তীর্থ নয়, আসল শ’য়তান অন্য কেউ❗চমকে গেল অনিকেত❗

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক প্রথম দিন থেকেই ধীরে ধীরে করে দর্শকের মনে জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। ধারাবাহিকে শ্যামলী চরিত্র দর্শকের বেশ পছন্দের। শ্যামলী আত্মনির্ভরশীল, সৎ একটি মেয়ে। অন্যদিকে অনিকেতও তারই মত। তাই ধারাবাহিকের এই জুটি বেশ পছন্দ দর্শকের।

ধারাবাহিকে শেষ কয়েকদিন ধরে দেখানো হচ্ছে শ্যামলী অনিকেত দুজনে মিলে অনিকেতের বিরুদ্ধে কে চ’ক্রান্ত করেছে সেটা জানার জন্য নতুন প্ল্যান করেছে। অনিকেত শ্যামলীর কথামতো সেই প্ল্যানে রাজি হয়ে গিয়েছে। পরের দিন অনিকেত শ্যামলী দুজনেই আসল অ’পরাধীকে ফাঁ’দে ফেলতে অফিসে যায়।

Kon Gopone Mon Bhesechhe , Zee Bangla, Bengali serial, Serial, Bengali television, কোন গোপনে মন ভেসেছে, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Kon Gopone Mon Bhesechhe Today episode 7 October, কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ৭ অক্টোবর, নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব

কোন গোপনে মন ভেসেছে আজকের পর্ব ৮ অক্টোবর (Kon Gopone Mon Bhesechhe Today episode 8 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে অনিকেত শ্যামলীর প্ল্যান মতই সেই হোটেলে গিয়ে মিথ্যে মিটিং এর অভিনয় করে কোম্পানির মালিক সেজে যায় অনিকেতের বাবা এবং দাদুরা সেখানে উপস্থিত হয়। প্রথমে অনিকেত ভেবেছিল শ্যামলীর এই প্ল্যানটা হয়তো সফল হবে না কিন্তু শ্যামলীর প্ল্যান মতোই সমস্ত কিছুই এগোচ্ছিল। আর ঠিক তখনই দেখা যায় অনিকেতের বিরুদ্ধে যে চ’ক্রান্ত করেছে সে হাজির হয় ওই রুমে। যেহেতু ওই ব্যক্তি হুডি পড়ে মাথা ঢাকা দিয়ে রুমে আসে তাই প্রথমে কেউ তাকে চিনতে পারেনি। অনিকেত এবং শ্যামলী সন্দেহ করছিল অনিকেতের অফিসের তীর্থঙ্করকে। কিন্তু হুডির টুপি সরানো মাত্রই প্রত্যেকে চমকে যায়। কারণ হুডির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসে অনিকেতের অফিসের কর্মচারী সাহিল, তীর্থঙ্কর নয়।

এরপর একে একে সাহিল নিজের মুখেই তার কু’কর্মের কথা স্বীকার করতে থাকে। কিভাবে সে অনিকেতের ল্যাপটপ থেকে তার হয়ে মেল পাঠিয়েছিল, কিভাবে ইনফরমেশন লিক হয়েছে সমস্ত কিছু। আর আড়াল থেকে শ্যামলী এবং অনিকেত সমস্ত কিছু রেকর্ড করতে থাকে। এরপরে হঠাৎ করে সেই রুমে ঢোকে অনিকেতের অফিসের বস এবং তার মেয়ে। সমস্ত সত্যি সামনে আসার পর প্রথমে তো কেউ বিশ্বাসই করতে পারছিল না যে সাহিল এই কাজ করতে পারে। আসলে সকলে তীর্থঙ্করকে সন্দেহ করেছিল। এখন সবার কাছে ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়েছে। কিন্তু সাহিল চালাকি করে পালাতে গেলে তাকে প্রতিম এবং মন্দার মিলে ধরে ফেলে। এরপরে অফিসের বস সাহিলকে অনেক অপমান করে এবং অনিকেতের কাছে ক্ষমা চায়।

আরও পড়ুন: ইশার কাছেই হাত পাতল নি’র্লজ্জ কৃষ্ণা! শাশুড়িকে আর ক্ষমা করবে না পর্ণা!

এদিকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য সাহিল শ্যামলীর গ’লায় ভা’ঙা কাঁ’চের বোতল ধরে এবং শ্যামলীকে মে’রে ফেলার হু’মকি দেয়। এরপরে সকলে সাহিলকে সাবধান করতে থাকে। অনিকেত শ্যামলীকে বাঁচানোর জন্য বুদ্ধি খাঁটিয়ে শ্যামলীকে উদ্ধার করে। এরপরে পুলিশ ধরে নিয়ে যায় সাহিলকে। সকলেই শ্যামলী এবং অনেকেরই বুদ্ধির প্রশংসা করে। কিন্তু অনিকেতের বসে মেয়ের কিছুটা সন্দেহ হয় অনিকেত শ্যামলীকে দেখে। তাদের মধ্যে কি সম্পর্ক সেটাই বুঝতে পারে না তারা। এরপর শ্যামলী আসল সত্যিটা আড়াল করেই জানাই অনিকেত তাকে একবার খারাপ সময় থেকে উদ্ধার করেছিল, সেই থেকেই অনিকেতকে চেনে শ্যামলী। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী দিনে কি হয়।

Back to top button