পর্ণার আসন্ন সন্তানের ক্ষতি করতে ফাঁদ পাতলো অয়ন মৌমিতা! পর্ণার উপর চাপ সৃষ্টি করল কৃষ্ণা

একটানা একটা বিপদ লেগেই রয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকার জীবনে। এতদিন সে ব্যস্ত ছিল তার বাড়ির সদস্যদের বাড়িতে ফিরিয়ে আনা নিয়ে। সেটা মিটতে তার জীবনে এলো এক নতুন সুখবর। এবার এই সুখবরকে কেন্দ্র করেই নতুন ঝড়ের পূর্বাভাস পেল নায়িকা পর্ণা। ধারাবাহিকটি বর্তমানে স্থান পেয়েছে বেঙ্গল টপারের। চলতি সপ্তাহে সবার শীর্ষে নিজের নাম লিখিয়েছে এই মেগা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা মা হতে চলেছে আর সৃজন হতে চলেছে বাবা। এই সুখবরটা পেয়ে দত্ত বাড়ির প্রত্যেকে ভীষণ খুশি। তবে এই নিয়ে খুশি কিংবা দুঃখী কোনটাই হতে পারছে না সৃজনের মা কৃষ্ণা। একদিকে সে তার পুত্রবধূকে মেনে নিতে পারে না অন্যদিকে সৃজনের সন্তানকে সে অস্বীকার করতে পারে না। বেশ দোটানা সৃষ্টি হয়েছে তার মনে। আর এটা খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছে পর্ণা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণার এই সুখবরটা শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় কৃষ্ণা। ফলে বেশ মন খারাপ হয়ে যায় পর্ণার। সে ভাবতে থাকে এত কিছুর পরেও কি তার শাশুড়ি মা তাকে মেনে নেবে না? ঠিক তখনই বরণডালা নিয়ে হাজির হয় কৃষ্ণা। সে তার ছেলে আর ছেলের বউকে বরণ করে নেয়। আর বলে, এতদিন সে সব কিছু মেনে নিয়েছে কিন্তু এইবার তার বাবুর ছেলে আসতে চলেছে তাই এখন থেকে তাদের সব কথা মেনে চলতে হবে পর্ণাকে। কথাগুলো শুনে বেশ ভয় পেয়ে যায় পর্ণা। সে ভাবতে থাকে এখন থেকেই কৃষ্ণা মনে করছে তার ছেলে হবে। কিন্তু যদি মেয়ে হয় তখন?

সবাই ঘর থেকে যেতেই সৃজন পর্ণাকে কোলে তুলে নেয় আর বলে সে আজ ভীষণ খুশি। তারা দুজন মিলে পরিকল্পনা করে আবার নতুন করে শাড়ির কথা খুলবে তারা এছাড়া অনুভবের ঋণটাও শোধ করতে হবে। সকাল হতেই বর্ষাকে ডেকে পাঠায় পর্ণা। সে বলে, দত্ত বাড়ি হোমস্টের ব্যবসাটা আবার শুরু করবে তারা। মাঝে অনেকদিন সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছিল কিন্তু আবার ওটাকে চালু করতে হবে। বর্ষা তার বৌদি ভাইকে বলে এক্ষুনি সে বাড়ির সবাইকে গিয়ে এই কথাটা জানিয়ে দিচ্ছে।

আরো পড়ুন: উৎসবকে বাঁচাতে ভয়ংকর ফন্দি আঁটলো বৈদেহি, ঋষির আসল খুনিকে ধরতে ফাঁদ পাতলো জ্যাস!

সৃজন পাড়ায় গিয়ে মানিকদাকে তার বাবা হওয়ার কথাটা জানালে, মানিক দা সহ প্রত্যেকে সৃজনকে কোলে করে দত্তবাড়িতে নিয়ে আসে আর সৃজনের বাবা সবাইকে মিষ্টি খাওয়ায়। পর্ণা তখন ভারী বালতি নিয়ে এগিয়ে আসতে দেখে তাকে প্রচন্ড বকাবকি করে জেঠি আর কৃষ্ণা। পর্ণার শাশুড়ি আবারও তাকে মনে করিয়ে দেয়, বাবুর ছেলের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। একটা বিপত্তারিণীর ধাগাও বেঁধে দেয় পর্ণার হতে। এতকিছুর পরেও খুশি হতে পারছে না পর্ণা। কারণ সে ভেবে উঠতে পারছে না এই মা আর ছেলের মন থেকে কিভাবে পুত্রসন্তান এবং কন্যা সন্তানের মধ্যে তৈরি হওয়া ব্যবধান দূর করবে।

Back to top button