ছাই চাপা আগুনের ফুলকি থেকে দাবানল হয়ে উঠলো লাবু! ক্ষমতার প্রয়োগ করে শয়তানদের উচিত শাস্তি দিচ্ছে সে! লাবণ্যর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শক!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিককে সবকটি চরিত্রই বর্তমানে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কোন চরিত্র ছাড়াই এখন ধারাবাহিকটি দেখতে ভালো লাগবে না দর্শকদের। আর এই সব চরিত্রের মধ্যে দর্শকদের যেই চরিত্রটা সবথেকে বেশি মুগ্ধ করেছে সেটা হল লাবণ্যর চরিত্র। অর্থাৎ ধারাবাহিকে যাকে রুদ্রর স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করতে দেখতে পাচ্ছি আমরা।

Phulki, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, ফুলকি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Phulki New Episode

শুরু থেকে দেখানো হয়েছিল লাবণ্য খুবই সাধারণ একটি মেয়ে। স্বামী, সংসার, পরিবার নিয়েই তার সময় কাটে। রুদ্র প্রথম থেকে লাবণ্য সাথে অনেক অন্যায় করেছে, তার উপর অনেক অত্যাচার করেছে, তাকে মারধর পর্যন্ত করেছে। কিন্তু তবু স্বামীর সাথে সংসার করার জন্য কখনো মুখ খোলেনি লাবণ্য। সব সময় মুখ বন্ধ করে সেই সব অত্যাচার অপমান সহ্য করে গিয়েছে। রুদ্রর বিরুদ্ধে কখনো কথা বলেনি।

তবে বর্তমানে লাবণ্য চরিত্রটা ঠিক যেভাবে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে তাতে দর্শক ভীষণই খুশি। এখন লাবণ্য অন্যায়ের সাথে আপোষ করে না। রুদ্র যে কটা অন্যায় আজ পর্যন্ত করেছে সবকিছুর হিসেব নেওয়ার জন্য এখন সে প্রস্তুত। রুদ্রর কোন অত্যাচার অপমান সে আর সহ্য করে না, পাল্টা জবাব দিয়ে দেয়। ফুলকি যেভাবে রুদ্রর আসল চেহারা সবার সামনে নিয়ে এসেছে তাতে করে নিজের স্বামী বলে আর রুদ্রকে ক্ষমা করে না লাবণ্য। এখন সে নিজেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। নিজের স্বামীর বিপরীতেই লড়াই করছে। আর লাবণ্যর এই চরিত্রটা বর্তমানে ভীষণই উপভোগ করছেন দর্শক।

আরও পড়ুনঃ ‘ওখানে না কি টাকার খেলা চলে!’ – সারেগামাপার ফাইনালে পৌঁছেও ছিটকে গেলো খুদে আরাত্রিকা! সত্যিটা ফাঁ’স করে ক্ষোভ উগরে দিলেন দিলেন শিল্পীর বাবা!

অনেকেরই দাবি করছেন প্রত্যেকটি মেয়ের মধ্যে এরকম একটা করে লাবণ্য লুকিয়ে থাকা উচিত। প্রত্যেকটা মেয়ের মধ্যেই জ্বলে ওঠা আগুনের শিখা থাকা উচিত যাতে সময়ের সাথে সেটা দাউ দাউ করে জ্বলে উঠতে পারে, আর নিজের জন্য প্রতিবাদ করতে পারে লড়াই করতে পারে। প্রত্যেকটা মেয়ের মধ্যে এই সত্ত্বা থাকা উচিত। বর্তমানে লাবণ্য যেভাবে নিজের জন্য লড়াই করছে পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছে রুদ্রর প্রতিটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করছে সেটা দেখে খুবই ভালো লাগছে দর্শকদের। বর্তমানে ফুলকি রুদ্রকে শাস্তি দেওয়ার জন্য তাকে আটক করে রেখেছিল। কিন্তু সেখান থেকে হঠাৎই গায়েব হয়ে যায় রুদ্র। আসলে লাবণ্য তাকে এখন নিজের হেফাজতে রেখেছে। রুদ্রর করা সমস্ত অন্যায়ের প্রতিশোধ এবার নেবে লাবণ্য।

Back to top button