“তাদের মাঝখানে কোন তৃতীয় ব্যাক্তি এলে তার বারোটা বাজিয়ে ছেড়ে দেবে নি” তবে কি এবার শ্রী-রাতুলের পর নিপা-রুদ্রর এর মাঝে তৃতীয় ব্যাক্তি আসার পালা? আলোচলা দর্শক মহলে

জী বাংলার একটি এটি জনপ্রিয় সিরিয়াল হল মিঠাই। শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা বিশাল। টিআরপি তালিকায় ওঠানামা লেগে থাকলেও জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি মিঠাই সিরিয়ালের। মিঠাই চরিত্রটি মৃত দেখানোর পর থেকে অনুরাগীরা একটি ক্ষুন্ন হয়েছিলেন। তবে মিঠি এসে মিঠাইয়ের মতন করেই নিজের আলাদা জায়গা গড়ে নিয়েছে দর্শকের মনে। দর্শক কখনোই চাননি মিঠিকে মিঠাইয়ের জায়গায় দেখতে।

দর্শক মিঠিকেও বেশ পছন্দ করেন। তারা চেয়েছিলেন মিঠাইকে ফিরিয়ে আনা হোক গল্পে। নির্মাতারা দর্শকের ইচ্ছে কি প্রাধান্য দিয়েছেন এবং পুনরায় ফিরিয়ে এনেছেন মিঠাইকে। প্রিয় মিঠাইকে ফিরে পেয়ে যেমন মনোহরা আবার তার নিজের ঐতিহ্য ফিরে পেয়েছে। তেমনই দর্শকরাও তা দেখে বেশ খুশি হয়েছে।

বর্তমানে শ্রীতমাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা পায়েলকে শাস্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করা এবং রাতুলকে তার ভুল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া এসবই করতে দেখা যাচ্ছে মিঠাইকে। তার মাঝে আটকে রয়েছে তার স্মৃতি। যত দিন যাচ্ছে বিভিন্ন ঘটনা ও কার্যকলাপের মধ্যে দিয়ে একটু একটু করে তার স্মৃতি ফিরছে। এসব নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে মিঠাই। মিঠাইয়ের নিপা চরিত্রটি বেশ মিত্রতার সাথে মনে জায়গা করে নিচ্ছে দর্শকদের। তার কথাবার্তা চালচলন অভিনয় সবটাই তার দক্ষতার পরিচয় দেয়।

এই নিপা হলো ঐন্দ্রিলা সাহা। ইনি একজন ভারতীয় বাঙালি মডেল এবং টেলিভিশন অভিনেত্রী। তিনি মূলত বাংলা ভাষার টিভি ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। তিনি অনেক টিভি বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। করুণাময়ী রাণী রাসমণিতে কাজ করার পর তিনি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। আর মিঠাইয়ের তার খ্যাতি আরো একটু বেড়েছে বললে ভুল বলা হবে না।

রুদ্র কে নিয়ে বেশ পজেসিভ নিপা। আর তার প্রমাণ মিলল এই দিনের পর্বে তার কথাবার্তা থেকে। শ্রীতমার বিষয়টি ঘটে যাওয়ার পর মুখে কিছু না বললেও মনে মনে নিপা ও বেশ ভয় পেয়েছে বললেই চলে। তাই কথাপ্রসঙ্গে সে বলল যদি কোন তৃতীয় ব্যক্তি তাদের মাঝখানে আসার চেষ্টা করে তাহলে নিপা তাকে একদম উচিত শিক্ষা দেবে।

এক নিটিজেন নিপার প্রশংসা করে বলেছেন – ‘ আজ নিপার ডায়লগ শুনে আমি শিহরিত। রুদ্রর জীবনে যদি কোন তৃতীয় ব্যাক্তি আসে তাহলে নিপা কামড়ে চিমটে হেঁচড়ে ঐ তৃতীয় ব্যাক্তির বারোটা বাজিয়ে দেবে। কি ডেন্জারাস মেয়ে রে বাবা।অবশ্য সংসার বাঁচাতে প্রতিটা মেয়ের ই এরকম ডেঞ্জারাস হওয়া উচিত।’

Back to top button