁজ নেওয়া। এই নীলু আর অনি এই দুটো চরিত্র দেখে মনে হয় এক মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। দুজনের মন সন্দেহ আর অবিশ্বাসে ভরা আর এই সন্দেহ আর অবিশ্বাস তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে রাই আর শৌর্য্যের জীবন। অনেকেই তাই বলছেন, রাইয়ের জীবনে অনির্বাণ আর শৌর্য্যর জীবনের নীলু জলজ্যান্ত অ’ভিশাপ!আজকের পর্ব তার জলজ্যান্ত প্রমাণ!

Back to top button