Mithai Today Episode: মিঠাইয়ে সুখের দিন শেষ! বাড়িতে মিললো লুকানো সোনার বিস্কুট! সোনা পাচারে ফেঁসে গেলো সিড-মিঠাই, হাতে পড়বে হাতকড়া

মিঠাই ধারাবাহিকের আজকের সিরিয়ালে আমরা দেখব কল ঠিক করার জন্য লোক বাড়িতে চলে আসে। দাদাই নিশ্চিত হওয়ার জন্য জেনে নেয় যে লোকটি সব কাজ ঠিকঠাক করতে পারবে কিনা। সে সমস্ত কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এবং বলে দেওয়াল ভাঙতে হবে।

মিঠাই এটা শুনে অবাক হয়ে যায় যে দেওয়াল কেন ভাঙতে হবে? সে পাল্টা এটা বলে যে অনেকভাবেই দেওয়াল ঠিক করা যায়। মিঠাই সঙ্গে সঙ্গে একটা আইডিয়া দেয় যেটা শুনে সিড অবাক হয়ে যায়। দাদাই খুব খুশি হয়ে যায় যে মিঠাই সব পারে। এরপরেই মিস্ত্রি কল ঠিক করতে যায়।

সিদ্ধার্থ বাইরে খাবার অর্ডার করতে চলে যায় উপরে। নিজের স্ত্রীকেও সে উপরে যেতে বলে আর সঙ্গে সঙ্গে মিঠাই বলে একটা মানুষ কাজ করছে আর আমি উপরে চলে যাব? উচ্ছে বাবু বলে হ্যাঁ উনার দরকার পড়লে উনি ডেকে নেবেন। সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে পড়ে মিস্ত্রির আসল চেহারা। সে বলে ফেলে এবার ম্যাডামের কাজ আমি করতে পারব। তারপরে চুপি চুপি সে নিজের কাজ করতে শুরু করে দেয়।

এদিকে মিঠাই আবার একটু পরে নিচে নেমে এসে দাদাইকে বলে তার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে। ঠিক সেই সময় মনোহরাতে আসে স্যান্ডি আর পিংকি। আর পিংকিকে দেখে মিঠাই আবার বলে ওঠে যে এবার আমরা গণেশ পুজো করবো। পিংকিরা তো ছোট থেকে করে আসছে এবার আমাদের বাড়িতেও হবে গণেশ পুজো। আর বলে পুজোয় লাড্ডু আর কদম দুটো মিষ্টিই থাকবে। এতে দাদাই খুব খুশি।

বাড়ির ভেতর এমন মজার কান্ড ঘটছে আর এদিকে বাড়ির বাইরে প্রমিলা লাহার পাঠানো গুন্ডারা ঘিরে ফেলে। পরের দিন খুব সকালে দরজায় বেলের আওয়াজ হলে সিদ্ধার্থ অবাক হয়ে যায় যে এত সকালে আবার কে আসতে পারে। দরজা খুলতেই দেখে বাইরে অপেক্ষা করছে পুলিশ কর্মীরা। সঙ্গে এসেছে রুদ্র। সে বলে তাদের কাছে কিছু খবর আছে যে কাল রাতে নাকি এই বাড়ির আশেপাশে কিছু অচেনা ব্যক্তিকে দেখা গেছে। এটা খুব সন্দেহজনক আর তাই পুলিশকর্মীরা গোটা বাড়ি তল্লাশি চালাবে। রুদ্র আবার এটাও বলে যে খবর পেয়েছে যে এই বাড়িতে নাকি বেআইনি কাজকর্ম চলছে। বাড়ির সবাই অবাক হয়ে যায়।

পুলিশ কর্মীরা তল্লাশি চালাতে চালাতে সেই বেসিনের কাছে গিয়ে পৌঁছায় এবং বলে এখানে দেওয়ালের রংটা চটা আছে। তাই এখানে এই তাকটা সরিয়ে তল্লাশি করতে হবে। বাক্স সরাতেই পুলিশকর্মী এবং বাড়ির সবাই চমকে ওঠে। কারণ সেখানে লুকানো রয়েছে প্রচুর সোনার বিস্কুট। মিঠাই তো ভগবানকে ডাকতে শুরু করে দেয়। রুদ্র পরিস্থিতি বুঝে হেড অফিসারকে ফোন করে কিছুদিন সময় নেয় ব্যাপারটা নিয়ে পুরো তদন্ত করার জন্য। সবাই সঙ্গে সঙ্গে বুঝে যায় যে এটা প্রমিলা লাহা ছাড়া আর কেউ করতে পারে না। এবার সবাই প্রমাণ খুঁজতে তৎপর হয়ে ওঠে।

