কথার জালে ময়ূরীকে ফাঁসিয়ে নিল রূপ! ময়ূরীর মেঘকে খুন করার কথা রেকর্ড করলো সে! সবাইকে একসাথে সরাবে সে

বন্ধু যখন শত্রু হয়ে যায় তখন তার চাইতে ভয়ংকর আর কিছুই হতে পারে না। তারই প্রমাণ মিলল জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিকে (Ichhe Putul)। এক ত্রিকোণ প্রেমের গল্প নিয়ে শুরু হয় এই ধারাবাহিক। প্রথমে বেশ সমালোচিত হলেও ধীরে ধীরে নিজের একটা আলাদা জায়গা দর্শকদের মনে তৈরি করে নেয় এই মেগা। ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার জুটি দর্শকদের কাছে হয়ে ওঠে অত্যন্ত প্রিয়।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, একদিকে নায়ক নায়িকার চার হাত মিলিয়ে দেওয়ার অর্থাৎ বিয়ের আপ্রাণ চেষ্টা খুব তাড়াতাড়ি সফল হতে চলেছে। অন্যদিকে সেই চেষ্টায় জল ঢেলে নিজের রাগ মেটাতে নিজের বোনকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে নায়িকার নিজের দিদি ময়ূরী। এই ভয়টা যদিও অনেকেই পেয়েছিল কিন্তু এইবার বিষয়টা কতটা ভয়ংকর হবে সেটা হয়তো আন্দাজ করতে পারছে না কেউই।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ময়ূরী ফোন করেছে রূপকে। সে বলে, “আমি ওই বন্দুকটা চাই। তুমি তো বলেছিলে ওটা আমাকে দেবে। আমাকে শেষবারের মতো হেল্প করো প্লিজ। এরপর আবার যা খুশি হোক তাতে আবার কিচ্ছু যায় আসেনা। আমি এভাবে হেরে বেঁচে থাকতে পারবো না। মেঘকে আমি কিছুতেই সুখী দেখতে পারবো না।” মুখে না না করলেও মন থেকে রূপ এটাই চেয়েছিল। সে বন্দুকটা দেওয়ার কথা দেয় ময়ূরীকে। এরপর ফোনটা রেখে সে হাসতে থাকে আর বলে, এই বন্দুকের মালিক সে নয়। তাই তাকে ফাঁসানো যাবে না।

এদিকে ময়ূরীকে ডাকাডাকি করতে থাকে মধুমিতা। ময়ূরী আসলেই তার মা তাকে বলে, “মেঘের জন্য একটা হীরের সেট বানিয়েছিলাম। ওটা পরিয়ে আশীর্বাদ করব বলে। এখন দেখছি ওটা আলমারিতে থেকে গেছে। এদিকে এত কাজ তাই আমি যেতে পারছি না আর তোর বাপির শরীরটা ভালো নেই সকাল থেকে উপোস। বিশ্বাস করার মত আর কেউ নেই তাই তুই যা গিয়ে নিয়ে আয়।” ময়ূরী দেখে এই সুযোগে বন্দুকটা মানা যাবে তাই কথা না বাড়িয়ে তাড়াতাড়ি রাজি হয়ে যায়। সে সেখান থেকে চলে গেলেই মধুমিতা কান্নায় ভেঙে পড়ে। নিজের মেয়েকে এমন মিথ্যে বলে সরিয়ে দিয়ে সে খুব কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার কিছু করার নেই।

আরও পড়ুনঃ গুলি চালাতে বলেছিল বৈদেহি মুখার্জী! জগদ্ধাত্রীর সামনে সব স্বীকার করে নিল উপল!

এদিকে নীলকে ধুতি পরিয়ে একেবারে রেডি করে ফেলেছে তার ভাই এবং কাকা। এরপর তাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতে থাকে তার কাকা। এরপর বরকে নিতে চলে আসে জিষ্ণু। তাকে মেঘের কাছে না থেকে এখানে আসতে দেখে নীল জিষ্ণুকে বলে, বন্ধু হিসেবে এই মুহূর্তে মেঘের পাশেই থাকা দরকার তার। কিন্তু জিষ্ণু তো বলতে পারেনা যে সেই মেঘের জন্যেই বরকে নিতে এসেছে। এরপর নীল তাকে জিজ্ঞাসা করে মেঘ কি রংয়ের শাড়ি পরেছে। জিষ্ণু তার উত্তরে বলে লাল। তারপর তাড়াতাড়ি সেখান থেকে চলে যায় জিষ্ণু। আরে নীল মনে মনে মেঘকে কল্পনা করতে থাকে।

Back to top button