অনিকেতের কফিনে পেরেক পুঁতলো মন্দার! স্যারকে বাঁচাতে নিজেই আত্মসমর্পণ করলো শ্যামলী!

নিজের অহংকার বজায় রাখতে গিয়ে অনেকেই অনেক অন্যায় কাজ করে। ঠিক তেমনি শুধুমাত্র নিজের অহংকারকে বজায় রাখতে জি বাংলার (Zee Bangla) কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের নায়ক অনিকেতের মা নিজের ছেলের জীবনটা নষ্ট করে দিচ্ছে। বর্তমানে এই ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা একেবারে আকাশ ছোঁয়া। টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো একটা জায়গা দখল করেছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলীকে জোড়া বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় অপরাজিতা। এরপর সে নিজের বাড়ি চলে যায় কিন্তু সেখানে গিয়েও বিপদে পড়ে। সেই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করে আবারো জোড়া বাড়িতে ফিরিয়ে আনে অনিকেত। আর এই বিষয়টা একেবারেই ভালো চোখে দেখেনি মামনি। তার নিজের অহংকারে আঘাত লাগায় সে অনিকেতকে সতছেলে বলে দাগিয়ে দেয়। এই কথাটাই ভীষণ কষ্ট পায় অনিকেত। কিন্তু তাতে তার কিছুই যায় আসে না কারণ অপরাজিতার কাছে নিজের ছেলের ভালবাসার তুলনায় নিজের দম্ভ অহংকার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Kon Gopone Mon Veseche Today Episode 14th June

কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ১৫ জুন (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today Episode 15 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মন্দার জোড়া বাড়িতে এসে ঝামেলা করতে থাকে। সে সবাইকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় শ্যামলীকে না নিয়ে এখান থেকে মন্দার কিছুতেই যাবে না। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে আবারো শ্যামলীকে মন্দারের সাথে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে অপরাজিতা। বাড়ির অনেকেই শ্যামলীকে বেরিয়ে যেতে বলে। এই গোটা নাটকটা দেখে খুব মজা পায় মন্দার।

অনিকেতকে ধরে নিয়ে গেল মন্দার

এরপর মন্দার বলে, শ্যামলী যদি তার সাথে না যায় তাহলে এখানে উপস্থিত সবাইকে সে শেষ করে দেবে। অপরাজিতা তখন উঠে পড়ে লাগে শ্যামলীকে তাড়ানোর জন্য। শ্যামলী কথা না বাড়িয়ে নিজেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে চায় আর মান্দারকে বলে সে তাকে বিয়ে করবে। কিন্তু অনিকেত তাকে আটকায়। মন্দার জানতো যে শ্যামলীকে সে এত সহজে এই বাড়ি থেকে নিয়ে যেতে পারবে না। এটা কলকাতা, তার এলাকা নয়। তাই নতুন চাল চাললো সে। মন্দার একটা কফিন নিয়ে আসে।

আরও পড়ুনঃ জিতে গেলো মেহেন্দি! শাশুড়ি মায়ের নয়নের মনি হয়ে উঠলো স্বয়ম্ভু! শকুন্তলার ব্যবহারে চমকে গেল উৎসব!

অনিকেতকে অজ্ঞান করে সে কফিনে ভরে দেয় মন্দার। এরপর সেটা নিয়ে দূরে চলে যায়। পাশাপাশি সে বাড়ির প্রত্যেককে জানায়, তারা যদি শ্যামলীকে তার হাতে তুলে না দেয় তাহলে অনিকেতকেও আর ফিরে পাবে না। এই ঘটনার জন্য শ্যামলীতেই দোষারোপ করে অপরাজিতা। শ্যামলী তখন তাড়াতাড়ি ঘরে গিয়ে বেনারসি শাড়ি গয়না বের করে। সে ঠিক করে তার যাই হয়ে যাক স্যারের কিছু হতে দেবে না সে।

Back to top button