সর্বসমক্ষে শ্যামলীকে অস্বীকার! পুলিশি হেফাজতে অনিকেত! প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো

বর্তমান বেশিরভাগ ধারাবাহিকই নারী কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। নারীদের লড়াইয়ের গল্প তুলে ধরা হচ্ছে বিভিন্ন ধারাবাহিকে। সেরকমই একটি ধারাবাহিক হল জি বাংলার (Zee Bangla) ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’ (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক প্রথম দিন থেকেই ধীরে ধীরে করে দর্শকের মনে জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। কিভাবে শ্যামলী শহরে একা এসে নিজে লড়াই করে নিজের জায়গা তৈরি করেছে সেই গল্পই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। কিভাবে ধীরে ধীরে সবার মন জয় করেছে শ্যামলী সেটাই দেখানো হচ্ছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে অহনার কাছে ঠকে যাওয়ার পর থেকে অনিকেত নিজেকে ক্ষমা করতে পারছে না। অহনা অনিকেতের ব্যাংক থেকে সমস্ত টাকা নিজের ব্যাংকে ট্রান্সফার করে অনিকেতের অফিসেরই একজনের সঙ্গে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করছিল। আর সেটা ধরে ফেলে শ্যামলী। শ্যামলী, মন্দার এবং অনিকেতের মা মিলে সেখানে গিয়ে অনিকেতের সামনে সত্যিটা প্রমাণ করে এবং অহনা কেও হাতেনাতে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়।
অহনার কাছে ঠকে যাওয়ার পর অনিকেত নিজের ভুল বুঝতে পারে। সে শ্যামলীকে নিজের জেদের কারণে নিজের ইগোর কারণে দূরে ঠেলে দিয়ে কত বড় ভুল করেছে সেটা বুঝতে পারে। শ্যামলী বারবার অনিকেতের বিপদে তার পাশে দাঁড়িয়েছে, তাকে সাহায্য করেছে। তারপরেও অনিকেত বারবার শ্যামলীকে ফিরিয়ে দিয়েছে। তাই এবার অনিকেত শ্যামলীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ফিরে যেতে চাইলে শ্যামলী অনিকেতকে ফিরিয়ে দেয়।

প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো
এরই মধ্যে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো ভিডিও সামনে এসেছে। বাড়ি ফেরার পথে অনিকেত শ্যামলীর গাড়ি খারাপ হয়ে যায় মাঝ রাস্তায়। সেখান থেকে বাড়ি ফিরতে গিয়েই বিপদে পড়ে বাধ্য হয়েই রাস্তার ধারের একটি হোটেলে আশ্রয় নেয় দুজনে। কিন্তু হোটেলের পরিবেশ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল সেখানে স্বাভাবিক ভদ্র সমাজের কেউ যায় না। তবে পরিস্থিতি এমন ছিল যে তারা বাধ্য হয়ে সেই হোটেলেই উঠেছিল।
আরও পড়ুনঃ সেদিনের সেই অত্যাচারিত অনাথ শিশু হয়ে উঠেছিলেন বাংলার গর্ব! তবুও শেষ বয়সে জুটেছে অপমান লাঞ্ছনা! কেমন ছিল সুখেন দাসের শেষ জীবন
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই দিনই ওই হোটেলে পুলিশের রেট পরে এবং অনিকেত শ্যামলীকে একসাথে দেখে পুলিশ অন্য কিছুই ভাবে। আর অনিকেতকে ধরে নিয়ে যেতে চায়। তখনই শ্যামলী পুলিশকে বাধা দিয়ে বলে তারা দুজন স্বামী স্ত্রী। কিন্তু অনিকেত পুলিশকে জানায় শ্যামলী মিথ্যা কথা বলছে তাকে বাঁচাতে। এরপর শ্যামলী অনিকেতকে বলে কেন সে এই ধরনের কথা বলছে। অনিকেত তখন বলে যে সম্পর্ক শ্যামলী ফিরিয়ে দিয়েছে সেই সম্পর্ক থেকে কোনরকম সাহায্য নিতে চায় না অনিকেত। এবারে দেখার অপেক্ষা অনিকেতকে এই বিপদ থেকে কিভাবে রক্ষা করে শ্যামলী।

