“অনিন্দ্যকে রাজি করাবে মধুমিতা”- ঠাম্মির কথায় অবাক গাঙ্গুলী পরিবার, অন্যদিকে মেঘকে বিয়েতে রাজি করাবে অনিন্দ্য!

বর্তমানে প্রত্যেকদিন দর্শকদের মন আনন্দে ভরিয়ে তুলছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul) ধারাবাহিক। শুরু থেকেই অনেক সমালোচনার শিকার হয়েছে এই ধারাবাহিক। কিন্তু ধীরে ধীরে সমালোচনা থেকে চর্চায় এসেছে এই মেগার গল্প। বর্তমানে দূরে গিয়েও কাছে আসতে চলেছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। আর সেই চেষ্টাতেই মেতে উঠেছে দুটি পরিবার।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়ক নীল এবং নায়িকা মেঘের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে গেলেও তাদের মনের দূরত্ব অনেকটাই কমেছে। কিছু মাস আগে তাদের দুজনের মধ্যে যে সম্পর্ক ছিল এবং বর্তমানে যে সম্পর্ক আছে তার মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। এখন একে অপরের কাছাকাছি থাকতে চায় তারা কিন্তু সেই কথাটা কেউই মুখ ফুটে কাউকে বলতে রাজি নয়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মধুমিতা চা দিতে এলে অনিন্দ্য তাকে কিছুক্ষণের জন্য বসতে বলে। এরপর দুজনের মধ্যে কথোপকথন শুরু হয়। অনিন্দ্য গোটা বিষয়টা নিয়ে প্রচন্ড দ্বিধায় রয়েছে। সে মধুমিতাকে বলে, যদি মেঘ মন থেকে এমনটা না চায় তাহলে কিন্তু তারা কোনদিনও মেঘের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। অন্যদিকে মধুমিতা বোঝানোর চেষ্টা করে যে, মেঘে নীলকে ছাড়া ভালো থাকবে না। আগের দিন নীলের নামে বাজে কথা বলায় ওর যা প্রতিক্রিয়া হয়েছিল সেটাই প্রমাণ করে ও নীলকে ঠিক কতটা ভালোবাসে। ওরা দুজন সুখী হবে। আর তার ওপর নীলকে বদলে দিয়েছে মেঘ। এইবার ওদের মধ্যে আর কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।

এদিকে দেখা যায় ঠাম্মি জল খাবার খাওয়ার জন্যে সবার সঙ্গে এসে ডাইনিং টেবিলে বসে। আর সেখানেই তাদের মধ্যে আলাপ আলোচনা শুরু হয়। ঠাম্মি ঠিক করে নীল দাদাকে কলকাতায় নিয়ে আসবে। আর তারপর বিয়ের ব্যবস্থা করবে। কিন্তু অনিন্দ্য কি রাজি হবে এই নিয়ে সংশয় দেখা যায় সবার মনে। তখন ঠাম্মি বলে ওই অনিন্দ্যকে রাজি করাবে ওর বউ। সেই নিয়ে সে একশো শতাংশ নিশ্চিত। যতদিন না এই রাজি করানোর পালা মিটছে, তার ফাঁকেই এইদিককার সমস্ত কাজ এগিয়ে রাখতে হবে। এমনটাই হুকুম করে ঠাম্মি।

এদিকে মধুমিতা অনিন্দ্যকে জানায়, এবার মেঘকে রাজি করানোর কাজটা তাকেই করতে হবে। বাবা বললে মেঘ রাজি না হয়ে থাকতে পারবে না। মেঘ কিছুতেই নিজের রেওয়াজে মন বসাতে পারেনা। তার বিবেক বারবার তাকে মনে করিয়ে দেয়, সে এখনো নীলের জন্য অপেক্ষা করে বসে আছে। তাই সে তার মায়ের বলা কথাগুলোয় রেগে গিয়েছিল। মেঘ নিজেকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করলেও নিজেকে বিবেককে ভুল বোঝাতে পারেনা। বারবার হেরে যায়।

Back to top button