আর কোনোভাবেই বাঁচানো গেল না ময়ূরীকে! মেঘের চিন্তা দেখে তাকে মীনাক্ষী জানিয়ে দিল ময়ূরীর কথা!

প্রথমে নিজের বোন তারপর নিজের মা বাবা কারোর চোখের জল এক মুহূর্তের জন্যও শুকোতে দেয়নি জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিকের খলনায়িকা ময়ূরী। ছোট থেকেই তার অসুস্থতা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত তার মা মধুমিতা এবং বাবা অনিন্দ্য। তার জন্যই সারা জীবনটা উৎসর্গ করে দিয়েছে মেঘ। তারপরেও তার মধ্যে থেকে বিদ্বেষ ঘোচাতে পারেনি কেউই। টিআরপিতে কখনোই সেভাবে ভালো ফল করতে না পারলেও দর্শকদের মনে পাকাপাকি একটি জায়গা তৈরি করে ফেলেছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, প্রচন্ড অসুস্থতায় হাসপাতালে ভর্তি নায়িকা মেঘ এবং খলনায়িকা ময়ূরী। ময়ূরীকে রক্ত দিতে গিয়ে মেঘের এই অবস্থা হয়েছে, আরে নিজের দোষেই নিজের অবস্থা খারাপ করেছে ময়ূরী। একই মা-বাবার দুই সন্তান মেঘ আর ময়ূরী। এরপরেও মেঘ শান্ত এবং সবাইকে ভালোবেসে চলতে পছন্দ করে অন্যদিকে ময়ূরী উৎশৃংখল এবং প্রতিহিংসা পরায়ণ। সে সর্বদাই তার বোনকে হিংসা করে এসেছে। যার মাশুল তাকে দিতে হচ্ছে বর্তমানে হাসপাতালের বেডে শুয়ে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ময়ূরীর চেকআপ করছে ডাক্তার। সবটা দেখে ডাক্তার অনিন্দ্য আর মধুমিতা কে জানায়, সে কোন রকম মিথ্যে আশা তাদের দিতে চায় না। ময়ূরীর অবস্থা খুবই খারাপ হয় তো আর কিছুক্ষণের সঙ্গী সে। এসব শুনে প্রচন্ড ভেঙে পড়ে মধুমিতা। সে বলে, “এত কষ্ট করে যাকে জন্ম দিয়েছি, মানুষ করে তুলেছি, জানিনা মানুষ হয়েছে কিনা তবে বড় করে তুলেছি তাকে আমার আগেই চোখের সামনে এভাবে মরে যেতে দেখতে আমি পারছি না। এর থেকে তো আমার মরে যাওয়া ভালো ছিল।” অনিন্দ্য বুঝতে পারে শোকে মধুমিতার মাথাটা একটু একটু করে খারাপ হয়ে যাচ্ছে। নিজেকে সামলাতে পারছে না সে। কিন্তু অনিন্দ্যের এখানে কিছুই করার নেই।

অন্যদিকে মেঘ একটা ভীষণ বাজে স্বপ্ন দেখে। সে দেখে তার দিদি নিজে তার কাছে এসে রক্ত চাইছে, আর বলছে মেঘ যদি রক্ত না দেয় তাহলে সে মরে যাবে। এসব দেখে প্রচন্ড ভয় পেয়ে উঠে পড়ে মেঘ। সে তাড়াতাড়ি করে তার সামনে থাকা নার্সকে তার ফোনটা দিতে বলে। নার্স মেঘকে জানায়, তার ফোনটা যখন নিয়ে নেওয়া হয়েছে তার মানে তাকে ফোন দেওয়ার অনুমতি নেই। কিন্তু মেঘের কথা ফেলতে পারেনা সেই নার্স শেষ পর্যন্ত তাকে ফোনটা দিয়েই দেয়। সে যখনই তার দিদিভাই যে হাসপাতালে আছে সেখানকার রিসেপশনে ফোন করে, তারা স্পষ্ট জানায় যে রোগীর মা-বাবাকে ছাড়া আর কাউকে তার খবর দেওয়া যাবে না। মেঘ বুঝতে পারে সবকিছু যখন তার থেকে লুকানো হচ্ছে তার মানে নিশ্চয়ই কিছু একটা হয়েছে। নিশ্চয়ই তার দিদিভাই ঠিক নেই।

আরো পড়ুন: অভিনয় ছাড়ার চরম সিদ্ধান্ত নিলেন ইচ্ছে পুতুলের জিষ্ণু, প্রেমিকার থেকে আলাদা হতে এমন সিদ্ধান্ত!

তখনই সেখানে চলে আসে গিনি আর জিষ্ণু। মেঘ তাদের থেকে জানতে চায় যে তার দিদিভাই কেমন আছে? আর কেন তার থেকে সবটা এভাবে লুকানো হচ্ছে? জিষ্ণু বলে, এত চিন্তা করার কোনো কারণ নেই, ময়ূরী ঠিক আছে। মেঘ তখন ভীষণ অস্থির হয়ে ওঠে। কারণ তার মনে হচ্ছে না যে ময়ূরী ঠিক আছে। সে জিষ্ণুকে বলে, “আমাকে ছুঁয়ে বল দিদিভাই ঠিক আছে” মেঘের এই দাবি রাখতে পারেনা জিষ্ণু। মেঘ বুঝতে পারে সত্যিই তার মানে কোন একটা গন্ডগোল হয়েছে। মীনাক্ষী নীল কেউই মেঘকে সামলাতে পারেনা।

Back to top button