পুলিশের ভয়ে কৃষ্ণা ক্ষমা চাইলো পর্ণার কাছে! মা-বউয়ের লড়াইয়ে বউয়ের বুদ্ধিতেই বাজিমাত করলো সৃজন, নিম ফুলের মধু তে মধুময় পর্ব আজ

২০২২ সালের শেষে শুরু হয়েছে ‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিক। মাস তিনেকের মধ্যেই এই ধারাবাহিক টিআরপি তালিকায় বেশ পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। প্রতি সপ্তাহে এক থেকে পাঁচের মধ্যে নিজের জায়গা টিকিয়ে রেখেছে এই ধারাবাহিক। শাশুড়ি-বৌমার সম্পর্কের টানাপোড়েন পছন্দ করছে দর্শক। তবে এবার যে মোড় এসেছে তাতে খেলা আরও জমবে।

এমনিতেই ‘বাবুর মা’-র খুব একটা পছন্দ না বাবু যেভাবে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে তা। ফলত ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছে পর্ণাকে বাড়ি থেকে দূর করার। আর তাতে মদত দিচ্ছে দত্ত বাড়ির বড় বউ। তারা সব সময় আঁটঘাঁট বেঁধে চেষ্টা করে এসেছে সৃজনের দ্বিতীয় বিয়ে দেওয়ার। তাও আবার বড় বউয়ের বোন তিন্নির সঙ্গে। কিন্তু প্রতিবারই অসফল হয়েছে তারা।

বাবুর মা অর্থাৎ সৃজনের মা কৃষ্ণা, মনে করে পর্ণা আধুনিক মেয়ে। সে ধীরে ধীরে তার বাবুকে মায়ের কাছ থেকে সরিয়ে দেবে। আর তাই শুরু থেকেই কৃষ্ণা একের পর এক সমস্যা তৈরি করেছে সৃজন আর পর্ণার জীবনে। কিন্তু পর্ণাও বোকা নয়। প্রত্যেকটি সমস্যার সমাধান করেছে সে। এছাড়াও দত্ত বাড়িতে আসা ভয়ংকর সব বিপদের সঙ্গে বুদ্ধির সাথে লড়াই করেছে পর্ণা।

কিন্তু এই দিন সেই কৃষ্ণা পর্ণাকে জড়িয়ে ধরে বৌমা হিসেবে মেনে নিল। কিন্তু হঠাৎ তার মধ্যে এত পরিবর্তন কেনো? সেটাই আজকে জানাতে চলেছি। বাড়িতে পুলিশ আনে পর্ণা। অভিযোগ করে বধূ নির্যাতনের। পুলিশ এসে কৃষ্ণা আর সৃজনকে কোমরের দড়ি বেঁধে থানায় নিয়ে যেতে এলে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলে কৃষ্ণা। সে বলে পরিবারের একসঙ্গে থাকলে একটু তো রাগ অভিমান হবেই।

তা বলে বাড়িতে পুলিশ আসবে এ কেমন কথা। তখন পুলিশ বলে এত সময় নেই তাড়াতাড়ি থানায় চলুন। এই শুনে কৃষ্ণা আরো ভয় পেয়ে যায় আর পর্ণাকে বলে আমি তোমাকে খুবই ভালোবাসি। পুলিশ বলে তাহলে প্রমাণ করুন। তখন কৃষ্ণা তার নিজের গলার সোনার হাতটা খুলে তার ছেলের বউয়ের গলায় পরিয়ে দেয়। আর জড়িয়ে ধরে বলে এই এত বড় অপমানের ফল তুমি পাবে, ওদেরকে চলে যেতে বল যা করেছো সব মিটিয়ে নাও নইলে আরো খারাপ হবে। তখন পর্ণা বলে আমি আপনাকে ক্ষমা করে দিলাম। এরপর পুলিশ চলে যায় আর স্বস্তিতে নিঃশ্বাস ফেলে কৃষ্ণা। এবার কোন নতুন কোপ পড়তে চলেছে পর্ণার ঘাড়ে সেটাই দেখার বিষয়।

Back to top button