প্রিয় জেঠিমনির হাতে সপাটে চ’ড় খেয়ে মূর্ছা গেল ময়ূরী! গা জুড়ালো, বলছে নেটপাড়া

এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় যে ধারাবাহিকটি শিরোনাম দখল করে রয়েছে তার নাম ইচ্ছে পুতুল (Icche Putul) ।‌ দেওয়ালে পিঠ থেকে গিয়েও ঘুরে দাঁড়ানো কাকে বলে তা এই ধারাবাহিকটি দেখিয়ে দিয়েছে। বাঙালি দর্শক এখন এই ধারাবাহিকের মোহে আচ্ছন্ন। আসলে গল্প এবং অভিনয় যদি জমাট বাঁধে তাহলে সেই ধারাবাহিক হিট হবেই।

এই মুহূর্তে ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিক এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সে প্রত্যেক সপ্তাহে স্লট লিডার হচ্ছে। আগে যেখানে সপ্তাহে মাত্র চারদিন সম্প্রচারিত হতো সেখানে সপ্তাহে ৭ দিন সম্প্রচার করা হচ্ছে একটা সময় দারুণ ভাবে পিছিয়ে পড়া এই ধারাবাহিকটিকে। নিত্যদিনই শোনা যেত ইচ্ছে পুতুল নাকি বন্ধ হয়ে যাবে। সেখান থেকেই এখন দর্শকরা এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন।

আপন মায়ের পেটের দিদি কিভাবে বোনের জীবনকে বিষিয়ে দিতে পারে সেটা এই ধারাবাহিক না দেখলে বোঝা দায়। আর তেমনটাই হচ্ছে ইচ্ছে পুতুলে। নিজের বোন মেঘের স্বামী সৌরনীলকে পাওয়ার জন্য যে কোন পর্যায়ে পর্যন্ত নেমে যেতে পারে ময়ূরী। যে কোন কারর ক্ষতি করে দিতে পারে সে। এতটাই সর্বনাশা।

আর মেঘকে নীলের জীবন থেকে সরাতে বেশ কিছু জনকে নিজের মহড়া বানিয়ে ছিল ময়ূরী। আর যার মধ্যে অন্যতম মীনাক্ষী, গিনি। সৌরনীলের মা মীনাক্ষীকে কার্যত নিজের বশে করে রেখেছিল ময়ূরী। আর তাই মেঘকে প্রতি পদে ভুল বুঝে ময়ূরীর প্রত্যেকটা কথাকে বেদ বাক্য বলে মনে করতেন মীনাক্ষী।

তবে ময়ূরীর কথা শুনে রূপের সঙ্গে গিনির বিয়ে দেওয়ার পর যা অবস্থা হয়েছে সেখানে ময়ূরীর পক্ষে ড্যামেজ কন্ট্রোল করা কিন্তু বেশ চাপের হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাল, মিনি সবাই ময়ূরীর বিপক্ষে চলে গেছে। কেন যে তখন তারা মেঘের কথা শোনেনি সেই নিয়ে আক্ষেপ করছে সবাই।

এরই মধ্যে আবার মিথ্যে কথা বলে সবাইকে নিজের জলে জড়ানোর চেষ্টা করেছিল ময়ূরী। কিন্তু সমস্ত সত্যি কথা বলে দেয় মিনি। এরপর ভয় পেয়ে ময়ূরী আবারও নিজের প্রিয় জেঠিমনিকে বশীভূত করার চেষ্টা করলে এবারে মীনাক্ষী সপাটে একটা থা’প্প’ড় মারে ময়ূরীর গালে। সেই থাপ্পড় খেয়ে মেঝেতে পড়ে যায় ময়ূরী। যা দেখে হতভম্ব হয়ে যায় উপস্থিত সবাই।

Back to top button