বাবার কথায় স্রোতকে বিয়ে করতে আদেও রাজি হবে সার্থক স্যার? আড্ডার ফাঁকে নিজের মুখে খোলসা করলেন মৈনাক

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। রাই, নীলু আর স্রোত-তিন বোনের গল্পকে কেন্দ্র করে এগিয়ে চলেছে ধারাবাহিকের গল্প। প্রথমে টিআরপিতে (Trp) ভাল ফল না করলেও, বর্তমানে টিআরপিতে ছক্কা হাঁকাচ্ছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে এই মুহূর্তে সম্পর্কের সমীকরণ গড়ে উঠছে স্রোত ও সার্থকের।
শুধু অনস্ক্রিনে নয়, বাস্তবেও প্রকৃত অর্থে সাপে-নেউলে স্রোত ও তার সার্থক স্যার। দিনভর নাকি একে অপরের লেগ পুলিং চলতে থাকে স্বপ্নীলা ও মৈনাকের মধ্যে। ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, স্রোতের কলেজের প্রফেসর সার্থক। বরাবরই তাদের মধ্যে বনে না। স্যারের জ্বালায় একবারতো স্রোতের কলেজ ছাড়ার উপক্রম অবধি হয়ে গিয়েছিল।
এই মুহূর্তে সেসব উপেক্ষা করে বর্তমানে স্রোতের জন্য ভাল লাগা এসেছে সার্থকের মনে। ভাল লাগা এলেই বা! নিজের অনুভূতির জিকর করেনি নিজের ভালোবাসার মানুষের কাছে। স্রোতও তাই আঁচ করতে পারেনি সার্থক স্যারের তার প্রতি দুর্বলতা তৈরি হচ্ছে।
রীল ও রিয়েলে ঠিক কতটা আলাদা সার্থক ও মৈনাক?
রীল ও রিয়েলে ঠিক কতটা পার্থক্য রয়েছে সার্থক ও মৈনাকের মধ্যে? উত্তরে স্বপ্নীলা বলেন,”সার্থক স্ক্রিপ্টে আমার সঙ্গে ঝগড়া করে, আর বাস্তবে মৈনাকদা আমার সঙ্গে। তার নজির দেখতে পাবে আমাদের সঙ্গে যে দুমিনিট থাকবে, সে নিজেও। তখন তারাই বলবে মৈনাক ও সার্থক কতটা এক। কোনও ফারাকও নেই!” আর পর্দায় স্রোতের সঙ্গে বাস্তবের কতটা মিল? মজা করে মৈনাক বলেন, ”স্রোতও বাজে বকে চলে, স্বপ্নীলাও তাই। ও খুব কথা বলতে ভালোবাসে। প্রথমদিন ওকে দেখে শান্ত মনে হয়েছিল। তবে এখন আর মনে হয় না। তারপর থেকেই যা শুরু করেছে…।”
আরও পড়ুন: ভাস্কর চোখে দেখতে পায়! সত্য উদঘাটন করলো জগদ্ধাত্রী! দেবুর আক্রমণ থেকে মেহেন্দিকে বাঁচালো কৌশিকী!
এক হবে স্রোত ও সার্থক? কী বলছেন স্বপ্নীলা ও মৈনাক?
এখন দর্শকদের মনে একটাই প্রশ্ন। সার্থকের স্যারের বাবা স্রোতের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তবে কী এক হবে স্রোত ও সার্থক? স্রোত ওরফে স্বপ্নীলা বলেন, ”হুঁকোমুখো হ্যাংলা কেন স্রোতকে বিয়ে করছে না সেইটা স্রোত নিজেও জানে না। ” সার্থক বেশে মৈনাকের মত, ”কারণ স্রোতকে বাবা পছন্দ করেছে। সার্থকের সঙ্গে তার বাবার সম্পর্ক ভাল নয়। সে মনে করে তার মা মারা যাওয়ার জন্য বাবা দায়ী। আর একজন প্রেমিকার থেকেও আঘাত রয়েছে তার। তাই সার্থকের সরে যাওয়া।”

